অনুবাদ

রিকশা, আমজনতা আর বড়লোকের ভয়

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

মূল : জর্জ অরওয়েল অনুবাদ : মিম আরাফাত মানব: [এই অনুবাদটি ঢাকার রিকশাওলাদের উৎসর্গ করা হলো। আর কতদিন সরকার তাদেরকে ঢাকায় থাকতে দেবে জানি না] গুরুত্বপূর্ণ হোক আর নাই হোক, আমি প্যারিসের প্লঞ্জারদের সম্পর্কে আমার মতামতটা এই বেলা জানিয়ে রাখতে চাই। ভাবলে অবাক হতে হয়, এতো বড়ো একটা শহরের হাজার হাজার মানুষের সারাটা দিন চলে যাচ্ছে ঘুপজির ভেতর একেকটা উত্তপ্ত রান্নাঘরে বাসন মাজতে মাজতে। আমার প্রশ্নটা হচ্ছে, এই জীবন কাদের জন্য, কেনো বা কাদের স্বার্থে কিছু মানুষ দিন নাই রাত নাই শুধু বাসন মেজে যাবে, আর কারাই বা এই সিস্টেমটাকে বাঁচিয়ে রাখতে চায়? আমি শুধু প্লঞ্জারদের মুক্তির কথা না, তাদের জীবনের সামাজিক তাৎপর্য কতখানি, তা যাচাই করতেও উৎসুক। শুরুতেই বলে নেয়া ভালো, প্লঞ্জাররা আধুনিক যুগের এক ধরনের দাস। এতে অবশ্য তাকে নিয়ে আহা-উহুর কিছু নেই, কারণ সে অন্য আর দশজন খেটে খাওয়া শ্রমিকের চেয়ে সুখেই আছে (রাজমিস্ত্রীদের কথা ভাবুন!)। কিন্তু তাকে বাজারে কিনতে পাওয়া গেলে তার স্বাধীনতা এখনকার চেয়ে এক বিন্দু কম হতো না। তার কাজ এক রকম গাধার খাটুনি, যেখানে কোনো নিজস্বতা নাই; কোনোমতে বেঁচে থাকতে পেটে যতটুকু ভাত দরকার, তাকে ততখানিই বেতন দেয়া হয়; তার কাজে একমাত্র ছুটি ছাঁটাই। বিয়ে তার ভাগ্যে নাই, বিয়ে করলেও বৌয়ের ভরণপোষণের জন্য তার বৌকেই কাজ করতে হবে। কপাল খুব ভালো না হলে তার এখান থেকে পালানোর পথ নাই, তবে হাজতে গেলে ভিন্ন কথা। এই মুহূর্তে প্যারিস শহরে অজস্র মানুষ অনার্স পাস করে দিনে দশ থেকে পনেরো ঘণ্টা বাসন মেজে বেঁচে আছে। কেউ যদি বলেন তারা আর কিছু করতে চায়নি বলে, অলসতা থেকে প্লঞ্জার হতে গেছে, তাহলে তিনি ভুল বলবেন। কারণ অলস লোকের পক্ষে সারাদিন বাসন মাজা কিছুতেই সম্ভব না; এই উচ্চশিক্ষিত প্লঞ্জারেরা স্রফে এমন একটা রুটিনে আটকে গেছে যেখানে নতুন কিছু করবো এই চিন্তা আসাটাই অসম্ভব। যদি প্লঞ্জাররা ভাবার সুযোগ পেতো, তারা বহু আগেই একটা ট্রেড ইউনিয়ন দাঁড় করিয়ে নিজেদের অধিকার আদায়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়ে বসতো। কিন্তু তারা ভাবে না, কারণ ভাবার ফুরসত তাদের থাকে না; তাদের জীবন তাদেরকে গোলাম বানিয়ে রেখে দিয়েছে। কিন্তু এই গোলামি, এই দাসত্ব, এখনো বহাল তবিয়তে চালু আছে কেনো? মানুষ ধরে নেয় যে সব কাজের পেছনে একটা যৌক্তিক কারণ থাকবেই। কাউকে মানবেতর কোনো কাজ করতে দেখলে আমরা বলি, কাজটা সমাজের জন্য জরুরি, আর তারপর ভেবে বসে থাকি, কাজটাকে বৈধতা দেয়া হয়ে গেলো। কয়লা খনির কাজ অত্যন্ত পরিশ্রমের হলেও কয়লা আমাদের প্রয়োজন। ম্যানহোলে নেমে সুয়ারেজ পরিষ্কার করা অস্বাস্থ্যকর, কিন্তু কাউকে তো কাজটা করতে হবে। একই কথা প্লঞ্জারদের ক্ষেত্রেও চাপিয়ে দেয়া যায়। মানুষকে হোটেল-রেস্টুরেন্টে খেতে হবে, তাই কাউকে না কাউকে সপ্তাহে আশি ঘণ্টা ময়লা বাসন ঘষতে হবে। এটাই সভ্যতা, সুতরাং প্রশ্ন করা চলবে না। কিন্তু আসলেই কি তাই? বাসন মাজা কি সভ্যতার একটা অনুষঙ্গ? কাজটা কঠিন এবং জঘন্য, তাই আমাদের কাছে কাজটাকে সৎকর্মের একটা উজ্জ্বল নিদর্শন মনে হতে পারে। আমরা প্রায়শই শ্রমিক শ্রেণিকে মুক্তি দিতে গিয়ে ওপর থেকে চাপিয়ে দেয়া শ্রমকে মহান বানিয়ে ফেলি, কায়িক শ্রমকে তুলে ফেলি বেদীতে। কেউ গাছ কাটছে, আমরা বলতে শুরু করি, এই গাছের কাঠ থেকেই আমাদের সভ্যতার বুনিয়াদ, অথচ খুঁজলে দেখা যেতো গাছটা কাটা হচ্ছে কোনো এক কুলাঙ্গারের আবক্ষ মূর্তিকে জায়গা করে দিতে। আমি বিশ্বাস করি, প্লঞ্জারদের ক্ষেত্রেও বিষয়টা একই। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সে দুই বেলা খাচ্ছে, এর মানে এই নয় যে তার কাজটা মহান; সে হয়তো কেবল একটা বিলাসিতার আগুনে ঘি ঢালছে, যেই বিলাসিতা শেষ বিচারে কোনো বিলাসের জাতের মধ্যেই পড়ে না। বিলাসিতা, কিন্তু বিলাসের মধ্যে পড়ে না, ইউরোপের বাইরে এর এক একটা বিকট উদাহরণ খুঁজে পাওয়া যায়। ভারতবর্ষের রিকশাওলা বা ঘোড়ার গাড়ির কথা ধরুন। প্রাচ্যের যে কোনো শহরে হাজার হাজার রিকশাওলা বসবাস, কালো কালো একেকটা চিমসে কঙ্কালের ওজন পঞ্চাশ কেজি হয় কি না সন্দেহ, পরনে শুধু গামছা। কেউ কেউ মারাত্মকভাবে অসুস্থ, কারো কারো বয়স পঞ্চাশ বহু আগে পার হয়ে গেছে। মাইলের পর মাইল তারা কাঁপতে কাঁপতে মাথা নীচু করে রিকশা টেনে যাচ্ছে, রোদ বা বৃষ্টি কোনো বাধাই না তাদের কাছে, তাদের গোঁফের কোণায় ঘাম টলটল করছে শুধু। একটু আস্তে গেলেই পেছনে বসা যাত্রী হুঙ্কার তুলছে, সালা বাহিনচোত, রুকা কিউ! মাসে তাদের সংসারে আয় হয় তিরিশ কি চল্লিশ রূপি, আর কয়েক বছরের ভেতরেই কাশির সাথে সাথে তাদের গোটা ফুসফুস বের হয়ে যায়। ঘোড়ার গাড়ির ঘোড়াগুলি হয় হাড় বের হয়ে থাকা বিকট সব জন্তু, যাদের হায়াত আর বেশিদিন বাকি নাই। গাড়ির মালিকের আচরণে আপনার মনে হবে, ঘোড়ার খাদ্য হিসেবে চাবুক ঘাসের এক ভালো বিকল্প হতে পারে। তাদের মূলমন্ত্র বলে খাবারের সাথে চাবুক এক হলে শক্তি পাওয়া যায়, হিসাবটা সাধারণত শতকরা ষাট ভাগ চাবুক আর চল্লিশ ভাগ খাবার। ঘোড়াগুলির গলার চামড়া উঠে যেতে যেতে দড়ি গিয়ে মাংশে এঁটে যায়, কিন্তু তাতে গাড়ি থেমে যায় না, চাবুক চলে আরো জোরে, যাতে সামনের ব্যথার চেয়ে পিছের ব্যথা বড় হয়ে ওঠে, কারণ ব্যথাই এই উৎপাদন ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় জ্বালানি। কয়েক বছর পর অবশ্য চাবুকেও কাজ হয় না, টাট্টু ঘোড়া অকালে ভাগাড়ে পৌঁছে যায়। রিকশা বা ঘোড়ার গাড়ি দুটোই টেকনিক্যালি অদরকারি, এদের প্রয়োজন শুধু এজন্য যে প্রাচ্যের লোকজন হাঁটতে নারাজ, হাঁটাকে তারা অসম্মানজনক মনে করে। ঘোড়ার গাড়ি, রিকশা, এসবই বিলাসব্যসন, এবং তার উপর আবার খুবই নিম্নমানের বিলাসিতা। যেই সামান্য সুবিধা তারা এনে দেয়, সেটা মানুষের বা পশুর কষ্ট থেকে বড় কিছু হতে পারে না। যদি আমরা মেনে নিই, প্লঞ্জারের পুরো কাজটা অযথা, তাহলে প্রশ্ন চলে আসে, তাকে এই কাজে কে বসিয়ে রাখছে? কারা চায় যে এই পেশা টিকে থাকুক? আমি অর্থনৈতিক কারণগুলির বাইরে গিয়ে জানতে আগ্রহী, মানুষ বেঁচে থাকার জন্য বাসন মাজবে, এই দৃশ্য কার জন্য সুখের হতে পারে। নিঃসন্দেহে উপর তলার মানুষদের অনেকেই এই ধরনের দৃশ্যে তৃপ্তি অনুভব করেন। রোমের ইতিহাসবিদ মার্কাস ক্যাটো বলেছিলেন, ‘একজন দাস ঘুমিয়ে থাকবে, নয়তো গোলামি করবে। জেগে থাকবে কিন্তু মালিকের জন্য খাটবে না, এ হতে পারে না। এই বেগার খাটনি মালিকটির কাজে আসছে কি না, তাতেও ক্যাটোর কিছু যায় আসে না, খাটতে তাকে হবেই, কারণ কাজ করা ভালো- গোলামের ক্ষেত্রে তো অবশ্যই।’ এই ধরনের চিন্তা এখনো বহাল টিকে আছে, আর একের পর এক মানুষকে অনর্থক দাস করে রাখছে। আমার মনে হয়, মানুষকে বেগার খাটানোর এই তাড়নার মূলে আছে আমজনতার প্রতি একটা গোপনে পুষে রাখা ভয়। সমাজের উপরতলায় এই ধারণা ঘুরে বেড়ায় যে জনতা, মানুষের ঢল, পশুর পর্যায়ের এক বিচিত্র জীব, যেটা ফুরসত পেলেই বিপজ্জনক চেহারা নিয়ে ফেলবে, এদেরকে তাই ব্যস্ত রাখাই ভালো, এরা চিন্তা করার সুযোগ পেলেই বিপদ। চিন্তাভাবনা পরিষ্কার এবং সত্যি কথা বলবে এমন কোনো ধনী ব্যক্তিকে যদি আপনি গরিবের দুর্গতি সারানোর কথা বলেন, সে দেখা যাবে এরকম কিছু একটা বলছে: “নিশ্চয়ই, দারিদ্র্য অত্যন্ত কষ্টের; সত্যি কথা হচ্ছে, দারিদ্র্য আমাদের থেকে এতটাই দূরের যে আমাদের এ নিয়ে, এর কষ্টগুলি নিয়ে ভাবতে ভালোই লাগে। কিন্তু এ নিয়ে আমরা কিছু করবো এমনটা আশা করবেন না। আমরা আপনাদের গরিবদের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত, কুকুরের গায়ে ঘা দেখলেও আমাদের দুঃখ হয়। কিন্তু আপনার অবস্থা ভালো করার যে কোনো রকম চেষ্টার বিরুদ্ধে আমরা দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করবো। আমরা মনে করি, আপনারা যা আছেন ভালোই আছেন। এভাবে চললে আমাদেরও সুবিধা, আমরা আপনাদেরকে মুক্ত করে দেবার ঝুঁকিটা তাই নিতে পারি না, দিনে এক ঘণ্টার জন্য আপনাদের মুক্তিও আমাদের জন্য ভয়ের। সুতরাং, ভাইয়ের আমার, আমাদের ইতালি ভ্রমণের টাকা যেহেতু আপনার ঘাম ঝরিয়েই বের করতে হবে, ঘামুন, আর জাহান্নামে যান।” অথচ জনতার প্রতি ভয় এক রকমের কুসংস্কার। এই ভয় ধরেই নিচ্ছে যে ধনী আর গরিবের মাঝে কোনো এক রহস্যময় মৌলিক ফারাক আছে, যেনো তারা দুইটা আলাদা জাতি, যেমন আফ্রিকার জনগণ আর সাদা মানুষেরা। কিন্তু ধনী আর গরিবের এরকম কোনো পার্থক্যও নাই। কেউ বেশি কামাচ্ছে, কেউ কম, বড়লোকদের সাথে গরিবদের তফাত শুধু এই জায়গায়। একজন ছাপোষা কোটিপতি সমান একজন ছাপোষা কামলা আর একটা স্যুট। কাপড় পাল্টে দিলেই কে রাজা কে ফকির বলা মুশকিল। গরিবের সাথে বসবাস করার, বন্ধু হিসাবে মেশার সুযোগ যারই হয়েছে, সে এটা জানে। সমস্যা হচ্ছে আমাদের সমাজের উচ্চশিক্ষিত, পরিশীলিত, কালচারড মানুষেরা, যাদেরকে আমরা সমাজের মুক্তমনা অংশ বলেই ভাবি, তারা কোনোদিন গরিবের সাথে ঠিকমতো কথাও বলে না। শিক্ষিতদের কয়জন গরিবের খোঁজ রাখে? ফ্রাঁসোয়া ভিয়োঁর একটা কবিতা ছিলো, যেখানে তিনি বলছেন, “ওরা শুধু জানালার কাঁচের ভেতর দিয়েই রুটি দেখতে পায়”। আমার কাছে ভিয়োঁর একটা সঙ্কলন আছে, যেখানে সম্পাদক এই বাক্যটিকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ফুটনোটের আশ্রয় নিয়েছেন। শিক্ষিত জনগণ ক্ষুধা থেকেও এতটাই দূরে বসবাস করে। আর সেই অজ্ঞানতা থেকে ভয়ের তৈরি হওয়াও খুব স্বাভাবিক। শিক্ষিতের চোখে গরিবেরা একপাল আধা-মানুষ, যাদের একদিনের জন্য মুক্তি দিলেই তারা ঘর জ্বালিয়ে দেবে, বইপত্র পুড়িয়ে দেবে, আর শিক্ষিত ভাইটিকে কোনো কারখানায় মেশিন চালাতে পাঠিয়ে দেবে, আর নয়তো পাঠাবে বাথরুম পরিষ্কার করতে। তাই তার কাছে যে কোনো অত্যাচার, যে কোনো জুলুম বৈধ মনে হয়, অন্তত মানুষ খেপে না যাক, একটা “মব” তৈরি না হোক। কিন্তু সে দেখে না যে যেহেতু গরিব আর ধনীতে মানুষ হিসেবে কোনো পার্থক্য নাই, মব তৈরি হওয়ার প্রশ্নই এখানে অবান্তর। আরো ভয়ংকর এক মব চারদিকে ছুটে বেড়াচ্ছে, এই মব বড়লোকের মব। বড়লোকদের এই দঙ্গল সব কারখানা দখল করার পর এখন উৎপাদনবিহীন ভাওতাবাজির কারখানা বানাচ্ছে, যেগুলোর একমাত্র কাজ মানুষের চিন্তার পথে কাটা হয়ে বসে থাকা। এই যেমন ভালো ভালো রেস্টুরেন্ট। মোদ্দাকথা হলো, প্লঞ্জার আসলে এক ধরনের ক্রীতদাস, তাও আবার বাজে খরচের ক্রীতদাস, যার কাজ কষ্টের কিন্তু নিরর্থক, যে কাজের সাথে উৎপাদনের কোনো সম্পর্ক নাই, কিন্তু যে কাজ তাকে আর কিছু ভাবতেও দেয় না। তাকে এইরকম একটা কাজে ঢুকিতে দেয়া হয়েছে এই ভয় থেকে যে তাকে নিজের মতো দু’দিন বাঁচতে দিলে সে সমাজের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। আর শিক্ষিত লোকেরা, যারা তার পাশে দাঁড়াতে পারতো, গিয়ে সাহায্য করছে উল্টাপাশের বড়লোকদের, কারণ তারা প্লঞ্জার ভাইটির সম্পর্কে কিছুই জানে না, যে কারণে সেও এই গরিবদেরকে কিছুটা ভয় পায়। আমি এতক্ষণ ধরে প্লঞ্জার নিয়ে কথা বলছি। কারণ আমি এই পেশাটাকে নিয়ে বহুদিন ভেবেছি, এইসব কথা আরো অনেক পেশার জন্যই সমানভাবে সত্য হতে পারে। প্লঞ্জারের জীবন সম্পর্কে এই কথাগুলো আমার একান্ত ব্যক্তিগত অভিমত, এখানে আমি অর্থনৈতিক মাপকাঠিগুলোকে ধর্তব্যের ভেতর আনি নাই, এবং এগুলো শুধুই আমার ধারণা মাত্র। হোটেলে কাজ করতে গিয়ে আমি যত ধরনের চিন্তার সম্মুখীন হয়েছি, তার একটা নমুনা এরা। [জর্জ অরওয়েল, ডাউন এন্ড আউট ইন প্যারিস এন্ড লন্ডন, অধ্যায় নং বাইশ] * এই প্রবন্ধে প্লঞ্জার অর্থ যিনি বাসন মাজেন। জর্জ অরওয়েল ওরফে এরিক ব্লেয়ার নিজেও প্যারিস শহরে কিছুদিন এই করে বেঁচে ছিলেন। ** বইটি ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত। একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্যারিসের বাস্তবতা এখনো বিশেষ পাল্টায়নি। *** এখনকার হিসাবে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা (তথ্যসূত্র: রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া)। *** লেখকের কোনো ধরনের মতামতের জন্য অনুবাদক দায়ী নন। অনুবাদক : শিক্ষা আন্দোলনের কর্মী

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..