রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে তুরস্ককে আল্টিমেটাম

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

একতা বিদেশ ডেস্ক : রাশিয়ার বিমান-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও মার্কিন যুদ্ধবিমানের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে তুরস্ককে সময় নির্ধারণ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী জুলাই মাসের মধ্যে এ বিষয়ে তুরস্ককে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কিনলে মার্কিন যুদ্ধবিমান পাবে না তারা। ভারপ্রাপ্ত মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্যাট্রিক শানাহান তুর্কি প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুলুসি আকারকে এক চিঠি পাঠিয়েছেন। তাতে জুলাইয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে যেকোনো এক পক্ষকে বেছে নিতে বলেছেন। চিঠিতে তিনি বলেন, তুরস্কের কাছে আমাদের উন্নত প্রযুক্তির এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ও রাশিয়ার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা- দু’টোই থাকতে পারে না। উল্লেখ্য, বেশ কয়েক মাস ধরেই রাশিয়ার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে সাংঘর্ষিক অবস্থানে রয়েছে তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের যুক্তি, ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য রাশিয়ার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বেমানান ও হুমকিস্বরূপ। তারা চায়, তুরস্ক তাদের বিমানবিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্যাট্রিয়ট কিনুক। এদিকে, তুরস্ক ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১০০ এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। এই যুদ্ধবিমান প্রস্তুত কর্মসূচিতে ব্যাপক বিনিয়োগও রয়েছে তাদের। বিমানগুলোর ৯৩৭টি অংশ তৈরি করেছে তারা। কিন্তু সম্প্রতি খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, তুর্কি সেনারা এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পরিচালনা শিখতে রাশিয়া গেছে। এরপরই মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী তার আল্টিমেটাম দেন। শানাহান তার চিঠিতে লিখেন, তুর্কি সেনাদের রাশিয়া যাওয়ার খবর যুক্তরাষ্ট্রকে হতাশ করেছে। তুরস্ক যদি রাশিয়ার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কিনে তাহলে মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান পাবে না। এদিকে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ ইদলিবে সিরিয়ার সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহী দলগুলোর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলছে। এতে একদিনেই নিহত হয়েছে কমপক্ষে ২৪০ জন। সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর। গত ৮ জুন আসাদপন্থি সেনারা প্রদেশটির কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জালামিহ শহরটি পুনরুদ্ধারে সক্ষম হয়। এ সময় তাদেরকে সাহায্য করেছে রুশ বিমান বাহিনী। অভিযান পরিচালনার আগে রুশ যুদ্ধবিমান থেকে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত শহরটিতে ব্যাপক বোমা হামলা চালানো হয়। জালামিহ ছাড়াও এর পূর্বে অবস্থিত আল-মিলিহ শহরেও বিমান হামলা চালিয়েছে রুশ বিমান বাহিনী। এরপর সেখানে আসাদপন্থি সেনারা অভিযান চালিয়ে শহরটি পুনরুদ্ধারে সমর্থ হয়।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..