‘শিশু কোটা’

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : জামায়াতে ইসলামী যেহেতু মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করার কথা বলে ফলে এই দেশে আর কাউকে পাওয়া যাবে না যে মুক্তিযুদ্ধকে ভালবাসে না। জামায়াতে নেতারা এখন নিজেদের ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ বলে দাবি করছেন। তা করতেই পারেন। তবে তার আগে মুক্তিযোদ্ধাদের নতুন করে আরেকটা বিভাগ চালু করতে হবে- আর সেটার নাম হবে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’। এই তো কয়েকদিন আগেই জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের একেবারে সংসদে দাঁড়িয়েই সেই কথা বলছিলেন। বলছিলেন, ‘আজকাল আমাদের খুব বেশি করে রাজাকার-আলবদর বলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই যে আমরা এখানে (জামায়াত সদস্যরা) বসে আছি, আমরা তো কেউ রাজাকার ছিলাম না, আলবদরও ছিলাম না। যদি আপনারা সেভাবে মুক্তিযোদ্ধার কথা বলেন, তবে আমিও একজন শিশু মুক্তিযোদ্ধা।” তবে এই দাবি শুধু জামায়াত নেতা তাহেরের একার না। আরও অনেকেই করেছেন। তবে তারা নিজেদের জন্য করেননি। তারা করেছেন সরকার-প্রধানের জন্য। প্রথম বোধহয় সেই সত্য উচ্চারণ করেছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান। তিনি বলেছিলেন, ‘২৫ মার্চ রাতে জিয়াউর রহমান ঘোষণা দেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেবেন এবং দেশের জন্য প্রাণ দেবেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা খালেদা জিয়া এবং প্রথম শিশু মুক্তিযোদ্ধা শিশু তারেক ও শিশু আরাফাত।’ পরে এই দাবির পক্ষে সংসদেও আলোচনা হয়েছে। সেই আলোচনা করেছেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান। তিনি বলেছেন, “খালেদা জিয়াকে তার অবদানের জন্য পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। পাশাপাশি, নয় মাস বন্দি জীবন কাটানোয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার সহোদর ভাইকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া এখন সময়ের দাবি।” ফলে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের উচিত হবে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে একটি বিভাগ চালু করা।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..