সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা নিয়ে রুল

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালার আওতায় সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে সরকার কেন ধান-চাল কিনছে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। খাদ্য মন্ত্রণালয় ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। একজন কৃষক নেতার দায়ের করা রিটের ওপর ১১ সেপ্টেম্বর শুনানিতে অংশ নিয়ে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালা-২০১৭ এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ও চাল কিনতে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি হাইকোর্টের নির্দেশনা চেয়ে গত ১৮ আগস্ট রিটটি করা হয়েছিলো। কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ও চাল কেনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি গত ২৮ জুলাই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু নোটিশের কোনো জবাব না পাওয়ায় রিট আবেদন করা হয় বলে দাবি করেছেন রিট আবেদনকারীর আইনজীবী। রিট আবেদনে বলা হয়, নীতিমালা অনুযায়ী সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ও চাল সংগ্রহ করার কথা। কিন্তু কিছু গুদাম মালিক ও মধ্যস্বত্বভোগীর কারণে এই নীতিমালা লঙ্ঘিত হচ্ছে। কৃষক তার পণ্যের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। রিট আবেদনে বলা হয়, সরকারঘোষিত মূল্যে কৃষক ধান বা চাল বিক্রির সুযোগ পাচ্ছে না। সরকারের সংশ্লিষ্টরা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান বা চাল কিনছে না। ফলে এক শ্রেণির লোককে বেআইনি সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। তারাই কৃষকের কাছ থেকে কমমূল্যে ধান ব চাল সংগ্রহ করছে। ফলে কৃষক অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। তারা উৎপাদন খরচও পাচ্ছে না। আবেদনে আরও বলা হয়, দেশের শতকরা ৮০ ভাগ মানুষের প্রধান পেশা ধান উৎপাদন করা। শুধুমাত্র ধান বিক্রি করেই তাদের জীবন-জীবিকা চলে। দিন দিন ধান উৎপাদনের খরচ বাড়ছে। কিন্তু তাদের উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে। ফলে কৃষকরা ধান চাষে নিরুৎসাহিত হচ্ছে। এটা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর প্রভাব ফেলছে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..