বাজেটের শ্রেণি চরিত্র

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
সরকারের আগামী অর্থ বছরের বাজেট প্রস্তাবনা গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে পেশ করা হয়েছে। তারপর থেকে বাজেটের নানা খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা-মন্তব্যের তুফান। তবে যে বিষয়টি এসব আলোচনায় প্রধান গুরুত্ব পাওয়া উচিৎ ছিল তা হলো- বাজেটের অর্থনৈতিক দর্শন ও তার শ্রেণি-বৈশিষ্ট্য, শ্রেণি-পক্ষপাতিত্ব ইত্যাদি। কিন্তু এসব নিয়ে আলোচনা ও তর্ক-বিতর্ক সামান্যই হচ্ছে। বাজেটের অর্থনৈতিক-সামাজিক দর্শনের ক্ষেত্রে একটি প্রধান বিবেচ্য প্রশ্ন হলো- পুঁজিবাদ না সমাজতন্ত্র, কোনটা হওয়া উচিৎ বাজেটের লক্ষ্যাভিমুখীনতা? মুক্তিযুদ্ধের মর্মবাণীর মাঝেই রয়েছে এ প্রশ্নের দ্ব্যর্থহীন স্পষ্ট জবাব। এ প্রসঙ্গে সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের পঞ্চদশ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- “রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদন শক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং ... নাগরিকদের জন্য... (ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা; .......”। এখানে স্পষ্টতই ‘পরিকল্পিত অর্থনীতির’ কথা বলা হয়েছে। সংবিধানের কোথাও ‘অবাধ খোলা বাজার অর্থনীতির’ পথ-নির্দেশ বা ‘রূপকল্প’ নেই। সংবিধানে প্রদর্শিত ‘রূপকল্পে’ বরঞ্চ স্পষ্ট করে সমাজতন্ত্রের লক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে। তাছাড়া ‘অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসা...’ ইত্যাদি ‘জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা’ করাকে ‘রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসবের জন্য ‘ব্যক্তিমালিকানাধীন বাজার ব্যবস্থার’ উপর নির্ভর করে থাকার কথা বলা হয়নি। বলা হয়েছে যে, এসব হলো রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বছর কয়েক আগের কথা। সেদিন কয়েকজন জ্ঞানবান পন্ডিতজনের সাথে সে বছরের ঘোষিত বাজেট নিয়ে তুমুল আলোচনায় জড়িয়ে পড়েছিলাম। পাশে দাঁড়ানো একজন শ্রমজীবী মানুষ আমাদের কথাবার্তা শুনছিলেন। আমাদের ‘পান্ডিত্যপূর্ণ’ আলোচনার মাঝখানে তিনি বললেন, “আপনাদের লম্বা লম্বা কথা কেউ বুঝবে না। বাজেট কেমন হয়েছে তা আমার কাছ থেকে শুনেন। এ বাজেট হলো- উপরতলার বড়লোকদের জন্য ‘স্যাটেলাইট’, আর নিচের তলার খেটে খাওয়া গরিব মানুষের জন্য ‘হালুয়া টাইট’।” আমাদের সমাজ হলো শ্রেণি বিভক্ত সমাজ। সমাজে বিরাজ করছে বিপুল মাত্রার শ্রেণি-বৈষম্য ও ধন-বৈষম্য। একদিকে রয়েছে ‘উপরতলার’ ৫ শতাংশ ‘Haves’ (যারা সম্পদশালী), আর অন্যদিকে রয়েছে ‘নিচতলার’ ৯৫ শতাংশ ‘Have Nots’ (যারা সম্পদ বঞ্চিত)। সম্পদের পুনর্বণ্টনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এই বৈষম্যের অনুপাতে হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে। সম্পদ হয় উপর থেকে নিচের দিকে অথবা নিচ থেকে উপর দিকে পুনর্বণ্টিত হতে পারে। এর কোনটি ঘটবে তা নির্ভর করে দেশের সামগ্রিক অথনৈতিক-সামাজিক ব্যবস্থার ওপর। বাজেটেও এই ব্যবস্থারই একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তাই কোনো বাজেটেরই ‘শ্রেণি নিরপেক্ষ’ অথবা ‘ধনী-দরিদ্র নিরপেক্ষ’ হওয়া সম্ভব নয়। বাজেটকে হয় সম্পদের ‘উপর থেকে নিচে’ অথবা ‘নিচ থেকে উপরে’ পুনর্বণ্টিত করার প্রক্রিয়ার সহায়ক হতেই হবে। কিম্বা অন্ততপক্ষে সম্পদের বিদ্যমান অসম বিন্যাসকে বহাল রাখার জন্য সহায়ক হতে হবে। এক্ষেত্রে ‘নিষ্ক্রিয় নিরপেক্ষতার’ কোনো সুযোগ নেই। এদেশের সমাজে বিভিন্ন শ্রেণি ও অংশের মানুষের মধ্যে ‘সম্পদ-বৈষম্যের’ মাত্রা এখন সীমা ছাড়িয়ে গেছে। অথচ ‘সম্পদের সুষম বণ্টন’ ছিল মুক্তিযুদ্ধের আদর্শগত ভিত্তি ও স্বপ্ন। কথা ছিল যে, স্বাধীন দেশে বিভিন্ন শ্রেণি ও অংশের মানুষের মধ্যে পকিস্তানের আমলের মতো বৈষম্য থাকবে না। সমাপ্ত হবে ‘কেউ খাবে, আর কেউ খাবে না’-র যুগ। ‘বৈষম্যের’ পথ থেকে ‘সাম্যের’ পথে ‘এবাউট টার্ন’ করার জন্য বাজেট হতে পারতো একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। সেক্ষেত্রে বাজেটকে হতে হতো প্রগতিশীল ও গরিব-স্বার্থ অভিমুখীন। অর্থাৎ, বাজেটে গরিব-মধ্যবিত্ত সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সংগৃহীত রাজস্বের পরিমাণের চেয়ে, তাদের জন্য তার চেয়ে বেশি পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হতো। অথচ, তাদের কাছ থেকে আদায়কৃত রাজস্বের কেবলমাত্র অর্ধেকটা তাদের স্বার্থে ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ করা হয়। সেটুকুর ওপরেও আবার ভাগ বসায় ক্ষমতাবান ও দুর্নীতিবাজ বিত্তশালীরা। এর ফলে, সমাজে বিত্তবানদের হাতে ইতোমধ্যে যে মাত্রাতিরিক্ত সম্পদ জমা হয়ে আছে, তা দরিদ্র-নিরন্ন-মধ্যবিত্ত মানুষের হাতে স্থানান্তরিত হওয়ার বদলে, বরঞ্চ উল্টা সাধারণ মানুষের সম্পদ ক্রমাগতভাবে বিত্তবানদের হাতে আরো বেশি বেশি পরিমাণে চলে যাচ্ছে। এ বছরের বাজেটে আয়ের প্রধান উৎস দেশের আপামর গরিব-মধ্যবিত্ত মানুষ (তা আগের কিস্তিতে আলোচিত হয়েছে)। এবার বাজেটের ব্যয় বরাদ্দের কয়েকটি দিকের প্রতি দৃষ্টি দেয়া যাক। খুব সরল একটি হিসাব হলো, এবারের বাজেটের মোট ৯ লক্ষ ৩৮ হাজার কোটি টাকা যদি ১৮ কোটি দেশবাসীর মধ্যে জনে-জনে সমানভাবে বণ্টন করা হতো, তাহলে কোলের শিশু থেকে থুরথুরে বুড়ো মানুষটা পর্যন্ত প্রত্যেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা করে হাতে পেত। অর্থাৎ ৫ জনের একটি পরিবার গড়ে বাৎসরিক ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা করে পেত। প্রশ্ন উঠতে পারে যে, সব টাকা যদি এভাবে জনে-জনে বিলি করে দেয়া হয় তাহলে সর্বসাধারণের স্বার্থে অপরিহার্য রাষ্ট্রীয় কাজগুলো চলবে কিভাবে? ঠিক কথা! ধরলাম যে, এসব অপরিহার্য খরচগুলোর জন্য বাজেটের ৫০ শতাংশ না হয় আলাদা করে রাখা গেল। তাহলেও প্রতিটি পরিবারের বাৎসরিক ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা করে পাওয়ার কথা। কিন্তু সরকার যে নীতিতে বাজেট পরিচালনা করছে, তাতে করে নগদে অথবা পণ্য বা সেবা কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ গরিব-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো তার অতি ক্ষুদ্রাংশও পাচ্ছে না। তাহলে তাদের সেই প্রাপ্য টাকা যাচ্ছে কার কাছে? অর্থমন্ত্রী মহোদয় জানিয়েছেন, যে আগামী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ হবে। অধিকাংশ বিশেষজ্ঞরা অবশ্য মনে করেন যে প্রকৃত প্রবৃদ্ধি ৪/৪.৫ অথবা আরো কম হবে। এর কারণ এই যে মন্ত্রী মহোদয় মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশের মধ্যে রাখার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা প্রবৃদ্ধির তুলনায় বেশি হওয়াতে ইচ্ছা থাকলেও নাগরিকদের প্রাপ্ত মাথাপিছু আয়ের প্রকৃত পরিমাণ কমতে বাধ্য। ফলে, উচ্চ প্রবৃদ্ধির হার সত্ত্বেও সমাজে সম্পদের বৈষম্যমূলক-বিন্যাস অব্যাহতই থাকবে। এবং তা আরো বাড়বে। এর কারণ, বর্তমান ‘পুঁজিবাদী বাজার অর্থনীতির’ অতি স্বাভাবিক ব্যবস্থাগত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সূত্র অনুসারে প্রবৃদ্ধির সুফল বিত্তবানদের ঘরে যে মাত্রায় ও অনুপাতে পৌঁছাবে, গরিব-মধ্যবিত্ত সাধারণ মানুষের কাছে তা পৌঁছাবে তার তুলনায় অতি নগণ্য অনুপাতে। ফলে বৈষম্যের মাত্রা আরেক দফা বৃদ্ধি পাবে। এই বিবেচনায় একথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে সাধারণ মানুষের জীবনে যে নগণ্য পরিমাণে প্রবৃদ্ধির হাওয়া এসে লাগবে, তাদের কাছে তারচেয়ে অনেক বেশি যন্ত্রণাদায়ক হয়ে উঠবে মুদ্রাস্ফীতির বাস্তব অভিঘাত। ফলে, নিঃস্বকরণ প্রক্রিয়ার অভিশাপ অব্যাহত থাকবে এবং দরিদ্রদের ৯৫% গরিব নিম্নবিত্ত-মধ্যবিত্ত মানুষের দারিদ্র্য বেড়েই চলবে। বাজেট বরাদ্দ সম্পর্কে দেশের বামপন্থিরা বরাবর বলে এসেছে যে, জাতির সাধারণ স্বার্থ ও গরিব-মধ্যবিত্ত আপামর জনগণের প্রকৃত কল্যাণ নিশ্চিত করতে হলে বাজেটের অর্থ মোটা দাগে সমান চার ভাগে ভাগ করে খরচ করা উচিত। সেই চারটি ভাগ হলো– (১) প্রশাসনিক ব্যয় (২) অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ব্যয় (৩) শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ সামাজিক কল্যাণে ব্যয় এবং (৪) সরাসরি রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ বাবদ ব্যয়। সম্ভাব্য খরচের হিসাব এভাবে সাজিয়ে নিয়ে এবং তৃণমূল থেকে পরিকল্পনার ধারা সূচিত করে যদি রাজস্ব বাজেট ও উন্নয়ন বাজেট সমন্বিতভাবে প্রণয়ন করা যায় তবেই সমতার ধারায় দেশকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব হতে পারে। কিন্তু বাজেটে প্রশাসনিক খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ৪৩% এবং সুদ পরিশোধে ১৩.৬%। এতেই যদি অর্ধেকের বেশি চলে যায় তাহলে বাকি ৩টি ক্ষেত্রে খরচের ব্যবস্থা হবে কিভাবে? ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাত ও সামাজিক কল্যাণে বামপন্থীদের প্রস্তাবিত ৩৩% এর বদলে বরাদ্দ করা হয়েছে মাত্র ২১%। ঘাটতি বাজেটের মাধ্যমে ব্যয় সংকুলানের ব্যবস্থা করাকে অবশ্যাম্ভবী করে দেশের অর্থনীতি তথা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে সাম্রাজ্যবাদনির্ভর করা এবং কমিশনভোগী লুটেরা ধনীকদের পকেট ভারী করা। কিন্তু সরকার যেনতেন উপায়ে ধন-সম্পদ যেন গুটিকয়েক বিত্তবানদের মালিকানায় কেন্দ্রীভূত হতে পারে সেজন্য ‘মুক্তবাজার অর্থনীতির’ পুঁজিবাদী দর্শনের ‘নয়া উদারবাদী ধারা’ অনুসরণ করে চলেছে। প্রবৃদ্ধির ঊচ্চ হার অর্জন এবং ‘দ্রুত উন্নয়নের’ প্রয়োজনে পুঁজি গঠনের স্বার্থে এ পথ গ্রহণ করা হয়েছে বলে বলা হয়ে থাকে। কিন্তু ‘সম্পদের কেন্দ্রীভবন’ ও ‘পুঁজি গঠন’– এ দু’টি বিষয় এক নয়। ৫৫ বছর ধরে অনুসরণ করতে থাকা এই পথে লুটপাটের অবাধ সুযোগ তৈরি করে দিয়ে মুষ্টিমেয় মানুষের হাতে বিপুল সম্পদের কেন্দ্রীভবন ঘটানো সম্ভব হলেও, তার খুব অল্প অংশই পুঁজিতে রূপান্তরিত হয়ে বিনিয়োগ হচ্ছে। বেশিরভাগই বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে, অথবা ভোগ-বিলাসে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে লুটপাট হচ্ছে দেদারসে, কিন্তু উৎপাদনশীল বিনিয়োগ সেভাবে বাড়ছে না। বাজেটে বিভিন্ন ধরনের ভাতা ও অনুদানের জন্য বরাদ্দ রেখে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে সেটিকে ‘গরিববান্ধব বাজেট’ বলে বাহাবা নিতে সরকার প্রতিবারের মতো এবারও সচেষ্ট হয়েছে। এতে আপত্তি থাকার কিছু নেই। কিন্তু গ্রাম ও শহরের গরিব মানুষের জন্য স্থায়ী রেশনিং ব্যবস্থা চালু, ৩০ হাজার টাকা জাতীয় নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ–এসব বিষয়ে সরকার নিরব। এদিকে, এ জন্য অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ যৎসামান্য। সেক্ষেত্রেও দলবাজি, দুর্নীতি প্রভৃতি কারণে তার সবটা দুঃস্থ মানুষের কাছে পৌঁছে না। এর থেকে বড় কথা হলো, ‘অনুদান’ বা ‘ভাতা’ নিয়ে বাঁচতে হবে সেজন্য দেশবাসী মুক্তিযুদ্ধ করে নাই। তারা মুক্তিযুদ্ধ করেছে, লাখো শহীদ বুকের রক্ত দিয়েছে, ‘নিজেদের শ্রমলব্ধ সম্পদের ওপর পূর্ণ অধিকার’ প্রতিষ্ঠার জন্য। বাজেটে সাধারণ মানুষের সরাসরি স্বার্থানুকূল কাজের জন্য বরাদ্দের ‘টাকার অভাব’ রয়েছে বলে যুক্তি দেখালেও, বিত্তবানদের জন্য কর রেয়াত ও অন্যান্য সুবিধাসহ ‘ছাপ্পর ভরে’ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বাজেট বরাদ্দের পর্যালোচনা করলে তাই স্পষ্টই দেখা যায় যে, যারা বাজেটের ৭৫ শতাংশ রাজস্বের যোগান দেয়, সেই গরিব-মধ্যবিত্ত আপামর জনগণের জন্য বরাদ্দ হয়েছে বাজেটের মাত্র ২৫ শতাংশ অর্থ। আর, যে বিত্তবানদের জন্য ২৫ শতাংশের বেশি বরাদ্দ হওয়া উচিত নয় তাদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭৫ শতাংশ অর্থ। যারা বাজেটে তুলনামূলক ‘বেশি’ অর্থ যোগান দিচ্ছে তাদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ‘কম’। আর যারা সামর্থ্যরে অনুপাতে ‘কম’ দিচ্ছে তাদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ‘বেশি’। বাজেটের ‘শ্রেণি চরিত্র’ কী তা এসব তথ্যই চোখে আঙুল দিয়ে কি দেখিয়ে দেয় না!

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..