সাঁওতালপল্লীতে আগুন: সাবেক এমপিসহ ১১জনের বিরুদ্ধে নারাজী

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রংপুর চিনিকলের বিরোধপূর্ণ জমি থেকে পরিকল্পিতভাবে সাঁওতালদের উচ্ছেদের নামে ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর তিন সাঁওতালকে হত্যা, লুটপাট, ভাংচুর ও বসতবাড়ীতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। উক্ত ঘটনার মামলায় পিবিআই আসামী পক্ষ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গাইবান্ধা পিবিআইয়ের (এএসপি) মোহাম্মদ আব্দুল হাই সরকার উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় আসামীদের বাদ দিয়ে ৯০জন আসামীর নামে অভিযোগপত্র (চার্জশীট) দাখিল করেন। পিবিআইয়ের দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের (চার্জশীট) বিরুদ্ধে এজাহারকারী থোমাস হেমব্রম সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ, তৎকালীন চিনিকলের এমডি আব্দুল আউয়ালসহ ১১জনের নামে গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পার্থ ভদ্রের আদালতে গত ৪ সেপ্টেম্বর নারাজী করেন। বাদী পক্ষে হাইকোর্টের আইনজীবি জেড আই খান পান্না, রফিকুল ইসলাম সিরাজী, গাইবান্ধা জজ কোর্টের অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু ও মুরাদুজ্জামান রব্বানী নারাজী শুনানী করেন। আদালত শুনানী শেষে আগামী ৪/১১/১৯ তারিখে শুনানীর দিন ধার্য করেন। অপরদিকে, পিবিআইয়ের দাখিলকৃত অভিযোগপত্র (চার্জশীট) প্রত্যাখান করে ওইদিন দুপুর ২টার দিকে সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ভূমি পূনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে গোবিন্দগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ভূমি পূনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি ডা. ফিলিমন বাস্কের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য, হাইকোর্টের আইনজীবি জেড আই খান পান্না, সিপিবি গাইবান্ধা জেলা কমিটির সভাপতি মিহির ঘোষ, আদিবাসী বাঙালী সংহতি পরিষদের আহবায়ক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, সিপিবি নেতা অ্যাড. মুরাদুজ্জামান রব্বানী, জেলা যুব ইউনিয়ন সভাপতি প্রতিভা সরকার ববি, সিপিবি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি তাজুল ইসলাম, ক্ষেতমজুর সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওয়াহেদুন্নবী মিলন, সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ভূমি পূনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাফুরুল ইসলাম ও মামলার বাদী থোমাস হেমব্রম প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..