বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন সংকটের মহাসড়কে

Posted: 22 মার্চ, 2020

মনির তালুকদার : ২০০৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন বাজারে ধস এবং পরবর্তী আর্থিক সংকট এবং বিশ্বজুড়ে যে বিপর্যয় নেমে এসেছিল আমরা এখনো তা স্মরণ করি। ১৭৭২ সালের সংকটটি লন্ডনে শুরু হয় এবং তা দ্রুত স্কটল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও ইউরোপের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৬০-এর দশকে ব্রিটিশ তার ঔপনিবেশিক অঞ্চলগুলো থেকে প্রচুর সম্পদ সংগ্রহ করে। এটি বহু ব্রিটিশ ব্যাংকের মধ্যে অতি দ্রুত সম্প্রসারণের প্রবণতা তৈরি করে। এই ঢেউটি হঠাৎ শেষ হয় যখন ব্রিটিশ ব্যাংকিং হাউজ নীল, জেমস, ফোর্ডিস এবং ডাউনের অন্যতম অংশীদার আলেকজান্ডার ফোর্ডিস তার ঋণ পরিশোধের দায় থেকে বাঁচতে ফ্রান্সে পালিয়ে যায়। ১৯২৯-৩৯ সালের মহামন্দা বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াবহ আর্থিক এবং অর্থনৈতিক বিপর্যয়। ১৯২৯ সালের ওয়ালস্ট্রিটের ক্র্যাশের ফলে ওই মহামন্দা সৃষ্টি হয়। ১৯৭৩ সালে চতুর্থ আরব ইসরাইলি যুদ্ধের সময় আরবদের বিরুদ্ধে ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়ার জন্যে ওপেক সদস্য দেশগুলো তেলের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দেয়। ফলে যুক্তরাষ্ট্র এবং অনেক উন্নত দেশে অর্থনৈতিক সংকট দেখা দেয়। ১৯৯৭ সালে এশিয়ান সংকট থাইল্যান্ডে শুরু হয় ওই সংকটটি দ্রুত পূর্ব এশিয়া এবং এর ব্যবসায়িক অংশীদার দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। “এশিয়ান টাইগার” নামে পরিচিত পূর্ব এশীয় দেশ থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলোতে অর্থনৈতিক মহাসংকট দেখা দেয়। ২০০৭-০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সংকট একটি মহামন্দার সৃষ্টি করেছিল। বলতে গেলে, বিশ্বব্যাপী আর্থিক বাজারগুলোতে এক ধরনের সর্বনাশ ডেকে এনেছিল। এই সংকটের ফলে আমেরিকার কয়েক মিলিয়ন চাকরি এবং কয়েক বিলিয়ন ডলার আর হারিয়ে গিয়ে ছিল। ওই সংকটের ফলে বিশ্বের অন্যতম বিনিয়োগ ব্যাংক লেম্যান ব্রাদার্স ভেঙে পড়েছিল। উপরে যে ছয়টি বড় অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে তার প্রতিটির বিশেষ এক বা একাধিক কারণ ছিল যা সংকটকে ঘনীভূত করে এক পর্যায়ে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এর মধ্যে বেশ কয়েকটি কারণের উপস্থিতি রয়েছে, যার ফলে আগামীতে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও প্রতিকারমূলক কিছু করা না গেলে বড় কোনো অর্থনৈতিক বিপর্যয় অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে। ১৭২৭ সালের ব্রিটেনে সৃষ্ট অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মূল কারণ ছিল দেশটির শীর্ষ স্থানীয় কয়েকটি ব্যাংকের অন্যতম মালিক আলেকজান্ডার ফোর্ডিস তার ঋণের দায় পরিশোধ এড়াতে ব্রিটেন ছেড়ে ফ্রান্স পালিয়ে যাওয়া। এতে করে ব্যাংকগুলো দায় পরিশোধে ব্যর্থ হতে পারে এই আতংকে আমানতকারীরা ব্যাংকগুলোতে টাকা উত্তোলনে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। বাংলাদেশে গত এক দশক সময়ে অনেক শীর্ষ বেসরকারি ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও মালিকানা সুনির্দিষ্ট কয়েকটি গ্রুপের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়ে। এর আগে ’৮০-এর দশকের শেষে আর্থিক খাতে সংস্কার বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্যাঅংক মালিকানা এবং ঋণ প্রদান কিছু সংখ্যক ব্যক্তি বা গ্রুপের হাতে চলে যাওয়া এবং খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি থেকে নিষকৃতি লাভের জন্যে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় কিছু কর্মসূচি বাসত্বায়ন করা হয়। এর ফলে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত দৃঢ় ভিত্তি লাভ করে এবং বেসরকারি খাতের বেশ কিছু ব্যাংক দীর্ঘ মেয়াদে শিল্প কারখানায় বিনিয়োগ করতে সক্ষম হয়। গত এক দশকে নানামুখী চাপের মুখে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতিমালা শিথিল করার কারণে সূচিত সংস্কার উদ্যোগ অকার্যকর হয়ে পড়ে। রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে চাপের মুখে বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও মাীলকানার পরিবর্তন ঘটিয়ে বিশেষ কয়েকটি গ্রুপের হাতে তুলে দেয়া হয়। ওই গ্রুপগুলো নামে বেনামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তৈরি করে ব্যাংকের বিনিয়োগযোগ্য তহবিলের বড় অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। বাংরাদেশের ব্যাংকিং খাতের মোট ঋণের পরিমাণ ১০ হাজার কোটি টাকার মতো। এর মধ্যে একটি গ্রুপই নামে বেনামে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ঋণ গ্রহণ করেছে বলে জানা যাচ্ছে। এর বাইরে পরবর্তী বৃহৎ ৯টি গ্রুপের নেয়া ঋণ হবে এর সমপরিমাণ। অর্থাৎ বড় ১০টি গ্রুপের নামে বেনামে নেয়া ব্যাংক ঋণ মোট ঋণের এক তৃতীয়াংশের মতো। আনুষ্ঠানিক তথ্যের কোনো কিছুই জানা যাচ্ছে না। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং সরকারে অন্যান্য অনুসন্ধানকারী সংস্কার বিভিন্ন অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে আসছে। বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের এসব বৃহত্তম নিয়ন্ত্রক ও ঋণগ্রহিতা যে পরিমাণ অর্থ আর্থিক খাত থেকে গ্রহণ করেছেন দেশের অভ্যন্তরে তার কতটা বিনিয়োগ হয়েছে তা অনুসন্ধান সাপেক্ষ। এ ধরনের শীর্ষ গ্রুপের পক্ষে কোনোভাবেই গ্রহণ করা ঋণ বা বিনিয়োগ ফেরত দেয়ার অবস্থা দেখা যায় না। আর নেয়া ঋণের বৃহদংশ বেনামে গ্রহণের ফলে এ নিয়ে মামলা মোকদ্দমায় সামনে চলে আসবে যাদের নাম এ ঋণ নিতে তাদের কেবল ব্যবহার কা হয়েছে। এর সাথে ঋণ অনুমোদনের সাথে যুক্ত ব্যাংকাররা এর শিকার হবে যাদের অনেকেই পরিচালকদের চাপের মুখে ঋণপ্রস্তাব অনুমোদনের জন্যে পেশ বা পাস করতে বাধ্য হয়েছেন। এখনকার বাস্তব অবস্থা হলো ব্যাংক থেকে নতুন করে ঋণ নেবার মতো নিয়ন্ত্রণ এ ধরনের গ্রুপের হাতে আর না থাকলে গৃহীত ঋণ ফেরত দেয়ার চাপ আসবে। এতে করে একের পর এক ঋণ বা বিনিয়োগ খেলাপি হয়ে পড়বে। আর সে চাপের মুখে আলেকজান্ডার ফোর্ডিসের মতো শীর্ষ ঋণগ্রহিতা বিদেশে পালালে এর প্রভাব ব্যাংক খাতে কতটা পড়তে পারে তা অনুমান করাও কষ্টকর। সরকারের অর্থনৈতিক নীতিপ্রণেতারা এই চিত্র সম্পর্কে অবশ্যই অবহিত আছেন বলেই মনে হয়। ১৯২৯ সালের মহামন্দায় ওয়ালস্ট্রিট ক্র্যাশ করা ছিল মূল কারণ। শেয়ারবাজারে ধস নামার মতো পরিস্থিতি বাংলাদেশেও একাধিকবার হয়েছে। তবে রাষ্ট্রের অর্থনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের মতে, পুঁজিবাজারের আধিপত্য না থাকায় তা অর্থনৈতিক ধসের কারণ হতে পারেনি। তবে ব্যাংকিং খাতের অনাহুত পরিস্থিতি ও অন্য সূচকগুলোর বিপর্যয়ের সাথে শেয়ার বাজারের অবস্থা যুক্ত হওয়ার পর অবস্থার সামগ্রিক পতন অবশ্যই তরান্বিত হবে। বাংলাদেশে ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে দ্বিতীয় দফা বিপর্যয়ের কারণে নতুন শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠা বা বিদ্যমান উদ্যোগের সম্প্রসারণে শেয়ার বাজার তার কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে। ২০০৬-২০০৭ সালের শেয়ার বাজার বিপর্যয়ে পুঁজি হারানো ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা দ্বিতীয় দফা তাদের পুঁজি হারান ২০১০-১১ সালে। এ রপর শেয়ার বাজারে উত্থান-পতনের নানা ঘটনায় এটা কোনো সময়ই কার্যকর হয়ে উঠতে পারেনি। সর্বশেষ পুঁজিবাজারে মূল্যসূচক কমতে কমতে লেনদেন নেমে এসেছে। তলানিতে। আর যত সময় যাচ্ছে পরিস্থিতি ততই খারাপের দিকে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটার ইতিহাসে বিনিময় হার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই বিনিময় হারে থাকে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের ভারসাম্যের বিশেষ ভূমিকা। সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্য ঘাটতি আর সার্বিক লেনদেনের ঘাটতি দুটোই বাড়ছে। বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ছে রফতানি প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার কারণে। আমদানিও কমেছে, তবে সে তুলনায় কম। আর বেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির ধারা কিছুটা বজায় থাকায় চলতি বছরের লেনদেনের ঘাটতি বিপজ্জনক পর্যায়ে যায়নি। তবে জনশক্তি রফতানির হার কমে যাওয়ায় সামনে রেমিট্যান্সেও নেতিবাচক প্রবণতা দেখা যেতে পারে। করোনা ভাইরাসের কারণে নতুন এক পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। বিশ্ব বাজারে চীনের পণ্যের চাহিদা আরো কমে যেতে পারে। তবে একই সাথে বৈশ্বিক বাজারের সার্বিক চাহিদাও কমে যাচ্ছে, যার ফলে সার্বিকভাবে উন্নয়নশীল দেশের রফতানি আয়ে নেতিবাচক অবস্থা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাণিজ্যযুদ্ধ এবং করোনা আতংকে চীনের সংকুচিত হয়ে যাওয়ার সুবিধা রফতানি বাজারে বাংরাদেশ নিতে পারছে না, যতটা নিচ্ছে ভিয়েতনামের মতো দেশগুলো। ভিয়েতনাম শিগগিরেই পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে শীর্ষে উঠে যেতে পারে। অন্যদিকে, করোনা ভাইরাসের কারণে বাংরাদেশ চীনা বিনিয়োগে ধীরগতি নেমে এসেছে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার অন্তঃপ্রবাহ কমতে পারে। আর আগামী বছর থেকে অনেক চীনা প্রকল্পের বর্হিমুখী দায় পরিশোধ শুরু হবে। সব মিলিয়ে একটা বড় আকারের বৈদেশিক মুদ্রা সংকট অবশ্যই অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো ২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সংকটের সময় বাংলাদেশের প্রভাব কাটাতে পেরেছিল। এর একটি কারণ ছিল বাংলাদেশের তখন বায়ার্স ক্রেডিট ছিল কম। বৈদেশিক দায়দেনা পরিশোধের চাপ বেশি ছিল না। তবে এখন সেই অবস্থা আর নেই। গেল ১০ বছরে চীনসহ আরো কয়েকটি দেশের ব্যয়বহুল বায়ার্স ঋণে অনেক বড় আকারের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সেই সাথে বেসরকারি খাতকে সরকারের সভরেন গ্যারান্টিতে বিদেশি ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। ফলে ১৯৯২ সালের মতো এশীয় অর্থনৈতিক সংকটের মতো বাংলাদেশ ঘিরে কোনো আস্থাহীনতা দেখা দিলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ঋণ শোধে চাপ বাড়াবে। সে ধরনের পরিস্থিতিতে গ্রিসের মতো বিদেশি দায় পরিশোধে পুরো রাষ্ট্র খেলাপি হওয়ার উপক্রম হতে পারে। বাংলাদেশের কাছে প্রতিবেশী ভারত চীনসহ বিভিন্ন বাণিজ্য অংশীদার দেশে যেভাবে সংকট ঘনীভূত হচ্ছে তাতে বাংলাদেশ বড় কোনো সংকটে পড়ে যেতে পারে। এখন যে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বাংলাদেশের রয়েছে– তা দিয়ে কোনোভাবেই এই সংকট মোকাবেলা করা যাবে না। বাংলাদেশে অর্থনীতির বাইরে থেকে যে ধরনের চাকচিক্য তৈরি করা হয়েছে তা সাথে ভেতরের বাস্তব অব্থার তুলনা করলে এক ধরনের শূন্যতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ওপরে যেসব অর্থনৈতিক সংকটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তার প্রায় সবগুলোতেই সংকটের প্রাক্কালে বাংলাদেশের মতো এ ধরনের রমরমা অবস্থা ছিল। এখন বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ৮ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে বলে দেখানো হচ্ছে। অথচ শিক্ষিত অশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। কর্মবাজারে যেভাবে জনশক্তি যোগ দিচ্ছে সে তুলনায় কাজ সৃষ্টি হচ্ছে না। বাজেট ঘোষণার সময় এর যে আকার নির্ধারণ করা হয়েছে এখন তা ঠিক রাখা যাচ্ছে না। ৪৬ শতাংশ বাড়তি রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য মাত্রার বিপরীতে ৪-৫ শতাংশ রাজস্ব প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। ফালে গড়পড়তা ২০ শতাংশ বাজেট কাটা করার জন্যে মন্ত্রণালয়গুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সরকারের আয় পরিস্থিতি যা তাতে নতুন বছরে বাজেটের ব্যয় বরাদ্দ বাড়ানোর ধারাবাহিকতা রক্ষা করা কঠিন হতে পারে। এর মধ্যে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আসলেই কত ছিল তা নিরূপণ করার জন্যে উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ সরকারকে দেয়া হচ্ছে। তবে অর্থনীতির সূচকগুলো যে এত খারাপ অবস্থায় পড়েছে তা সরকারের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হচ্ছে না। স্বীকার করলে ওই সমস্যা সমাধানের বিষয়টি আলোচনায় আসত। বাংলাদেশ যে মন্দায় পড়েছে, আর্থিক খাতের সামনে যে বিপর্যয় অপেক্ষা করছে– বৈদেশিক খাতে নেতিবাচক আশঙ্কা তৈরি হয়েছে তা উপলব্ধি করা হলে এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হয়। তা না হলে দেশের অর্থনীতি আরো চাপের মুখে পড়বে। অর্থনীতির সুনামি সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিকেও তখন গ্রাস করতে পারে। লেখক : রাজনীতিক ও কলামিস্ট