‘আজ আমরা কাঁদছি কাল পৃথিবী কাঁদবে’

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

নেলসন: চোখের সামনে পুড়ে যাচ্ছে আবাসভূমি। পালিয়ে বাঁচার আগে ফিরে তাকাতেও বুক কেঁপে ওঠে। আগুন ছড়িয়ে যাচ্ছে সর্বত্র। আগুনের তাপেই হোক, আর যে কারণেই হোক চোখ ভিজে উঠছে। সেই ভেজা চোখ নিয়েই আমাজনের আদিবাসী এক নেতা বলেছেন সক্ষেদে, ‘আজ আমরা কাঁদছি, কাল সারা পৃথিবী কাঁদবে।’ এই বাক্যটি বলবার জন্য তাঁকে ইতিহাসবেত্তা হতে হয়নি, হতে হয়নি পরিবেশ ও বাস্তুবিদও। এই বাক্য বলবার শক্তি, এই ভবিষ্যদ্রষ্টার চোখ তিনি নিজের জীবন দিয়েই পেয়েছেন। আমাজনের অধিবাসীরাই শুধু কেন, যেকোনো প্রকৃতি ঘনিষ্ঠ মানুষ জানেন ও মানেন প্রকৃতিই আদি মাতা। তাকে রুষ্ট করে, তাকে হাটে তুলে আর যাই হোক বেঁচে থাকা যায় না। তার কোলে আশ্রয় নেয়া যায়, কিন্তু মালিকানা ঘোষণা করা যায় না। এই উপলব্ধিই তাদের প্রকৃতির মধ্যে প্রকৃতির অনিষ্ট না করে বেঁচে থাকার শিক্ষাটি দেয়, যার কণা পরিমাণও এই তথাকথিত সভ্য জনগোষ্ঠী ও তার নেতাদের নেই। এক সময়ে যে অরণ্য ‘ফায়ার প্রুফ’ নামে পরিচিত ছিল, আড়াই লাখ পতঙ্গ এবং চার লাখ উদ্ভিদ প্রজাতির সেই আবাসস্থল আজ এক অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হয়েছে, যার থেকে রেহাই পাচ্ছে না এই বনভূমিতে বসবাসকারী অসংখ্য প্রজাতির জীব এবং নৃ-প্রজাতির আদিম অধিবাসী মুরা, গুয়াত, নামবিকওয়ালা, ম্যাকিগোন জিভারে সিরিয়ানা, সেরিংগুইরো বা ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত অ্যামিরিন্ডিয়ানদেরও। প্রকৃতি থেকে মানুষ নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে, যেদিন থেকে একে সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করল, সেদিন থেকেই মূলত দুর্যোগের শুরু। আর এটি প্রকট হয়ে দেখা দিল এক ভীষণ অপরিমিতিবোধের মাধ্যমে। আজকের পুঁজিকেন্দ্রিক বিশ্বকাঠামো এই অপরিমিতিকে এমন মাত্রায় নিয়ে গেছে যে, পৃথিবীর শেষ শয্যাটা এখন ভীষণভাবেই দৃষ্টিগ্রাহ্য হচ্ছে। আজ যে আমাজন পুড়ছে বা তার যে ক্ষয় হচ্ছে, তার পেছনেও আছে এই সত্যটি। সেই ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ব্রাজিলের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হোসে সারনে সদম্ভে বলেছিলেন, ‘আমাজন আমাদের।’ এর চেয়ে অশ্লীল মালিকানার ঘোষণা আর হতে পারে না। অথচ এই অশ্লীল ঘোষণাটিই আজকের দিনে বারবার শোনা যাচ্ছে, হোসে সারনের উত্তরসূরি বর্তমান প্রেসিডেন্ট জায়ের বোলসোনারোর কণ্ঠে। হোসে সারনের ঘোষণাটি সেই সময় তাঁর অনুসারী কট্টর ডানপন্থিদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। আর সবচেয়ে বেশি উল্লসিত হয়েছিল অনেকগুলো কোম্পানি, যারা আমাজনকে ঘিরে গৃহীত উন্নয়ন পরিকল্পনার মুনাফাভোগী অংশীদার ছিল। সেই ঘোষণার ৩০ বছর পর এসে জায়ের বোলসোনারোও ঠিক একইভাবে ঘোষণা করছেন যে, আমাজনের আগুন তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। এখানে বাকি বিশ্বের কিছু করবার নেই। অথচ তিনি জানেন না যে, ঝড়, জল, বাতাস কোনো সীমানা মানে না। আর এই না জানার মধ্য দিয়ে তিনি আদতে শুধু ব্রাজিল বা লাতিন আমেরিকা নয়, পুরো পৃথিবীকেই হুমকির মুখে ফেলছেন। বোলসোনারো বলছেন বটে যে, আমাজন ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু ১৫ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এই আগুন নেভাতে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশের সহায়তার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে, তিনি একই সঙ্গে জানাচ্ছেন নিজের মালিকানার কথাটি। ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ আমাজন ধ্বংসের জন্য ব্রাজিলের বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করছে, দায়ী করছে; আর বোলসোনারো বিষয়টিকে দেখছেন কট্টর জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিতে। তিনি বলছেন, ‘ব্রাজিল হচ্ছে সেই কুমারীর মতো, যাকে সব কামুক চাইছে।’ কথাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ, দুটি কারণে। এক, এই কথার মধ্য দিয়ে একটি মহাপ্রাণের প্রতি রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গিটি স্পষ্ট হচ্ছে। দুই, এটি আরেকটি সত্যকেও সামনে আনছে। কারণ, বণাঞ্চলকে ঘিরে বহুজাতিক কোম্পানি থেকে শুরু করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা চলছে রমরমা। বিশ্বের বনাঞ্চল ধ্বংস করে, বা এই বনাঞ্চলকে কেন্দ্র প্রতি বছর প্রায় ৫ লাখ কোটি ডলারের বাণিজ্য হচ্ছে। বোলসোনারো শুধু এই বাণিজ্যে তাঁর বখরাটি চাইছেন। লাতিন আমেরিকা বেশ কয়েকটি দেশ নিয়ে আমাজনের অবস্থান। এর মধ্যে ব্রাজিলের আওতাভুক্ত অঞ্চলই বেশি। আমাজনের ১৩ শতাংশ পেরুতে, কলম্বিয়ায় ১০ শতাংশ পড়েছে। এ ছাড়া ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, গিয়ানা, সুরিনাম, ফ্রান্স গায়ানা দেশ মিলে বহুবিস্তৃত এ মহাপ্রাণ। তবে আমাজনের ৬০ শতাংশ বনভূমি ব্রাজিলের অন্তর্গত। ৫৫ হাজার বর্গ কিলোমিটার স্থানজুড়ে অবস্থান করা এই বিশাল গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বৃষ্টি অরণ্য পৃথিবীর প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন উৎপাদন করে এবং এক-চতুর্থাংশ কার্বন-ডাই-অক্সাইড শোষণ করে। অবশ্য এটা সত্য যে, আমাজন থেকে যে পরিমাণ অক্সিজেন উৎপন্ন হয়, তার প্রায় সমপরিমাণ নিজেই গ্রহণ করে, এর জীববৈচিত্র্যকে বাঁচিয়ে রাখতে। কারণ, গাছেদেরও তো অক্সিজেন লাগে। কিন্তু এও তো সত্য যে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় নিরবচ্ছিন্ন মিঠা পানির উৎস আমাজন নদী এই পুরো কাজে, কার্বন শোষক বেসিন হিসেবে এক বড় ভূমিকা পালন করছে। আমাজনকে পরিবেশসংবেদী মানুষ ভালোবেসে ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ নামে অভিহিত করে। সেই ফুসফুসে এখন ক্ষয়রোগ। গত ১৫ অগস্ট থেকে লাগাতার দগ্ধ হচ্ছে আমাজন। প্রতি বছর এই আমাজনের বুকে সাধারণ দাবানলের মতো ঘটনা ঘটলেও এবার তা মাত্রা ছাড়িয়েছে। ২০১৮ সালের তুলনায় চলতি বছর প্রায় ৮৮ শতাংশ বেশি দাবদাহের ঘটনা ঘটেছে আমাজনে, যা এখনো চলমান। এ বছর আমাজন জঙ্গলের ব্রাজিল অংশে প্রায় ৭৫ হাজারটি দাবানলের ঘটনার খবর এখনও পর্যন্ত নথিভুক্ত হয়েছে। কথা হচ্ছে এ বছর এত বেশি দাবানল কেন হচ্ছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এ দাবানল মানবসৃষ্ট। বনকে পিছু হটাতেই তার গায়ে আগুন দেওয়া হচ্ছে। আর তা করছে স্বয়ং মালিকানার বোধ নিয়ে চলা রাষ্ট্র। এই মাত্রা সামনে আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, বোলসানারো ক্ষমতায় বসেই কৃষির জন্য আবাদযোগ্য ভূমি বাড়ানোর কথা বলেছেন। একই সঙ্গে বলেছেন খনি অঞ্চল বৃদ্ধির কথাও। এখন তিনি আগ্রাসীভাবে সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে নেমেছেন। অবশ্য ব্রাজিলের সরকারগুলো এর আগেও আমাজনে বনাঞ্চল ধ্বংসে সক্রিয় ছিল। ২০০০ থেকে ২০১৪ সার পর্যন্ত সময়ে আমাজনের ধ্বংসপ্রাপ্ত বনাঞ্চলের ১৯ শতাংশই করেছে ব্রাজিল। বাকি দেশগুলো মিলে করেছে বাকিটা। এই একই সময়ে স্থানীয় আদিবাসী গোষ্ঠীর হাতে বনাঞ্চল ধ্বংস হয়েছে মাত্র ২ শতাংশ। এই ২ শতাংশের কারণও আবার রাষ্ট্রগুলোই। আমাজনের আগুন ও তা নেভাতে ব্রাজিল সরকারের গড়িমসির কারণ খুঁজতে গেলে বেরিয়ে আসবে আরও অনেক কিছু। এর মধ্যে রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে লাতিন আমেরিকার বাণিজ্যজোট মারকোসারের বাণিজ্য চুক্তি। চুক্তি অনুযায়ী ইইউভুক্ত দেশগুলো মারকোসারভুক্ত দেশগুলো থেকে আগের চেয়ে বেশি আমদানি করবে। তাদের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আগের চেয়ে অনেক বাড়বে। কথা হচ্ছে ইইউ কী রপ্তানি করবে, আর মারকোসার কী রপ্তানি করবে। ইইউর রপ্তানি তালিকায় প্রধানত রয়েছে কারখানা পণ্য, যার কাচামালের উৎসের মধ্যে রয়েছে আবার এই অঞ্চলটি। আর মারকোসারভুক্ত দেশগুলোর রপ্তানি তালিকায় রয়েছে মাংস থেকে শুরু করে বিভিন্ন কৃষিপণ্য। ফলে বর্ধিত বাণিজ্য সম্পর্ক রক্ষার জন্য এই দেশগুলোকে পশুচারণভূমি ও আবাদ অঞ্চল বাড়াতে হচ্ছে। এরই ফল হচ্ছে এই মানবসৃষ্ট দাবানল। যদিও দেশগুলো এই দাবানলকে প্রাকৃতিক হিসেবে চিত্রিত করতে চাইছে। কিন্তু সত্য হচ্ছে, বছরের এই সময়ে আমাজনে দাবানলের ঘটনা হামেশা ঘটলেও এই মাত্রায় আগে কখনো ঘটেনি। ফলে সাধারণ অনুসিদ্ধান্ত হিসেবে যা সামনে আসে, তা হলো দাবানলের এই সময়টিকেই রাষ্ট্রগুলো কৃত্রিম দাবানল সৃষ্টির সময় হিসেবে বেছে নিচ্ছে। ওয়াশিংটন পোস্ট আমাজনের স্যাটেলাইটে তোলা ছবি প্রকাশ করেছে সম্প্রতি। তাতে দেখা যাচ্ছে, আগুন মূলত আমাজনের প্রান্ত অংশেই ছড়িয়েছে। অর্থাৎ বিভিন্ন দেশ নিজের সীমানা ধরে কাজটি করেছে। ইইউ ও মারকোসার চুক্তিতে অবশ্য পরিবেশের সুরক্ষার কথা বেশ ভালোভাবেই বলা আছে। এটা অনেকটা সেভাবে, যেভাবে হামেশাই বলে থাকে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো। যদিও তাদের খুব কমই পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নানামুখি হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে থাকা এই পরিবেশসংবেদী সময়ে করপোরেট পুঁজির অন্যতম পুঁজি হয়ে উঠেছে টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষার ফাঁকা বুলি। এই বুলির মাধ্যমে তারা নিজেদের আবেদনকে সুরক্ষিত রাখতে চায়। আমাজন কিংবা সুন্দরবন, যে বনভূমির কথাই বলা হোক, পৃথিবীর যে নদীটির কথাই বলা হোক না কেন, তার দিকে তাকালে আধুনিক উন্নয়ন ধারণার ক্ষতটিই সবচেয়ে বেশি চোখে পড়বে। ভোগ ও উন্নয়নের নামে যে সম্প্রসারণ ও সাম্রাজ্যবাদের কথা অহরহ বলা হয়, তা শুধু তো মানুষের সমাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এই মতবাদের এই লালায়িত জিহ্বার প্রথম শিকার তো হয় প্রকৃতি। মানুষ স্বেচ্ছা অন্ধ বলেই এই রূপটি দেরিতে দেখতে পায়। সে নিজে আক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত, বিষয়টি নিয়ে মাথা ঘামায় না। তেমনটি হলে, আমাজনের আগুন নেভাতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ একটি দেশের কট্টর নেতাকে সবক দেওয়ার বদলে নিজেরাই এগিয়ে যেত। কিন্তু তারা প্রস্তাব ও নানা ধরেনর বাক্য বিনিময়ের মধ্যেই নিজেদের বলা যায় সীমিত রেখেছেন। ফলে আক্ষরিক অর্থে আমাজন রক্ষায় বৈশ্বিক কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। অথচ, জ্বালানি তেল বা ক্ষমতার সমীকরণে উল্লেখযোগ্য ওলটপালটের সম্ভাবনায় নিজের শক্তির মঞ্চায়নের তাগিদে এই নেতৃত্বকেই বহু দেশে আক্রমণ শানাতে দেখা গেছে। কিন্তু যখন আগুন নেভানোর প্রশ্নটি সামনে এল, তখন আগুন লাগাতে সিদ্ধহস্ত এই গোষ্ঠী বুলিতেই আটকে থাকল। এই আটকে থাকার অবশ্য যথেষ্ট কারণ রয়েছে। কারণ এই আমাজনের বাসিন্দাদের যত আরও গহীনে ঠেলে দেওয়া যাবে এই সমৃদ্ধ বনাঞ্চলের ভূমি তত বহুজাতিক করপোরেটদের করতলে আসবে। আমাজনে গত দুই দশক ধরে বিভিন্ন তেল কোম্পানি, খনি কোম্পানি, কাগজশিল্প কারখানা, কসমেটিকস শিল্পের বড় বড় প্রতিষ্ঠান তাদের এলাকা সম্প্রসারণ করছে। আদিবাসী গোষ্ঠীগুলোকে হয় উৎখাত করছে, নয় তো আরও গহীন অরণ্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। পরোক্ষে বন ধ্বংসে তাদেরও বাধ্য করা হচ্ছে। গত এক বছরেই আমাজনে বন ধ্বংসের হার বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে। ব্রাজিলের ন্যাশনাল স্পেস রিসার্জ ইনস্টিটিউটের তথ্যমতে, চলতি বছরের জুলাইয়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত বনের পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৭৮ শতাংশ বেশি ছিল। এই পুরো ধ্বংসযজ্ঞের পেছনে রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো। সারা বিশ্বের মানুষ যখন আমাজন নিয়ে উদ্বিগ্ন, তখন এর আশপাশের দেশগুলো ও বিশ্বনেতৃত্ব এ নিয়ে প্রায় নিস্পৃহ বলা যায়। সারা বিশ্বের মানুষ যখন বলছে, আমাজন সবার, তখন রাষ্ট্রগুলো মালিকানার সমীকরণে দাঁড়িয়ে নিজেদের মতো করে তত্ত্ব ও বুলি আউড়ে যাচ্ছে। এই ভয়াবহ বাস্তবতা থেকে নিস্তার না পেলে শুরুতে বলা সেই আদিবাসী ব্যক্তির কথাই সত্য হবে। আজ আমাজন পুড়ছে, কাল পুড়বে গোটা পৃথিবী। এই কথাটি সুন্দরবনসহ সারা পৃথিবীর সব বনাঞ্চল ও নদীর জন্য সত্য।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..