উন্নয়নের নামে লুটপাট দুর্নীতির মহোৎসব

ক্ষেতমজুর সমিতির বিক্ষোভ-সমাবেশ

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

সারাবছর কাজ, ন্যায্য মজুরি ও পল্লী রেশনিং ব্যবস্থা চেয়ে রাজধানীতে ক্ষেতমজুর সমিতির বিক্ষোভ [ ছবি: রতন দাস ]
একতা প্রতিবেদক : বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, গরিবদের ভাগ্যের উন্নয়ন না করে লুটেরাদের পকেট ভরার মধ্য দিয়েই চলছে সরকারের নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। লুটপাটের ধারাবাহিকতায় বালিশ কেনা, পর্দা কেনার দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, গ্রামীণ গরিব মানুষের জন্য সরাসরি নানা কর্মসূচি ও প্রকল্পের যে বরাদ্দ থাকে তার সিংহভাগই লুটপাট হয়ে যাচ্ছে। তাই এখন আওয়াজ তুলতে হবে, ‘বরাদ্দ চোরদের রুখে দাঁড়াও- বরাদ্দ চোরের চামড়া, তুলে নাও’। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, গরিব মানুষের জন্য বরাদ্দ গরিব মানুষকেই ঘরে তুলতে হবে। গত ৭ সেপ্টেম্বর সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ক্ষেতমজুর সমিতির সভাপতি অ্যাড. সোহেল আহমেদ-এর সভাপতিত্বে এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক অর্ণব সরকার বাপ্পীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রেজা, সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফজলুর রহমান, আব্দুল মালেক শিকদার, সদস্য অ্যাড. এনামুল হক। উপস্থিত ছিলেন সাবেক সভাপতি শামছুজ্জামান সেলিম, সহ-সভাপতি সৈয়দ আহমদ, মৃন্বয় মণ্ডল, পরেশ কর, অ্যাড. চিত্ত গোলদার, নির্বাহী কমিটির সদস্য অনিরুদ্ধ দাশ অঞ্জন, মোতালেব হোসেন, আরিফুল ইসলাম নাদিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সামাবেশে বক্তারা বলেন, গ্রামে সারা বছর কাজ না থাকলেও সরকার এসব গ্রামীণ সর্বহারা শ্রেণির ব্যাপারে নিবির্কার। কর্মহীন সময়ে গ্রামের এই বঞ্চিত মানুষগুলো বেঁচে থাকার আশায় শহরে ছুটে যায়। কিন্তু সেখানে অমানবিক জীবনযাপন তাদের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলে। বক্তারা বলেন, হাওরাঞ্চলের গরিব মানুষসহ দেশের বেশিরভাগ গ্রামের মানুষ ঋণের জালে জর্জরিত। বক্তাগণ অবিলম্বে খাইখালাসি ধরনের আইন করে এনজিও ঋণের অত্যাচার বন্ধের দাবি জানান। সমাবেশে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ক্ষেতমজুররা যখন বয়স্ক হয়ে যায় তখন আর তারা পরিশ্রম করতে পারে না, ফলে তাঁদের ঐ সময় না খেয়ে বিনা চিকিৎসায় ধুকে ধুকে মরতে হয়। সরকারের পক্ষ যে যৎসমান্য বয়ষ্ক ভাতা দেওয়া হয় তা প্রকৃত গরিব বয়ষ্করা পায় না। সেখানেও চলে স্বজনপ্রীতি, লুটপাট। বক্তারা এই ষাটোর্ধ্ব বয়স্কদের জন্য বেঁচে থাকার মতো পেনশন দেওয়ার দাবি করেন। গ্রামীণ মজুরদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, লড়াই ছাড়া-সংগ্রাম ছাড়া অধিকার আদায় হবে না। তার জন্য জেলা-উপজেলায়-ইউনিয়ন পর্যায়ে ক্ষেতমজুর সমিতির নেতৃত্বে আন্দোল গড়ে তুলতে হবে।
প্রথম পাতা
করোনা প্রসঙ্গ: দেশ-দুনিয়াকে বদলাতে হবে
‘বাম-গণতান্ত্রিক বিকল্প বলয় গড়ে তোলার কাজে তার অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে’
করোনাকালের অর্থনীতি, করোনাত্তোর অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও আগামী বাজেটে অগ্রাধিকার খাত কি হওয়া উচিৎ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা
বাণিজ্যিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বদল ঘটিয়ে ‘গণস্বাস্থ্য ব্যবস্থা’ গড়ে তুলতে হবে
কোভিডের চিকিৎসা নিয়ে কোনোরকম ব্যবসা চলবে না
‘জাতীয় দুর্যোগ’ ঘোষণা করে চিকিৎসার সকল দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে
সরকার মানুষকে অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে
প্রতিদিনকার কোভিড মোকাবেলার মাঝে অর্থনীতির চাকা সচল করতে চীনের সর্বাত্মক প্রচেষ্টাঃ উদ্যোগ ও সাফল্য

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..