বামপন্থিদের বর্ধিত ভূমিকা প্রয়োজন
ডা. মনোজ দাশ
বাংলাদেশের বর্তমান বস্তুগত পরিস্থিতি (objective conditions) ও বিষয়ীগত শক্তি (subjective forces)-র মধ্যে সম্পর্ক কী এবং উপযুক্ত বিষয়ীগত শক্তি গড়ে তুলতে বামপন্থিদের ভূমিকা কী হতে পারে, এই প্রশ্নটি মার্কসবাদী-লেনিনবাদী পার্টি ও চিন্তা কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
বাংলাদেশের নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন বর্তমান উৎপাদন পদ্ধতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য আছে। এর মধ্যে পুঁজিবাদী উৎপাদন সম্পর্কের বিস্তার, তৈরি পোশাকশিল্পসহ রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির বৃদ্ধি, অনানুষ্ঠানিক ও গিগ শ্রমের (স্বল্পমেয়াদী, চুক্তিভিত্তিক কাজ) বিস্তার, সম্পদের কেন্দ্রীভবন ও বৈষম্য বৃদ্ধি, বেকার ও আধা-বেকার যুবশক্তির আধিক্য এবং বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে কৃষির পুঁজিবাদীকরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এভাবে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশে পুঁজিবাদী উৎপাদন পদ্ধতিতে শহর ও গ্রামে সর্বত্রই প্রধানত পুঁজিবাদী উৎপাদন সম্পর্কের ভিত্তিতে অর্থনীতি পরিচালিত হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে সামন্তবাদের অবশেষ হিসেবে যা বিরাজমান ছিল, তা এখন লুপ্ত হয়ে পুঁজিবাদী চরিত্র ধারণ করেছে। দেশের উৎপাদন ব্যবস্থা এখন হলো- সর্বোচ্চ মুনাফার উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থা।
আর বাংলাদেশের নিজস্ব বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সাথে সামঞ্জস্য রেখে এ দেশে এখন একটি ‘পুঁজিবাদী রাষ্ট্র’ বিরাজ করছে। পুঁজিপতি শ্রেণির স্বার্থ রক্ষাই তার কাজ। সরকারে ব্যক্তি ও দলের পরিবর্তন হলেও, শ্রেণি হিসেবে লুটেরা বুর্জোয়া শ্রেণিই রাষ্ট্রক্ষমতায় অবস্থান করছে।
নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হলেও, ফ্যাসিবাদের আর্থ-সামাজিক ভিত্তি ও কাঠামো এখনও টিকে আছে। নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত হওয়া সরকার রাজনৈতিক সংকটের কিছু সমাধান করতে পারে; কিন্তু আর্থ-সামাজিক অবস্থার গুণগত পরিবর্তন, সমাজ ও রাষ্ট্রে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সামাজিক বৈষম্যসহ রাষ্ট্র-সমাজ সম্পর্কের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলি অমীমাংসিত থাকায় সংকট অন্য মাত্রায় ভিন্ন কায়দায় অব্যাহত আছে, যা নানাভাবে আমাদের সামনে উপস্থিত হচ্ছে ও হতে থাকবে।
আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থবিরোধী বাণিজ্য চুক্তি আমাদের জন্য একটি বড় বিপদ ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে উপস্থিত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় কয়েকটি বড় সামাজিক-অর্থনৈতিক সমস্যাও আছে। হামসহ স্বাস্থ্যসেবায় সংকট ও বৈষম্য, দ্রব্যমূল্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, যুব বেকারত্ব ও কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা, আয় ও সম্পদের বৈষম্য, অনানুষ্ঠানিক ও অনিরাপদ শ্রমের বিস্তার, শিক্ষাদক্ষতা ও চাকরির চাহিদার মধ্যে ফাঁক– এর মধ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সমাজ ও রাষ্ট্রের গণতন্ত্রের প্রশ্নটিরও মীমাংসা হয়নি। ফ্যাসিবাদের ভিত্তি লুটেরা বুর্জোয়া ও সামরিক-বেসামরিক আমলাতন্ত্রের লুটপাট, অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় স্বার্থবিরোধী কার্যকলাপের অভিঘাত, সাম্প্রদায়িক শক্তির অপতৎপরতা এবং ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক সুবিধা আদায় ও আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
বাংলাদেশে বর্তমান পরিস্থিতিকে জীবনযাত্রার ব্যয় সংকট, বৈষম্য, কর্মসংস্থান সংকট, গণতন্ত্র-সাম্প্রদায়িকতা ও সাম্রাজ্যবাদ সম্পর্কিত নানা প্রশ্নের সমন্বিত সংকট হিসেবে ধরা যায়।
বাংলাদেশের বর্তমান আর্থ-সামাজিক সমস্যা ও সংকটকে যদি মার্কসবাদী রাজনৈতিক-অর্থনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়, তাহলে শুধু আলাদা আলাদা সমস্যা তালিকাভুক্ত করলে বিষয়টি পুরো ধরা পড়ে না। এক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে: এই সমস্যাগুলোর কাঠামোগত ভিত্তি কী?
মার্কসবাদ অনুযায়ী এর উত্তর হচ্ছে- প্রথমত, উৎপাদন ও সম্পদ সৃষ্টির সঙ্গে বণ্টনের বিরোধ বর্তমানে প্রকট আকার ধারণ করেছে। বাংলাদেশে গত কয়েক দশকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে– শিল্প, অবকাঠামো, রপ্তানি ও নগরায়ন বেড়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, উৎপাদনের ফল কার হাতে কেন্দ্রীভূত হচ্ছে? স্পষ্টতই বলা যায়, সম্পদ ও পুঁজির কেন্দ্রীভবন হয়েছে। শ্রমের তুলনায় পুঁজির আয় দ্রুত বৃদ্ধি ঘটেছে। উচ্চ প্রবৃদ্ধির মধ্যেও বৈষম্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে জিডিপি বাড়লেও সাধারণ মানুষের জীবনমান সমানভাবে বাড়েনি।
দ্বিতীয়ত, শ্রমশক্তির সংকট হিসেবে বেকারত্ব ও অনিশ্চিত কাজের ধারা সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশে শুধু ‘চাকরি নেই’ এটাই একমাত্র সমস্যা নয়; বরং অস্থায়ী কর্মসংস্থান, কম মজুরি, অনানুষ্ঠানিক খাতের বিস্তার, শিক্ষিত বেকারত্ব বেড়েছে। মার্কসবাদী দৃষ্টিতে এটিকে ‘আপেক্ষিক উদ্বৃত্ত শ্রমবাহিনী’ (reserve army of labour) এই ধারণার সঙ্গে যুক্ত করা যায়। এর ফলে বাংলাদেশে শ্রমিকের দরকষাকষির শক্তি কমেছে, মজুরির ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।
তৃতীয়ত বর্তমান উৎপাদন কাঠামোর সীমাবদ্ধতা স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দিচ্ছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি তৈরি পোশাক শিল্প ও প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভরশীল। শিল্প বৈচিত্র নেই। উচ্চপ্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক শিল্পের তুলনামূলক দুর্বলতা রয়েছে। অর্থনীতি পরনির্ভরশীল, ফলে বৈশ্বিক বাজারে ধাক্কা এলে অভ্যন্তরীণ সংকট দেখা দেয়।
চতুর্থত, গ্রামে পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু ক্ষুদ্র কৃষকের চাপ, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, জমির খণ্ডীকরণ, জলবায়ুগত চাপ বাড়ছে। ফলে গ্রাম থেকে শহরমুখী শ্রম স্থানান্তর বাড়ছে। শহরে অনিশ্চিত শ্রমবাজার তৈরি হয়েছে।
পঞ্চমত, একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো রাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে। রাষ্ট্র সামগ্রিক জনস্বার্থে কাজ করছে না, নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক শক্তির পক্ষে থাকছে। দুর্নীতি কমেনি। সুশাসনের ঘাটতি, দক্ষতার অভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বাজারের গণমুখী সংস্কারের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
তাই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটলেও উৎপাদনের ফলের অসম বণ্টন, শ্রমের অনিশ্চয়তা, সীমিত উৎপাদন কাঠামো, বৈষম্য এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার ফলে একটি বহুমাত্রিক সামাজিক সংকট তৈরি হয়েছে। এসবের অভিঘাতে উৎপাদনশক্তি ও উৎপাদন সম্পর্কের বিরোধ শ্রম ও পুঁজির বিরোধ হিসেবে একই সাথে সমাজের মৌলিক ও প্রধান দ্বন্দ্ব হিসেবে বিরাজ করছে। এই দ্বন্দ্বই অন্য দ্বন্দ্বগুলির গড়ে ওঠা ও বিকাশকে প্রভাবিত করছে। এই দ্বন্দ্বের সমাধান ছাড়া অন্য দ্বন্দ্বগুলি সমাধানের ভিত্তি তৈরি হবে না।
মার্কসবাদ-লেনিননবাদ অনুযায়ী এসব দ্বন্দ্ব স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাজনৈতিক পরিবর্তনে রূপ নেয় না। লেনিন জোর দিয়েছিলেন যে, পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকলেও বিষয়ীগত শক্তি হিসেবে সংগঠিত রাজনৈতিক শক্তি ছাড়া পরিবর্তন সম্ভব নয়। এই বিষয়ীগত শক্তির মধ্যে থাকে: রাজনৈতিক দল, শ্রমিক সংগঠন, কৃষক সংগঠন, ছাত্র-যুব আন্দোলন, আদর্শিক ও সাংস্কৃতিক শক্তি। এখানেই বর্তমান বাংলাদেশে বামপন্থিদের বর্ধিত ভূমিকার প্রশ্ন আসে।
বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় বামপন্থিদের বর্ধিত ভূমিকার প্রশ্ন শুধু আরও আন্দোলন নয়; বরং একই সাথে শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলা, রাজনৈতিক শিক্ষা, শ্রেণি ঐক্য, বিকল্প কর্মসূচি, রণনৈতিক স্পষ্টতা– ইত্যাদি বিষয়ে সমন্বিতভাবে দৃঢ় পদক্ষেপে সামনে এগিয়ে যাওয়া।
প্রথমত বামপন্থিদের বাস্তব পরিস্থিতির সুনির্দিষ্ট শ্রেণি-বিশ্লেষণ করতে হবে। বাংলাদেশের অর্থনীতি, শ্রমবাজার, কৃষি, গার্মেন্টস, গিগ-ইকোনমি, অনানুষ্ঠানিক খাত, আর্থিক পুঁজির বিস্তার–এসবের বর্তমান চরিত্র বিশ্লেষণ করা। কেবল ‘সংকট’ বললে হয় না; সংকটের উৎস নির্ধারণ করে বিকল্প তুলে ধরতে হবে।
দ্বিতীয়ত যুক্তিসঙ্গত ও লক্ষ্য অভিমুখীভাবে মানুষের তাৎক্ষণিক সমস্যার সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। মানুষ সাধারণত বিমূর্ত তত্ত্ব নয়, নিজের জীবনের বাস্তব সমস্যার মধ্য দিয়ে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়। এজন্য শুধু সাধারণ রাজনৈতিক স্লোগান নয়, মানুষের দৈনন্দিন প্রশ্নকে কেন্দ্র করে যেমন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবি, কর্মসংস্থান ও যুব বেকারত্ব, শ্রমিকের মজুরি ও নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা, বাসস্থান ও নাগরিক সেবা ইত্যাদি বিষয়কে কেন্দ্র করে সামনে আগাতে হবে। একই সাথে ধীরে ধীরে বামন্থিদের এখন, অর্থনৈতিক সংগ্রামকে রাজনৈতিক সংগ্রামে উন্নীত করতে হবে। শুধু মজুরি বৃদ্ধি, চাকরি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এসব দাবিতে সীমাবদ্ধ না থেকে আন্দোলনের মধ্যে প্রশ্ন তুলতে হবে: সম্পদ বণ্টন কেমন? উৎপাদনের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে? রাষ্ট্র কার স্বার্থে কাজ করছে?
তৃতীয়ত শ্রমজীবীদের মধ্যে ভিত্তি পুনর্গঠন করতে হবে। বাংলাদেশে শ্রমের কাঠামো বদলেছে; গার্মেন্টস শ্রমিক, পরিবহন ও সেবা খাত, গিগ-শ্রমিক, অনানুষ্ঠানিক শ্রমিক, ক্ষুদ্র কৃষক এই অংশগুলোর মধ্যে ধারাবাহিক সংগঠন গড়ে তোলা প্রয়োজন। বর্তমান শ্রমজগত আগের মতো নয়। এখন আছে: রাইডশেয়ার কর্মী, ডেলিভারি কর্মী, ফ্রিল্যান্স শ্রমিক, অস্থায়ী কর্মসংস্থান। এজন্য নতুন শ্রমজীবী শ্রেণিকে সংগঠিত করার জন্য প্রচলিত ট্রেড ইউনিয়নের বাইরে নতুন সংগঠন পদ্ধতির প্রয়োজন হতে পারে।
চতুর্থত, বিচ্ছিন্ন আন্দোলনের মধ্যে বামপন্থিদের ঐক্য তৈরি করতে হবে। অনেক সময় দেখা যায়- শ্রমিক আন্দোলন আলাদা, কৃষক আন্দোলন আলাদা, ছাত্র আন্দোলন আলাদা, আবার প্রত্যেকটির মধ্যে আলাদা আলাদা ধারা। বামপন্থিদের এখন কাজ হতে হবে এগুলোর মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করা, তাদের ঐক্যবদ্ধ করা।
পঞ্চমত, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শ্রমিকের সংগঠনের অধিকার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ, নাগরিক অধিকার– এসব প্রশ্নকে শ্রেণি ও সামাজিক ন্যায়ের প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।
ষষ্ঠত, দেশের রাজনীতির সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সুনির্দিষ্ট করণীয় হিসেবে বামপন্থিদের নেতৃত্বে রাষ্ট্রক্ষমতার দায়িত্ব গ্রহণের প্রশ্নকে সামনে নিয়ে আসতে হবে। শুধু রাষ্ট্রক্ষমতা নয়, সমাজে গ্রহণযোগ্যতার ‘সম্মতি’ তৈরির লড়াইও গুরুত্বপূর্ণ। সাংস্কৃতিক ও মতাদর্শিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নিজেদের ন্যারেটিভকে চিত্তাকর্ষক ও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে।
সপ্তমত, তাত্ত্বিক স্পষ্টতা দরকার। বাংলাদেশের বাম রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের কিছু বিতর্ক আছে; বিপ্লবের স্তর কী? বাংলাদেশের রাষ্ট্রের চরিত্র কী? প্রধান দ্বন্দ্ব কোনটি? কৃষি ও শ্রমের সম্পর্ক কীভাবে বদলেছে? এগুলোর উপর তথ্যভিত্তিক ও বাস্তব বিশ্লেষণ দরকার।
অষ্টমত, শক্তিশালী সংগঠন ও ঐক্য গড়ে তোলা। দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত একটি দুর্বলতা হচ্ছে, ছোট ছোট গোষ্ঠীতে বিভক্তি, সীমিত সামাজিক ভিত্তি, কেবল শহরকেন্দ্রিক কার্যক্রম। এক্ষেত্রে বামপন্থিদের করণীয় হচ্ছে– বিভক্তি কমিয়ে কার্যকর ঐক্য গড়ে তোলা। ন্যূনতম কর্মসূচিভিত্তিক ঐক্য, নির্দিষ্ট ইস্যুভিত্তিক যৌথ আন্দোলন, মতপার্থক্য রেখে সহযোগিতার ধারা তৈরি করা।
বর্তমান পরিস্থিতির আশু কর্তব্য হলো, দেশে একটি শোষণ-বৈষম্যবিরোধী গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।
এ লক্ষ্য পূরণের শর্ত হলো, সমাজতন্ত্র অভিমুখীন বিকল্প গড়ার অঙ্গীকারসম্পন্ন বাম বিকল্প শক্তির অগ্রবর্তী ও উদ্যোগী ভূমিকা। এজন্য বাংলাদেশের বাম ও গণতান্ত্রিক শক্তিকে ‘পার্টি গড়, জোট গড়, লড়াই কর’– এই নীতির ভিত্তিতে তাদের ঐতিহাসিক বর্ধিত ভূমিকা পালনে দৃঢ়তার সাথে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
প্রথম পাতা
ধর্ষণ, হত্যা, মবসন্ত্রাসের প্রতিবাদে উত্তাল দেশ
জাতীয় স্বার্থবিরোধী বাণিজ্যচুক্তি বাতিলে সরকারের প্রতি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা
বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির যাঁতাকলে জনগণকে পিষ্ট করবেন না
হাম: জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণার আহ্বান প্রগতিশীল চিকিৎসকদের
‘হিস্যা’
নারী ও শিশু ধর্ষণ-হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে
পার্টিকে শক্তিশালী করার আহ্বান
সিপিবির পথ পরিক্রমণের তথ্য-কণিকা
‘শিশুহত্যাকারী’ ইউনূস-নূরজাহানের বিচারের দাবি যুব ইউনিয়নের
Login to comment..








প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন