গণতন্ত্র ও প্রগতির শত্রু উগ্র জাতীয়তাবাদ, জঙ্গি-ফ্যাসিবাদ

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
আহসান হাবিব লাবলু : কমিউনিস্ট ও ওয়ার্কার্স পার্টির ২১তম আন্তর্জাতিক সভা অনুষ্ঠিত হলো ১৮ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর, ৫৮টি দেশের ৭৪টি পার্টির ১৩৭ জন প্রতিনিধির উপস্থিতিতে। এশিয়া মাইনরের এজিয়ান সাগরের উপকূলে তুরস্কের ইজমিরে আন্তর্জাতিক এই সভাটি ২টি কারণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। প্রথমত, এই আন্তর্জাতিক সভার যৌথ সংগঠক তুরস্কের কমিউনিস্ট পার্টি (TkP) এবং গ্রীসের কমিউনিস্ট পার্টি (TkE) ২টি দেশেই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ন্যাটোর শক্ত ঘাঁটি রয়েছে। গ্রীসের জনগণের প্রতিবাদের পরও মার্কিনিরা ন্যাটো ঘাঁটির সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে। সেখান থেকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। পুঁজিবাদের সঙ্কট ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের প্রতিযোগিতা যেকোনো সময়ের তুলনায় এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক সঙ্কট তৈরি করেছে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যসহ আফ্রিকার দেশগুলোতে। যার ফলাফলে শ্রমিকশ্রেণি আরও বেশি নিষ্পেষিত হচ্ছে; বেকারত্ব, রিফিউজি সমস্যা, মাইগ্রেশন সমস্যায় জর্জরিত সারাবিশ্বে এখন উগ্র জাতীয়তাবাদ, ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটছে। তিন দিনের এ আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভা (ওগঈডচ) চলাকালীন সময়ে সিরিয়ার ওপর আগ্রাসী আক্রমণ চলছিল তুরস্কের সামরিক বাহিনীর। ৮ বছরের যুদ্ধে বিধ্বস্ত সিরিয়ার জনগণ জানে না কীভাবে তাদের দেশের শান্তি ফিরে আসবে। কুর্দীদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে তুরস্ক ও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ। মার্কিনিরা সমর্থন করেছে ইসরাইলের রাজধানী জেরুজালেমকে এবং গোলান হাইটসের দখলকৃত অংশকে ইসরাইলের অংশ হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এশিয়ার, আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার অন্যান্য দেশে উগ্র পুঁজিবাদ, জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট শক্তির নিপীড়নের শিকার হচ্ছে শ্রমিকশ্রেণি, সাধারণ মানুষ ও মেহনতি মানুষ। দ্বিতীয়ত, এই বছর কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের ১০০তম বার্ষিকী পালন করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট আন্দোলনের মার্কসবাদী-লেনিনবাদী পার্টিগুলো। ১ম আন্তর্জাতিকের অবদান সারা বিশ্বের শ্রমিকশ্রেণির আন্দোলনে ও কমিউনিস্টদের সংগ্রামের ইতিহাসে উজ্জল হয়ে আছে। বর্তমান সময়ে পুঁজিবাদের ধ্বংসাত্মক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে শ্রমিকশ্রেণি ও কমিউনিস্টদের সামনে ১ম আন্তর্জাতিকের শিক্ষা ও বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা, কমিউনিস্টদের ঐক্য ও সংগ্রামের পথচলাকে আরও দৃঢ় করবে। কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল (সিআই) অক্টোবর বিপ্লবের ফসল। সারা বিশ্বের বিপ্লবী শ্রমিকশ্রেণি ও বিপ্লবী অভ্যুত্থানের মূল ভূমিকা রেখেছিল সেই সময়ে সিআই। সিআই বিশ্বব্যাপী কমিউনিস্ট পার্টি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এবং দুনিয়াজুড়ে নিপীড়িত মানুষের পাশে শ্রমিক শ্রেণির স্বার্থে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ সহযোগিতা এবং অংশগ্রহণ করেছে। আমরা প্রত্যক্ষ করেছি ১৯৩৬-১৯৩৮ সালে আন্তর্জাতিক ব্রিগেড গঠনের মাধ্যমে স্প্যানিশ রিপাবলিকান আর্মির পাশে দাঁড়ানো ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১ম আন্তর্জাতিকের চেতনায় বর্তমানে পুঁজিবাদী আগ্রাসন ও বর্বরতার বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণির সংগ্রাম ও সমাজতন্ত্রের সংগ্রামে বিজয় ছিনিয়ে আনতে কমিউনিস্টদের ঐক্য ও সংগ্রাম খুবই জরুরি। আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভার প্রায় ৭২ জন আলোচক আলোচনা করেছেন নিজ দেশের শ্রমিক আন্দোলন, আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক পরিস্থিতি, পরিবেশ, নিপীড়িত মানুষের সঙ্কট থেকে মুক্তি পেতে কি করণীয় সে বিষয়ে আলোচনার পর প্রস্তাব গৃহীত হয়। প্রতিনিধিরা আলোচনা করেন, জ্বালানি সমৃদ্ধ ও ভৌগলিকভাবে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ মধ্যপ্রাচ্যে সিরিয়া, ইরাক, লিবিয়া, ইয়েমেনকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে; সিরিয়া থেকে কোনও হামলা না হওয়া সত্ত্বেও বা কোনও হামলার আশঙ্কা না হওয়া সত্ত্বে তুরস্ক সিরিয়ার ওপর হামলা চালিয়েছে শুধুমাত্র এই অঞ্চলে তার আধিপত্য বিস্তার করতে। তুরস্কের কমিউনিস্ট পার্টি বলছে তুর্কী পুঁজিপতিরা এর পেছনে আছে। সস্তা শ্রমের বাজার ও শোষণ বঞ্চনার শিকার কুর্দী ও তুরস্কের শ্রমিক আন্দোলনের কিছু বিজয়ের ঘটনাও আছে। এই জটিল পরিস্থিতির মধ্যেও ইস্তাম্বুলের মেয়র নির্বাচিত হয়েছে কমিউনিস্ট পার্টি ও অন্যান্য বিপ্লবী দলগুলোর সহযোগিতায়। সিরিয়ার জনগণের সাথে সংহতি সমাবেশ-মিছিল করেছে তুরস্কের কমিউনিস্ট পার্টিসহ অন্যান্য পার্টিগুলো। ইসরাইলের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি বলেন, পুঁজিবাদের ধ্বংস ছাড়া আমাদের এর মুক্তি নাই। আমাদের পার্টি ইসরাইলি জায়েনবাদের অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত লড়াই করছে একই সাথে জায়েনবাদের নেতানেয়াহুর পতনের জন্যও আমরা আন্দোলন করছি। ইরানের কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃবৃন্দ বলেন, ইরানসহ অন্যান্য দেশে পলিটিক্যাল ইসলাম, উদারনৈতিক অর্থনীতির ধারায় সংস্কারসহ পুঁজিবাদের নতুন নতুন কৌশল ও সংস্করের মাধ্যমে শ্রমিক শ্রেণির ওপর শোষণ অব্যাহত রয়েছে। মানুষের মধ্যে বৈষম্য, বেকারত্ব বাড়ছে, শান্তি, সামাজিক, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও গণতন্ত্র সঙ্কুচিত হয়ে পড়ছে। উগ্র জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িক জঙ্গিগোষ্ঠীর ফ্যাসিবাদী তৎপরতা প্রকাশ ঘটছে। উপমহাদেশে কাশ্মিরের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার কেড়ে নিয়েছে ভারতের সাম্প্রদায়িক সরকার। মার্কিনিদের স্বার্থরক্ষক মোদী সরকার ও পাকিস্তানের সেনা সমর্থিত ইমরান খান পরিস্থিতি আস্থিতিশীল করে তুলেছে। ভারতীয় পুঁজি ও বাংলাদেশের লুটেরা বুর্জোয়ারা শ্রমিক, কৃষক, মেহনতি মানুষের ওপর আধিপত্যে বিস্তার করছে। আমেরিকা ও চীনের প্রতিযোগিতার মধ্যে রোহিঙ্গা সমস্যা আমাদের দেশের আঞ্চলিক পরিস্থিতিকে জটিল ও সঙ্কটের দিকে ঠেলে দিয়েছে। এই বিষয়ে আমরা আমাদের বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) থেকে আলোচনা উত্থাপন করেছি। মধ্যপ্রাচ্যে ও উপমহাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিগুলো আফগানিস্তান ও ইরানকে নিয়ে মার্কিনিদের নতুন করে হামলা করার ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে আলোচনা করেন। এই অঞ্চল থেকে মার্কিনিদের উপস্থিতি প্রত্যাহার না করলে মধ্যেপ্রাচ্যসহ উপমাহাদেশের শান্তি কোনো দিন ফিরে আসবে না বলে দৃঢ়মত পোষণ করে বিভিন্ন কমিউনিস্ট পার্টি। ভেনিজুয়েলার ওপর মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ও বুর্জোয়াদের ষড়যন্ত্রের ও হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে ভেনিজুয়েলার জনগণের প্রতি সংহতি জানানো হয়। পুঁজিবাদের মুনাফা লোভের শিকার আমাজান বনাঞ্চল পুড়ে যাওয়ায় শুধুমাত্র প্যারাগুয়েরই ২০০০ একর বনভূমি পুড়ে গেছে, বললেন প্যারাগুয়ের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা। ব্রিটেনের কমিউনিস্ট পার্টি নেতা ইইউ নিয়ে বলেন, লেবার পার্টির বাম অংশ টোরিপন্থি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। তারা আরও বলেন, আফ্রিকাতে, মধ্যপ্রাচ্যে পুঁজিপতিদের মদদপুষ্ট সাম্রাজ্যবাদী শক্তি প্রক্সিওয়ার পরিচালনা করছে। রুশ ফেডারেশনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পুঁজিবাদ এখন মহসঙ্কটে পড়েছে। ডেনমার্কের পার্টির নেতৃবৃন্দ বলেন, আমাদের অঞ্চলে মূল পেশা মৎস্য আহরণ। ইইউ ও মার্কিনদের মধ্যে দ্বন্দ্ব পুঁজিবাদের আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবং এই দ্বন্দ্ব সামরিক হস্তক্ষেপ, সামরিক বিনিয়োগে রূপান্তরিত হয়েছে এবং পুঁজিবাদী বিশ্বায়ন বিশ্ব পরিবেশকে বিষাক্ত করে ফেলছে। এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক শ্রেণি ও সাধারণ মানুষ। এটা বন্ধ করতে হবে। দূষণমুক্ত, নিরাপদ বিশ্ব গড়তে সমাজতন্ত্রের লক্ষ্যে নিজ-নিজ দেশে শ্রেণি সংগ্রাম জোরদার করতে হবে। ফিনল্যান্ডের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি বলেছেন, পুঁজিবাদের আর এক নতুন রূপ আমরা দেখছি ব্যক্তি মালিকানার মুনাফা লোভের স্বার্থে বর্বর এক পুঁজিবাদী উন্নয়নের ফলে এই গ্রহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সকল প্রাণীর অস্তিত্বকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। ফ্রান্স কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি বলেন, আমরা ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত এক শান্তিময় পৃথিবী চাই। জর্জিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি বলেন, পুঁজিবাদ যে গভীর সঙ্কট সৃষ্টি করেছে সেটা কোন একটি দেশের সঙ্কট নয়, এটা বিশ্ব পুঁজিবাদের সঙ্কট। জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃবৃন্দ বলেন, বিশ্ব শান্তির জন্য সংগ্রামকে শ্রেণি সংগ্রাম থেকে পৃথক করা যাবে না। রুশ ফেডারেশন, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ, ও ইইউ’র সামরিক অস্ত্র উৎপাদনের প্রতিযোগিতায় জার্মানির শ্রমিকশ্রেণিও গভীর সঙ্কটে পড়েছে। তাদের সামাজিক নিরাপত্তার ব্যয় সরকারিভাবে কমানো হয়েছে। এই সঙ্কটকে কেন্দ্র করে জার্মানিতে রুশ, চীনবিরোধী জনগণের মধ্যে ফ্যাসিবাদী শক্তি জমিন পেতে শুরু করেছে। অন্যদিকে পূর্ব ইউরোপীয় দেশ হাঙ্গেরির কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি বলেন, ফরাসি এবং জার্মানি মিলে সিরিয়ার রিফিউজিদের হাঙ্গেরিতে পরিকল্পিতভাবে ঠেলে দিচ্ছে। আমরা কেউ জানি না এই সমস্যা কোথায় গিয়ে ঠেকবে। বেলজিয়ামের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি বলেন, ইউরোপীয় সামরিক ব্যয়ের খরচ বৃদ্ধির জন্য বেলজিয়ামের ৩০ ভাগ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নীচে চলে গেছে। গ্রীসের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন কমিউনিস্টদের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাসের মধ্য দিয়ে শ্রমিক শ্রেণির সংগ্রামকে রুখে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। রুশ ফেডারেশনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা বলেন, আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেই সুবিধাবাদের বিরুদ্ধে লড়াইকে। কমিউনিস্ট পার্টি সবসময় ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে। আমরা আগের ভুল আর করতে চাই না, সেই বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি। দ্বিতীয় দিন শেষে তুরস্কে কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক কেমাল আক্যুয়ান তুরস্কের ভৌগলিক অবস্থা থেকে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী, কমিউনিস্ট পার্টি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল বিশেষত কুর্দি জনগণের আন্দোলনের শুরু থেকে এই সময় পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটা ব্যাখ্যা দেন। সামগ্রিক পরিস্থিতি বোঝার ক্ষেত্রে এই ব্যাখ্যা সমস্ত অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ছিল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদীর স্বার্থের প্রতিযোগিতা ক্ষমতাসীনদের অভিপ্রায় বা স্ট্র্যাটেজি বুঝার জন্য সহায়ক। তৃতীয় দিনে আলোচনার শেষ পর্বে খসড়া ঘোষণা পাঠ করে শোনানো হয়। কিছু সংশোধনী সংযোজনীর মধ্যে আলোচনা সমাপ্তির পূর্বে কমিউনিস্ট পার্টি অব গ্রীসের সাধারণ সম্পাদক দিমিত্রিস কাউটসাম্পাস সুবিধাবাদ সম্পর্কে বিভিন্ন প্রতিনিধিদের আলোচনার প্রসঙ্গে বলেন, ‘সুবিধাবাদে বিরুদ্ধে লড়াই প্রতিদিনের, প্রতিটি কমিউনিস্ট কর্মীর এ লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে’। সবশেষে তুরস্কের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক কেমাল আক্যুয়ান আগামী ২২তম আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট পার্টি ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভা কোরিয়া ডেমোক্রেটিক রিপাবলিকে অনুষ্ঠিত হবার ঘোষণা দিয়ে কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিক গাওয়ার মধ্য দিয়ে কমিউনিস্ট পার্টি ও ওয়ার্কার্স পার্টির এবারের এ আন্তর্জাতিক (ওগঈডচ) সভার সমাপ্তি হয়। লেখক : সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটি, সিপিবি

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..