বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার রুখে দিতে গড়তে হবে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
শ. ম. কামাল হোসেন : বিদ্যুতের কথা বলতে গেলেই চোখের সামনে ঝলসানো আলো ভেসে ওঠে। বিদ্যুৎ মানেই আলোকিত জীবন। আজকের আধুনিক সভ্যতা বিদ্যুৎ ছাড়া অচল। বিদ্যুৎহীন সভ্যতা কল্পনাও করা যায় না। আধুনিক বিজ্ঞান প্রযুক্তি শতভাগ বিদ্যুতের উপর নির্ভরশীল। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়, বিদ্যুতের আবিষ্কার আবিষ্কারের ইতিহাসে সর্বকালের অন্যতম সেরা আবিষ্কার। বিদ্যুৎ আমাদের জীবন ও সভ্যতাকে অভাবনীয় আলোয় আলোকিত করেছে। বিদ্যুৎ ছাড়া সভ্যতা এখন এক পা অগ্রসর হতেও অক্ষম। ঠিক এ কারণেই বিদ্যুৎ এখন মানুষের মৌলিক চাহিদার একটিতে পরিণত হয়েছে। মানবজাতির বেঁচে থাকার জন্য যে পণ্যটি মৌলিক চাহিদা বলে বিবেচিত হয়, পুঁজিবাদী বিশ্বায়ন মানুষের সেই চাহিদাকে পুঁজি করে সিন্ডিকেট বাণিজ্যের মাধ্যমে মানবজাতিকে ক্রমান্বয়ে জিম্মি করে ফেলছে। কর্পোরেট বাণিজ্যের কাছে মানুষ আজ নিতান্তই অসহায় হয়ে পড়ছে। বাংলাদেশের মানুষ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি নামের এক নতুন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আগ্রাসনের শিকার হতে চলেছেন। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) বাংলাদেশের পল্লী অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি সংস্থা ১৯৭৭ সালে এক সরকারি অধ্যাদেশ বলে গঠিত হয়। কিন্তু এর সকল কর্মকাণ্ড সমবায় ভিত্তিতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিসমূহের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই সমিতিগুলি প্রথমে স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান ছিল। এ যাবৎ বাংলাদেশে প্রায় ৮০টির মত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গঠিত হয়েছে। এর গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ২ কোটির মত এবং দেশের অন্যান্য বিদ্যুৎ বিতরণ প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকসহ মোট বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা ৩ কোটি ৩৫ লক্ষ। বিআরইবি’র অধীনস্থ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলি মূলত বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনে পল্লী অঞ্চলে সরবরাহ করে থাকে। কিন্তু পল্লী অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে মেটানো সম্ভব নয় একথা বলে পরবর্তীতে পল্লী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড নিজেরাই বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমতি আদায় করে নেয়। এরপর ১৯৯৪ সালে আরইবি এবং এর অধীনস্থ ৫টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে নিয়ে রুর্যাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (আরপিসিএল) নামে বিদ্যুৎ বিতরণের একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির যাত্রা শুরু করে। এর সুযোগ নিতে মুনাফার লোভে হামলে পড়ে সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বায়নের নানা এজেন্ট। এ কোম্পানিকে অর্থের যোগান দিতে এগিয়ে আসে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), বিশ্বব্যাংক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানিসহ সাম্রাজ্যবাদী অন্যান্য রাষ্ট্রসমূহ। শুরু হয় মুনাফা অর্জনের নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন। প্রিপেইড মিটার সেই কৌশলেরই নতুন সংস্করণ। শুরুতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমানে এটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে দেশি-বিদেশি পুঁজি লগ্নিকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সাথে একাকার হয়ে গেছে। মানবকল্যাণে কাজে লাগে এমন সকল আধুনিক প্রযুক্তিকেই মানুষ সানন্দে গ্রহণ করেন। কিন্তু যে প্রযুক্তি মানুষকে শোষণের খাঁচায় শৃঙ্খলিত করে, বঞ্চনা দেয়, এমন প্রযুক্তি মানুষের জন্য কখনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। প্রিপেইড মিটারের নামে মানুষের পকেট কাটার এই প্রযুক্তি মানুষ কখনোই মেনে নেবে না। আধুনিক পুঁজিবাদী কল্যাণ রাষ্ট্রও জনজীবনে বিদ্যুতের ব্যবহার সুনিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর। সরকার ও প্রশাসন মানুষের এই অধিকার বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে বাধ্য। কিন্তু তারা সেটাও করছে না। বরং শাসক শ্রেণি বিদ্যুতের লুটপাটের অংশীদার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পক্ষ নিয়ে শোষণের নয়া কৌশল প্রণয়নে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছে। খোদ সরকারই প্রিপেইড মিটারের পক্ষে সারাদেশে ক্যাম্পেইন করছে। প্রিপেইড মিটারের গুণকীর্তন গাইছে। তারা প্রিপেইড মিটারের রিচার্জকে মোবাইল ফোনের রিচার্জের সাথে তুলনা করে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করতে চাইছে। আমাদের সকলকে অনুধাবন করতে হবে যে, মোবাইলের ব্যবহার সম্পূর্ণ একটি ঐচ্ছিক বিষয় এবং ক্ষেত্রবিশেষে বিলাসিতাও বটে। কিন্তু বিদ্যুৎ মৌলিক চাহিদার অংশ। তাছাড়া বাজারে অসংখ্য মোবাইল ফোন কোম্পানি থাকায় তারা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ব্যবসা করতে বাধ্য হচ্ছে। তাই মোবাইল ফোন গ্রাহক স্বাধীনভাবে যে কোনো কোম্পানির সিম কার্ড এবং পছন্দের অফার কিনে রিচার্জ করতে পারছেন। কিন্তু বিদ্যুতের বেলায় বাজারে একটিমাত্র বিতরণ কোম্পানি থাকায় গ্রাহক কখনোই সেই সুবিধা নিতে পারেন না। গ্রাহকদের এই সুবিধা নিতে না পারার সুবিধাটাই নিচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-সহ অন্যান্য বিতরণ প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা গ্রাহকদের জিম্মি করে একচেটিয়া লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের কথা হলো- প্রিপেইড মিটার বসাতে হলে, মুক্তবাজার অর্থনীতির শর্ত অনুযায়ী বিদ্যুতের বাজারে সরকারকে দায়িত্ব নিয়ে একাধিক বিতরণ কোম্পানিকে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবসা করার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। তখন একজন গ্রাহক তার পছন্দ অনুযায়ী, স্বাধীনভাবে যে কোনও কোম্পানির বিদ্যুৎ কেনার অফার গ্রহণ করবেন। বিদ্যুৎ কোম্পানির এই প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থা সৃষ্টি না করা পর্যন্ত প্রিপেইড মিটার জনগণ কখনোই মানবে না। তাছাড়া ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী বাজারের যে কোনো পণ্য ক্রয়ের পূর্বে উক্ত পণ্যটির সঠিক গুণগতমান এবং সঠিক দাম যাচাই বাছাই করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে। পুঁজিবাদী সমাজে বিদ্যুৎ যেহেতু একটি পণ্য, সেই পণ্যটি ক্রয়ের ক্ষেত্রে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি তার গ্রাহকদের ভোক্তা অধিকার কেড়ে নিতে চাইছে। তারা রাষ্ট্রের ভোক্তা অধিকার আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে। এই ঔদ্ধত্যের বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক সকল নাগরিককে আজ ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পোস্টপেইড মিটার ব্যবস্থায় একজন গ্রাহক বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের শেষ তারিখের মধ্যে যে কোনো একদিন বিল পরিশোধ করতে পারেন। এমনকি পরিশোধের সর্বশেষ নির্ধারিত তারিখের মধ্যে তিনি বিল পরিশোধ করতে অপারগ হলে- বিলম্ব মাশুল দিয়ে হলেও তিনি তার বিল পরিশোধ করে থাকেন। কিন্ত প্রিপেইড মিটারের ফলে গ্রাহক বিদ্যুৎ ব্যবহারের পূর্বেই বিল পরিশোধ করতে বাধ্য হন। গ্রাহক প্রিপেইড মিটারের এই প্রযুক্তির ফলে চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। পুঁজিবাজারে শ্রম নিজেই একটি পণ্য। সুতরাং কোনো প্রতিষ্ঠানের মালিক তার শ্রমিক কর্মচারীদের কাজ করার পূর্বে শ্রমের মূল্য অগ্রিম পরিশোধ করেছেন এমন ঘটনা কি কখনও ঘটেছে? তাহলে বিদ্যুৎ নামের পণ্যটি ক্রয়ের ক্ষেত্রে গ্রাহককে কেন অগ্রিম টাকা পরিশোধ করতে হবে। তাছাড়া পল্লী অঞ্চলের মানুষ এমনিতেই যেমন দরিদ্র অন্যদিকে অশিক্ষিতও বটে। তাই পল্লী অঞ্চলের এই মানুষগুলি পল্লী বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার সম্পর্কে কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না এবং এই মিটারের সাথে তারা নিজেদের খাপ খাওয়াতেও পারছেন না। রিচার্জ শেষ হয়ে যাওয়ায় মাঝরাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত ঘটনা অহরহ ঘটছে। সেই আতঙ্কে মানুষ তার পেটের ক্ষুধা মিটানোর জন্য চাউল না কিনে বিদ্যুৎ কিনে রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে পল্লী অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে আতঙ্কের এক নাম প্রিপেইড মিটার। লক্ষণীয় বিষয় হলো সারাদেশে আরইবির অধীনে বর্তমানে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় ২ কোটি এবং অন্যান্য বিতরণ প্রতিষ্ঠানের ১ কোটি ৩৫ লক্ষের মত যে গ্রাহক রয়েছেন সেই গ্রাহকদের একেকজন প্রতি মাসে যদি গড়ে ১০০০ টাকা রিচার্জ করেন তবে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ব্যাংক একাউন্টে প্রতি মাসে ৩ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা অগ্রিম জমা হয়ে যাবে। যেহেতু আরপিসিএল এখন নিজেরাই বিদ্যুৎ উৎপাদন করে সুতরাং গ্রাহকদের এই অগ্রিম টাকাকে মূলধন হিসেবে খাটিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আবার সেই বিদ্যুৎ গ্রাহকের কাছে অতি মুনাফায় বিক্রি করবে। এটি গ্রাহকদের জন্য শাখের করাতের ন্যায় অবস্থা। গ্রাহক কেন সেটা মেনে নেবেন। পল্লী বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার এ যাবৎ যেখানে লাগানো হয়েছে তার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভুতুড়ে বিল কাটার অভিযোগ উঠেছে। একজন গ্রাহক তিনি কত ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করছেন, ইউনিট প্রতি মূল্য কত ধরা হচ্ছে তা প্রিপেইড মিটারের বিল রিসিটে উল্লেখ থাকছে না। একজন গ্রাহক বিদ্যুতের সংযোগ গ্রহণকালে ডিমান্ড চার্জ এবং মিটারের মূল্য দিয়ে সংযোগ গ্রহণ করেছেন। সে অনুযায়ী চাপিয়ে দেয়া নতুন ব্যবস্থায় ডিমান্ড নোট ও মিটার ফ্রি দেয়ার কথা থাকলেও তারা উল্টো ডিমান্ড চার্জের নামে প্রতি কিলোতে ২৫ টাকা, মিটার ভাড়া বাবদ ৪০ টাকা এবং ভ্যাট বাবদ আরও অতিরিক্ত টাকা রিচার্জ করার সময় মোট টাকা হতে প্রথমেই কেটে নিচ্ছে এবং যা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও বেআইনি। শুধু কি তাই, হঠাৎ বিদ্যুতের চাপ বেড়ে গেলে কয়েক মিনিটে বেশ কিছু টাকা কেটে নিচ্ছে। লোডশেডিংয়ের কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে পুনরায় বিদ্যুৎ আসার সময় তখনও কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই অতিরিক্ত টাকা কেটে নিচ্ছে। কোনো কারণে মিটারটি হ্যাং হয়ে গেলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। এই হ্যাং খুলতে হলে পল্লী বিদ্যুতের লোকের দ্বারস্থ হতে হয়। লক খোলার জন্য গ্রাহককে ১২০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানাও গুণতে হয়। এমনকি এক মাসের মধ্যে যতবার রিচার্জ করা হয় ততবারই মিটার ভাড়া, ডিমান্ড চার্জ এবং ভ্যাট কেটে নিচ্ছে। কিছু কোম্পানির প্রিপেইড মিটারের ক্ষেত্রে টাকা রিচার্জ করতে কোথাও ২০ ডিজিট কোথাওবা ১২০ ডিজিট আবার কোথাও ২২০ ডিজিটের স্ক্র্যাচ কার্ড দেয়া হয়। এই ডিজিটগুলি রিলিফ করার সময় কোনো একটি ডিজিট ভুল হলেই মিটারটি হ্যাং হয়ে যায়। এই রিলিফ হ্যাং খুলতে ৬০০ টাকা জরিমানা দিয়ে মিটারটি আবার সচল করতে হয়। প্রিপেইড মিটারের বিরুদ্ধে গ্রাহকের এমন অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গ্রাহকদের দুর্নীতি বন্ধের গালভরা বুলি দিয়ে প্রিপেইড মিটার আমদানি করলেও বরং তারা নিজেরাই দুর্নীতি ও লুটপাটের মহোৎসব করতে প্রিপেইড মিটারের নামে তাদের নিজস্ব প্রোগ্রাম দেয়া সেল্ভ এনালগ মিটার বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্যান্য যে কোনো বিল পরিশোধে প্রিপেইড প্রযুক্তি প্রযোজ্য হলেও, বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের প্রশ্নে প্রিপেইড রিচার্জ কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। আজ বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদ শোষণকে লুণ্ঠনে পরিণত করেছে। যে কারণে কিছু সংখ্যক লুটেরার হাতে সম্পদ কেন্দ্রীভূত হচ্ছে। দেশে দেশে রাষ্ট্রীয় শাসক শক্তি লুটেরার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে জ্বালানি খাতে এই লুটপাট সর্বাধিক। পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থায় রাষ্ট্র ও কোম্পানির মধ্যে রয়েছে এক অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক। তাই কোম্পানিগুলো তাদের লুটের মাত্রা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় উৎসাহ ও প্রণোদনা পেয়ে আসছে। শুরুতেই এই প্রিপেইড মিটারে জনগণ যে ফলাফল পেয়েছে তাতে এটা পরিষ্কার যে আমাদের এই দরিদ্র জনগোষ্ঠী কোনক্রমেই এই শোষণের প্রযুক্তি গ্রহণ করবে না। অল্প সময়ের মধ্যে এই প্রিপেইড মিটার প্রত্যাহার করে নিলে দেশ ও জনগণের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। অন্যথায় রক্ত দিয়ে হলেও জনগণ এটা রুখে দেবে। লেখক : সভাপতি, মুন্সীগঞ্জ জেলা কমিটি, সিপিবি

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..