শোকসভা

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

নারায়ণগঞ্জে কমরেড সুনীল রায়ের অষ্টাদশ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
নারায়ণগঞ্জে কমরেড সুনীল রায়ের অষ্টাদশ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ব্রিটিশবিরোধী আন্দেলন, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ও এদেশের শ্রমিক আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ কমরেড সুনীল রায়ের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী ছিল ১০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার। এ উপলক্ষে সকাল ৮টায় নারায়ণগঞ্জের মাসদাইর শ্মশানে তার স্মৃতিস্তম্ভে সমবেত হয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র, শ্রমিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। পুষ্পমাল্য অর্পণ করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি কেন্দ্রিয় কমিটি, নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পাটি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি নারায়ণগঞ্জ শহর কমিটি, সিপিবি জেলা নারী সেল, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট, খেলাঘর, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, সমমনা, প্রগতি লেখক সংঘ, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, ছাত্র ইউনিয়ন, যুব ইউনিয়ন, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রসহ বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠনসমূহ। পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, খেলাঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি রথিন চক্রবর্তী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাড. মন্টু ঘোষ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক শিবনাথ চক্রবর্তী ও ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক বিমল কান্তি দাস। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলার নেতা আবু নাঈম খান বিপ্লব, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির নেত্রী রাশিদা বেগম। নেতৃবৃন্দ বলেন, সুনীল রায় খুব ছোট বেলায় শ্রমিক আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলেন। একই সাথে তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ও শ্রমিক আন্দোলনের মাধ্যমে কমিউনিস্ট পার্টির সাথে যুক্ত হন। ব্রিটিশ আমল ও পাকিস্তান আমলের দীর্ঘ অনেক বছর তিনি জেলে কাটিয়েছেন। ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে তিনি ছিলেন একজন অন্যতম সংগঠক। তার হাত ধরে সিদ্ধিরগঞ্জ ও ঢাকার শত শত যুবক মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তিনি ছিলেন চিরকুমার ও আজীবন বিপ্লবী। ২০০১ সালে নারায়ণগঞ্জ শহরে তিনি যখন মৃত্যুবরণ করেন তখন তিনি ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য। তার হাত ধরে অনেকেই বিপ্লবী রাজনীতিতে এসেছিলেন। তিনি আমাদের কাছে এক অনুপ্রেরণা। পৃথিবীতে আজ সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের অবস্থান অনেকাংশেই অনুপস্থিত, কিন্তু সমাজতন্ত্রের লড়াই দেশে দেশে অব্যাহত আছে। সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদী মতবাদের সঠিকতা বারেবারে প্রমাণিত হচ্ছে। আগামী দিনের সে

চট্টগ্রামে কমরেড ক্ষেমেশ বড়ুয়ার স্মরণে সভা
লড়াই অগ্রসর করতে নেতা কর্মীদের কমরেড সুনীল রায়ের মত ত্যাগী ও আদর্শবান হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। বিজ্ঞপ্তি খেপুপাড়ায় অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ স্মরণে নাগরিক শোকসভা পটুয়াখালী জেলার খেপুপাড়ায় গত ৯ সেপ্টেম্বর বিকেল পাঁচটায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা, প্রবীণ রাজনীতিবিদ প্রয়াত অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ স্মরণে স্থানীয় সিপিবি কার্যালয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) যৌথ উদ্যোগে এক নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট ন্যাপ নেতা খান মতিউর রহমান। সভায় ন্যাপ সভাপতির দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও কর্মের উপর বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বলেন, তিনি ছিলেন আজীবন সংগ্রামী ও মেহনতি মানুষের নেতা। এদেশে তিনি সমাজতন্ত্রকে পরিচিত করেছেন। তার স্বপ্নই ছিল একটি শোষণহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও গরিব মানুষের মুক্তি। সভায় আলোচনায় অংশ নেন সিপিবি খেপুপাড়া শাখার সম্পাদক নাসির তালুকদার, মানিকমালা খেলাঘর আসরের সভাপতি ও কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম, সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজের প্রভাষক মোঃ রফিকুল ইসলাম, মানিকমালা খেলাঘর আসরের সহ-সভাপতি মো. হেমায়েত উদ্দিন লিটন, সরকারী মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজের মার্কেটিং বিভাগের প্রভাষক মো. নিজাম উদ্দিন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) নেতা আতাজুল ইসলাম প্রমুখ। শোক সভার শুরুতে প্রয়াত নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনার্থে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বিজ্ঞপ্তি চট্টগ্রামে কমরেড ক্ষেমেশ বড়ুয়ার স্মরণে সভা বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সদস্য এবং রাউজান উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ক্ষেমেশ বড়ুয়ার স্মরণে গত ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা করেন, সিপিবি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মৃণাল চৌধুরী, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক অশোক সাহা, জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য উত্তম চৌধুরী, প্রমোদ বড়ুয়া, অমৃত বড়ুয়া, নুরুচ্ছাপা ভূঁইয়া, শওকত আলী, রেখা চৌধুরী, দিলিপ দাশগুপ্ত, রাহাত উল্লাহ জাহিদ, রেজাউল কবির, অমিতাভ সেন, অজয় সেন, দিপক জ্যোতি আইচ প্রমুখ। আলোচকবৃন্দ বলেন, একজন কমিউনিস্ট হিসেবে সকল গুণাবলি কমরেড ক্ষেমেশ বড়ুয়ার ছিল। ছাত্র জীবনে ছাত্র ইউনিয়ন করেছেন। সততা- নৈতিকতা-উদারতায় পূর্ণ ছিল কমরেড ক্ষেমেশ বড়ুয়া। নীরবে কাজ করতেন, কোন আত্মম্ভরিতা-প্রদর্শন বাদ তাঁর ছিল না। শিক্ষক হিসেবে ছিলেন আদর্শ স্থানীয়। সকল সহকর্মীরা তাঁকে বেশ শ্রদ্ধা করতেন। একজন সমাজহিতৈষী মানুষ ছিলেন কমরেড ক্ষেমেশ বড়ুয়া। রাউজানের প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে তিনি সাহস করে কাজ করেছেন। কমিউনিস্ট পার্টির সম্মান মর্যাদা রক্ষায় সবসময় যত্নবান ছিলেন। উনার উদার বৈশিষ্ট্যের কারণে সমাজের মানুষ ও পার্টি কর্মীরা উনাকে খুব শ্রদ্ধা করতেন, ভালোবাসতেন। বিজ্ঞপ্তি

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..