‘উগান্ডা’

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : চারদিকে যেন একেবারে হৈ হৈ রব পড়ে গেছে। কিছু একটা হলেই মানুষের চিল্লাচিল্লি নতুন না। এটাই আমাদের স্বভাব। কিন্তু এখন আরো বেশি হচ্ছে। মানুষ সত্যকে মেনে নিতে পারছে না। অযথাই তারা হৈ চৈ করে দেশটাকে মাথায় তুলে ফেলছে। বাংলাদেশের মানুষের এখন বোঝা উচিত তারা উন্নত দেশে পরিণত হচ্ছে। সবদিকে এখন উন্নয়নের জোয়ার। এই উন্নয়নের দিনে নৌকায় পাল তুলে মনের আনন্দে না বেড়ালে হয়? তাই না হয় কিছু লোক, নানা কাজে বিদেশ যাচ্ছে। পয়সা আছে বলেই তো যাচ্ছে? কিন্তু না, কিছু লোকের সেই ভালটা সহ্য হচ্ছে না। তারা চিৎকার-চেঁচামেচি করে সারা বাড়ি মাথায় তুলে ফেলছে। কেন পুকুর খনন করার জন্য প্রশিক্ষণ নিতে বিদেশে যেতে হবে? কেন নিরাপদ পানি সরবরাহের প্রশিক্ষণ নিতে পূর্ব-আফ্রিকার দেশ উগান্ডায় যেতে হবে? কেন মশা মারার প্রশিক্ষণ নিতে মেয়র সাঈদ খোকনকে সিঙ্গাপুরে যেতে হবে? আসলে এসব প্রশ্ন অবান্তর। শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধের লোকেরাই এসব প্রশ্ন তুলতে পারে। তারা কোনো অবস্থাতেই দেশের ভাল চায় না। এর আগে এরা রূপপুর পারমানবিক প্রকল্পের বালিশ কেনা নিয়েও নানা প্রশ্ন তুলেছ। এরপর তারা ৮৫ হাজার টাকায় মেডিকেলের বই কেনা নিয়েও সারা দেশ তোলপাড় করেছে। ফরিদপুর মেডিকেলের এক পর্দার দাম নিয়েও সমালোচকরা বাড়াবাড়ি করেছে। আচ্ছা, এক সেট পর্দার দাম যদি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা হয়, তাহলে সেটি কী বেশি টাকা? বাজারে এমনিতে একটা স্টেথিস্কোপ ৫ হাজার টাকায় পাওয়া যায়, এটা সত্য। কিন্তু সরকারিভাবে কিনলে সেটা তো এক লাখ ১২ হাজার টাকা লাগতেই পারে! এটা নিয়ে হৈচৈ করাটা একেবারেই ঠিক হয়নি। শত হোক, দেশে একটা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার ক্ষমতায় আছে, তাদের দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন তো একমাত্র মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধের পক্ষের লোকেরাই করতে পারে, নাকি? এই উন্নয়ন-বিরোধীরাই দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেশের দশের ভাবমূর্তিও নষ্ট করেছে। এখন আবার দুর্গাপূজা আসছে। দিকে দিকে মূর্তি ভাঙার খবর আসছে? এখন নিশ্চয়ই আমাদের উচিত হবে না মূর্তি ভাঙার সমালোচনা করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার??

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..