ব্যবস্থা বদলের সংগ্রামের মধ্য দিয়েই কৃষকের মুক্তি

আবিদ হোসেন

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলায় কৃষিপণ্য বিক্রিতে ধলতা নেওয়া বন্ধ করা, ফসলের লাভজনক মূল্য নিশ্চিত, ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র ও শস্য বিমা চালুসহ মোট আট দফা দাবিতে বিক্ষোভ করেছে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা। সার-ডিজেল-বীজ-কীটনাশক-বিদ্যুতের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। যা পেঁয়াজ, রসুন, ধান, পাট, আলুসহ অন্যান্য ফসলের দাম বৃদ্ধির অনুপাতের চেয়ে বেশি। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষকসহ সাধারণ মানুষ। ধান, পাট, আলু, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন ফসল হাটবাজারে বিক্রি করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত কৃষককে প্রতারণার শিকার হতে হচ্ছে। হাটে পেঁয়াজসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য বিক্রি করতে গেলে মণপ্রতি অঞ্চলভেদে দুই থেকে ছয় কেজি ধলতা (নির্দিষ্ট ওজনের চেয়ে অতিরিক্ত পরিমাণ) দিতে বাধ্য করা হয়। এছাড়াও এক কেজি তোলা বাবদ অতিরিক্ত পণ্য দিতে হয়। কোনো ফসলের ওজন যদি ৩৯ কেজি ৯০০ গ্রাম হয় তাহলেও ফসলের ৯০০ গ্রাম বাদ দিয়ে ওজন ধরা হয়। বিভিন্ন সময় কৃষকরা এই ‘ধলতা’ নেওয়া নিয়ে প্রতিবাদ করে আসছে। কিন্তু এর কোনো প্রতিকার মিলছে না। কৃষকদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের চাপে গত ২৭ এপ্রিল কৃষি বিপণন অধিদপ্তর পেঁয়াজ ও আমসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ওজনে অনিয়ম সংক্রান্ত এক পরিপত্র জারি করে। যেখানে বলা হয়, ‘দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে পেঁয়াজ ও আমসহ অন্যান্য কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের সময় এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ও মধ্যস্বত্বভোগী পণ্যের ওজনের ক্ষেত্রে তারা প্রচলিত ‘ধলতা’ বা ‘শুকনা’ গ্রহণের অজুহাতে কৃষকদের বাধ্য করে প্রতি ৪০ কেজিতে ২ থেকে ৬ কেজি পর্যন্ত অতিরিক্ত পণ্য গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। যা অনৈতিক এবং ‘ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন, ২০১৮’ এর অধ্যায় ৪, ধারা ২৯ অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। এমতাবস্থায়, কৃষকদের এই আর্থিক হয়রানি থেকে রক্ষা করতে এবং বাজারের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।’ সুনির্দিষ্ট আইন থাকা সত্ত্বেও সেই আইন বাস্তবায়ন করার জন্য আবার ‘পরিপত্র’ জারি করতে হয়। পরিপত্র জারি করার পরও প্রশাসন সেই আইন বাস্তবায়ন করতে নখদন্তহীন ব্যাঘ্র শাবক। যাদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করবে সেই বাজার সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী গোষ্ঠী সংগঠিত হয়ে এই আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। ধলতা প্রথা বন্ধের নির্দেশ দেয়ার পরদিন থেকেই কৃষিপণ্য কেনা বন্ধ রেখেছে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি, পাংশাসহ বিভিন্ন বাজারের আড়ত ব্যবসায়ীরা। এতে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া বাজার, পাংশার কালুরহাটে অতিরিক্ত ‘ধলতা’ বন্ধের নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্র জারি করার পর থেকে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ কেনা বন্ধ করায় ক্ষুব্ধ কৃষকরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। গত ৬ মে সকাল থেকে দফায় দফায় বাজারে এই কর্মসূচি পালন করেন পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসা কৃষকেরা। কৃষকদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে ৪০ কেজির পরিবর্তে অতিরিক্ত ওজন বা ‘ধলতা’ হিসেবে বাড়তি পেঁয়াজ নিতে বাধ্য করতেন। প্রশাসন সম্প্রতি এই প্রথা বন্ধের নির্দেশ দিলে ব্যবসায়ীরা সংগঠিতভাবে উল্টো পেঁয়াজ কেনা বন্ধ করে দেন। এ কারণে বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ হয়ে যায় এবং কৃষকরা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। ধুরন্ধর ব্যবসায়ীরা ধলতা বন্ধের পরিপত্রের পর থেকে প্রতি মণ পেঁয়াজে ন্যূনতম ১০০ টাকা কম দিচ্ছে। নির্বিকার অসহায় কৃষক তাঁর কষ্টে উপার্জিত পেঁয়াজসহ অন্যান্য ফসল নিয়ে কেবল লোকসানের হিসাব কষছে। লোকসানের হিসাব কষছে কেবল রাজবাড়ীর পাংশা কিংবা বালিয়াকান্দীর কৃষকই নয়–উত্তরের ঠাঁ ঠাঁ রোদ্দুরে পোড়া বরেন্দ্র কৃষক, হাওরের বানে ভাসা একফসলি প্রত্যহ সংগ্রামী কৃষক, দক্ষিণের উপকূলের বারবার ভেঙে পড়া আবার সটান খাড়া হয়ে দাঁড়ানো কৃষক–সকলেই এই সিন্ডিকেটের বেড়াজালে বন্দি। সম্প্রতি হাওরে মেঘালয় থেকে ভেসে আসা অতিবৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকের সারা বছরের জীবিকার একমাত্র উপায় তার স্বপ্নে বোনা বোরো ধান। হাওরের বোরো ধান তলিয়ে কেবল কৃষকই সর্বস্বান্ত হয়নি, সংকটে পড়বে জাতীয় চাহিদার ধান সংরক্ষণাগারও। দেশে বছরে প্রায় ৪ কোটি ২৪ লাখ মেট্রিক টন ধানের চালের ভাত খেয়ে বাঁচে ১৮ কোটি মানুষ। তার ২০ ভাগের যোগান দেয় হাওরের প্রান্তিক কৃষক। প্রতিবছরই বোরো মৌসুমে হাওরের কৃষক টানটান টেনশনে থাকে কখন সবকিছু ভেঙেচুরে জলের স্রোতে ভাসিয়ে নেবে জীবিকাসম্বল। অথচ মানবদেহের রক্তনালীর মতো ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য নদীবেষ্টিত হাওর অঞ্চলে বর্ষার পানি প্রবহমান থাকার কথা। দেশে ১ হাজার ৪১৫টি নদ-নদীর ভেতর কেবল সুনামগঞ্জেই নদী আছে ৯৭টি। এছাড়াও আছে অসংখ্য বিল ও জলাভূমি। বছরের পর বছর বিভিন্ন সরকার হাওরে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে অপরিকল্পিতভাবে বাঁধ-রাস্তা নির্মাণ করে পানির স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ ধ্বংস করে দিয়েছে। হাওর উন্নয়নের নামে লুটপাট করেছে সরকারি কর্মকর্তা, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলসহ স্থানীয় টাউট দালাল গোষ্ঠী। অথচ দূরবর্তী হাওর থেকে কৃষকের বাড়ির উঠোন পর্যন্ত কাটা ধান আনার জন্য কোনো পরিকল্পিত রাস্তা নির্মাণ হয়নি। প্রতিবছর কৃষক ধান বুনে সেই ধান কেটে বিক্রি করা পর্যন্ত চরম বিপাকে পড়ে। মহাজনী ঋণ, এনজিওর কিস্তি, ধান কাটার শ্রমিকের মজুরি, পরিবহন খরচ যোগাতে হিমশিম খেয়ে কৃষক বাধ্য হয়ে মধ্যস্বত্তভোগী ধানের বেপারীদের কাছে লোকসানে কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হয়। উৎপাদন করে কৃষক আর দাম নির্ধারণ করে বেপারী। পাঠ্যপুস্তকে মুখস্ত করলাম চল্লিশ কেজিতে এক মণ। আর ‘ধলতা’র নামে ৪২ থেকে ৪৬ কেজিতে হয়ে যায় এক মণ। সরকার সার, বীজ, ডিজেল, সেচের দাম নির্ধারণ করে দেয়। আর কৃষক সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের নির্ধারণ করা দামে তার উৎপাদন উপকরণ কিনতে বাধ্য হয়। সেচের পানির জন্য গভীর নলকূপের অপারেটরদের মর্জির ওপর চাষবাস করে বরেন্দ্র’র কৃষক। সময় এবং চাহিদামতো সেচের পানি না পেয়ে যখন চোখের সামনে ধান শুকিয়ে চিটা হয়ে ঝর ঝর করে ঝরে পড়ে–রাজশাহীর গোদাগাড়ীর রবি মারান্ডি আর অভিনাথ মারান্ডি তখন জমিতেই কীটনাশক পান করে মৃত্যুকেই শ্রেয় মনে করে। কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম হাওরে পাকা ধানের জমি পানিতে তলিয়ে যেতে দেখে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে আক্তার হোসেন, রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার পাম্পে ডিজেল নিতে গিয়ে তীব্র রোদে হিটস্ট্রোকে কৃষক আব্দুল আলম মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। ধানের ক্ষেতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে (জানুয়ারি-এপ্রিল) বাংলাদেশে বজ্রপাতে অন্তত ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই মাঠের কৃষক। মে মাসের শুরুতেও (৬ মে) একদিনে ৬ জেলায় ৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যারা বোরো ধান কাটার সময় প্রাণ হারান। এবার কোমর পানিতে তলিয়ে যাওয়া আধাপাকা বোরো ধান কাটতে কৃষি শ্রমিকের চরম সংকট দেখা দেয়। ধান কাটার হারভেস্টার মেশিন পানিতে নামিয়ে ধান কাটতে সমস্যায় পড়েছে কৃষক। এক একর জমির ধান কাটতে যেখানে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা দিতে হতো, এবছর ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকায়ও সেই ধান কাটতে পারছে না কৃষক। তারা সারাবছরই জীবন সংগ্রামের ভেতর দিয়ে চাষাবাদে দিনাতিপাত করে চলছে। কৃষকের এমনই ত্যাগ-তিতিক্ষা আর জীবনদানের বিনিময়ে জাতীয় অর্থনীতির দাপাদাপি। কৃষক সমিতি কৃষকের ফসলের লাভজনক দাম নিশ্চিত করা, প্রকৃত উৎপাদক কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয় করা, পল্লী রেশন ও শস্য বিমা চালু করা, কৃষি বাজার সিন্ডিকেট ভেঙে কৃষক ও ভোক্তা বাজার সমবায় ব্যবস্থা চালু করা, প্রকৃত উৎপাদক কৃষকদের কৃষি কার্ড ও কৃষি ঋণ মওকুফের জন্য দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছে। বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করেছে। কৃষকের জন্য কৃষি কার্ড চালুর ঘোষণা করেছে। পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলের ২২ হাজার কৃষকের মাঝে কৃষি কার্ড বিতরণও করা হয়েছে। বিগত সরকারের শাসনামলে প্রায় সোয়া কোটি কৃষি কার্ড বিতরণ করা হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে মাঠ জরিপে শতকরা ২/৩ জনের বেশি কৃষক পেলেও কৃষি কার্ডের বিনিময়ে তেমন কোনো সুবিধা পায়নি। সাদা চোখে এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। কৃষকরা সরকারের এই উদ্যোগে আপাত আশ্বস্ত হলেও এ সবই জনগণের সমর্থন পাওয়ার জন্য জনতুষ্টিমূলক কর্মসূচি। সরকার কৃষকের কষ্টার্জিত টাকা লুটপাটকারী কৃষি বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এই সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরাই বিগত বছরগুলোতে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। সরকার ও প্রশাসনের পৃষ্ঠপোষকতায় এই সকল অসৎ ব্যবসায়ী এতই শক্তিশালী হয়ে উঠেছে যে, জনগণের সমর্থনপুষ্ট শক্তিশালী সরকারও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার শক্তি-সাহস পায় না। কৃষক ব্যাংকে ঋণ নিতে গেলে নানান ধরনের শর্ত-সংকটে হতাশ হতে হয়। সার্টিফিকেট মামলায় হয়রানির কবলে অসংখ্য কৃষক। ভূমিহীন কৃষকের জমির মালিকানা স্বত্ব-কাগজ না থাকার কারণে কৃষি ঋণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। বাধ্য হয়ে ভূমিহীন প্রান্তিক কৃষক সুদখোর মহাজন আর এনজিওর দুয়ারে ধরনা দেন। সুদাসল গুনে গুনে আদায়ের তাগাদায় ব্যাপারীর নৌকা ভরে কৃষকের লোকসানে বিক্রি করা ধানে। বছর বছর মনুষ্যসৃষ্ট কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দুঃসহ দুর্বিপাক ঘটলে বুর্জোয়া রাজনৈতিক সরকারের জন্য তা যেন আশীর্বাদ হয়ে আসে। তাৎক্ষণিক কয়েকদিনের জন্য ত্রাণ সহায়তার ঘোষণা করে এমপি-মন্ত্রী-আমলাদের দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ফটো সেশন করে ‘মানববান্ধব’ সেজে সস্তা জনপ্রিয়তা প্রচার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। বিদেশি দাতা সংস্থার কাছ থেকে ঋণ নেয়া, বড় বড় মেগা প্রকল্প গ্রহণের মধ্য দিয়ে লুটপাট করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। সামগ্রিকভাবে উন্নয়নের জন্য ব্যবস্থা বদলে কোনো স্থায়ী পরিকল্পনা কখনো গ্রহণ করা হয় না। এদেশের কৃষকদের ইতিহাস দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম ও সফলতার ইতিহাস। রাজবাড়ীর পাংশা কিংবা বালিয়াকান্দির কৃষকদের ফসল বিক্রি করতে ওজনে বেশি দেয়ার ধলতা প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন, উত্তরবঙ্গের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জের বরেন্দ্র অঞ্চলের গভীর নলকূপের অপারেটরদের সেচের পানি বিতরণে অনিয়মের বিরুদ্ধে কৃষকের সংগ্রাম এবং এই সংগ্রামের সফলতা দেশের প্রতিটি অঞ্চলের কৃষকের ছোট ছোট আন্দোলনের সফলতাই ব্যবস্থা বদলে সংগ্রামে রূপান্তরিত হবে। এদেশে উত্তাল চল্লিশে তেভাগার দাবিতে কৃষকের রক্তস্নাত আন্দোলনে, কৃষক-গণঅভ্যুত্থানে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত, জমিদারি প্রথা বিলোপ হয়েছিল। টংক আন্দোলন, নানকার আন্দোলন, চা শ্রমিকদের মুল্লুক চলো আন্দোলন, বিলকালাই-এর আন্দোলন, ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের খাস জমি দখলের আন্দোলনসহ কৃষক-ক্ষেতমজুর শ্রমজীবী মানুষের জীবন-জীবিকা আর সমাজ বদলের অসংখ্য আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস-প্রেরণা এদেশে আগামীতে সমাজ ব্যবস্থা বদলের ইতিহাস রচনা করবে। লেখক : সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, সিপিবি

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..