কৃষকের লোকসান হাজার কোটি টাকা

ইউনিয়নে ‘সরকারি ক্রয়কেন্দ্র’ চায় সিপিবি

‘কৃষক বাঁচাও সপ্তাহ’ পালিত

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

‘কৃষক বাঁচাও সপ্তাহে’ গত ১৮ মে গাইবান্ধায় সদরে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করে সিপিবি
একতা প্রতিবেদক : সারাদেশে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও কৃষক তাঁর নায্যমূল্য পাচ্ছে না। প্রতিমণ ধান উৎপাদন খরচের চেয়েও ২০০ টাকা কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে কৃষক। সরকার ধানের দাম নিধারণ করে দিলেও সেই দাম পাচ্ছে না কৃষক। সারাবছর পরিশ্রম করেও কৃষক তাঁর শ্রমের মূল্য পাচ্ছে না। উপরন্তু মধ্যসত্বভোগীরা সেই লাভ খেয়ে নিচ্ছে। ফলে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পাটির (সিপিবি) পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সারা দেশে ইউনিয়ন পযায়ে ‘সরকারি ক্রয়কেন্দ্র’ খুলে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার। এই দাবিতে গত ২০ থেকে ২৬ মে সিপিবির উদ্যোগে সারাদেশে ‘কৃষক বাঁচাও সপ্তাহ’ পালিত হয়েছে। জেলায় জেলায় এই দাবিতে কৃষক-ক্ষেতমজুরদের সঙ্গে নিয়ে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল করেছে সিপিবি। এদিকে ‘কৃষক বাঁচাও সপ্তাহ’-এর শুরুতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলম এক বিবৃতিতে বলেন, মাঠ পর্যায়ের হিসাব থেকে দেখা যাচ্ছে উৎপাদন ব্যয়ের তুলানায় কম দামে বিক্রি করায় প্রতি মণ ধানে কৃষকের লোকসান হচ্ছে ন্যূনতম ২০০ টাকা। এতে ৪৮ লক্ষ হেক্টর জমিতে ৫ কোটি মণ বোরো ধান উৎপাদনকারী কৃষকরা ১ হাজার কোটি টাকার লোকসান গুণতে বাধ্য হচ্ছে। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, কৃষকরা কেনার সময় বেশি দাম দেয় আর বেঁচার সময় কম দামে বেচতে বাধ্য হয়। তাঁরা বলেন, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা ‘এফএও’-এর এক সম্মেলনে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল চূড়ান্ত ভোক্তারা কোনো কৃষি পণ্য যে দামে কিনবে, সেই পণ্যের প্রাথমিক উৎপাদনকারী যেন কমপক্ষে তার ৭৫ শতাংশ দাম পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। নেতৃবৃন্দ কৃষক-ক্ষেতমজুর সংগঠনসমূহের দাবির সাথে ঐকমত্য পোষণ করে কৃষি পণ্যের জন্য লাভজনক দাম অর্থাৎ উৎপাদন ব্যয়ের দেড়গুণ দাম নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। নেতৃবৃন্দ ‘কৃষক বাঁচাও সপ্তাহ’ এ জেলা-উপজেলায় সরকারি ক্রয়কেন্দ্রসমূহ এবং জেলা-উপজেলা প্রশাসনিক কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ, অবস্থান ধর্মঘট প্রভৃতি কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিটি ইউনিয়নে

‘সরকারি ক্রয়কেন্দ্র’ চালু করে খোদ কৃষকের কাছ থেকে নির্ধারিত ১, ০৪০ টাকা মণ দরে ধান ক্রয়সহ অন্যান্য দাবিসমূহ তুলে ধরতে কৃষক-ক্ষেতমজুরদের আহ্বান জানান। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আমাদের সংবাদদাতাদের পাঠানো প্রতিবেদন- গাইবান্ধা সদরে সিপিবির বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ: সকল ইউনিয়নে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চালু করে সরাসরি কৃষকের নিকট থেকে ধান ক্রয়ের দাবিতে গত ১৮ মে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি গাইবান্ধা সদরে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গাইবান্ধা সদর উপজেলা কমিটি ও দারিয়াপুর অঞ্চল কমিটির যৌথ উদ্যোগে দারিয়াপুর বন্দরের মূল সড়কে এই কর্মসুচি পালিত হয়। এসময় বিক্ষুদ্ধ কৃষকরা বস্তাভর্তি ধান রাস্তায় ফেলে প্রায় ঘণ্টাখানেক রাস্তা অবরোধ করে রাখেন। সিপিবি সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি ছাদেকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতিমণ্ডলির সদস্য জেলা সভাপতি মিহির ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, সহ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুরাদ জামান রব্বানী, জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মাহমুদুল গণি রিজন, তপন কুমার বর্মণ, সিপিবি অঞ্চল কমিটির সভাপতি গুলবদন সরকার, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর মাষ্টার, ক্ষেতমজুর নেতা মশিউর রহমান মইশ্যাল, কৃষক নেতা সন্তোষ বর্মণ, জাহাঙ্গীরআলম। শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল দারিয়াপুর বন্দর প্রদক্ষিণ করে। চাঁপাইনবাবগঞ্জে সিপিবির মানববন্ধন: ইউনিয়ন পর্যায়ে ধান ক্রয়ক্রেন্দ্র চালুর দাবিতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখা ২০ মে দুপুরে শহরের বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। সিপিবি, জেলা শাখার সভাপতি ইসরাইল সেন্টুর সভাপতিত্বে পৌনে এক ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি পাবনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি হুমায়ুন কবীর, সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুল

ইসলাম, সঞ্চালনা করেন সিপিবি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু হাসিব। কমরেড শাহ আলম বলেন, সরকার কখন ধান কিনবে? যখন কৃষকের হাতে ধান আর থাকবে না তখন? চালকল মালিক সিন্ডিকেটের স্বার্থে ধানের চেয়ে বেশি কেনা হবে চাল। কেননা এখানেতো পার্সেন্টেজ আছে। কৃষকরা মনের দুঃখে ধানখেতে আগুন দিচ্ছে। তাঁদের মনে আগুন জ্বলছে। এ আগুন না নেভানোর ব্যবস্থা করলে সরকারকে এর মূল্য দিতে হবে। হবিগঞ্জে কমিউনিস্ট পার্টির বিক্ষোভ : অনতিবিলম্বে প্রতিটি ইউনিয়নে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালু করে খোদ কৃষকের কাছ থেকে ১০৪০ টাকা মন ধান ক্রয়ের দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি কৃষক বাঁচাও সপ্তাহ পালন উপলক্ষে স্থানীয় খোয়াইব্রীজ পয়েন্টে বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি হবিগঞ্জ জেলা কমিটি। জেলা সভাপতি হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক পীযূষ চক্রবর্তীর পরিচালনায় বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, সিপিবি নেতা চৌধুরী মহিবুন্নূর ইমরান, জেলা উদীচী সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান কাউছার, মাসুদ পারভেজ, জয়দ্বীপ সাহা, রফিকুল ইসলাম ও বিষ্ণু সরকার। লালমনিরহাটে সিপিবির সমাবেশ ও মানববন্ধন : গত ১১ মে সকাল ১১ ঘটিকায় লালমনিরহাট মিশন মোড় চত্বরে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি লালমনিরহাট জেলা কমিটির ডাকে সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশ ও মানববন্ধনে সিপিবি লালমনিরহাট জেলা সভাপতি অ্যাড. ময়জুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রফিকুল ইসলাম এবং গোপাল চন্দ্র রায়। সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষক সমিতি লালমনিরহাট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মধুসুদন রায়, জেলা ছাত্র ইউনিয়ন এর যুগ্ম আহ্বায়ক ছাত্রনেতা বদিউজ্জামান সোহাগ, ছাত্র ইউনিয়ন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক ইমরান, কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নিমাই চন্দ্র প্রমুখ। গাইবান্ধায় ছাত্র ইউনিয়নের সংহতি সমাবেশ: সকল ইউনিয়নে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চালু করে সরাসরি কৃষকের নিকট থেকে ধান ক্রয়ের

দাবিতে গত ২১ মে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন গাইবান্ধা জেলা সংসদের উদ্যোগে শহরের ১নং ট্রাফিকমোড়ে এক সংহতি সমাবশে অনুষ্ঠিত হয়। পংকোজ সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন সিপিবি জেলা সভাপতি মিহির ঘোষ, শিক্ষক নেতা তপন কুমার বর্মণ, ক্ষেতমজুর নেতা মশিউর রহমান মইশ্যাল, জেলা যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আপন কুমার বর্মন, যুবনেতা রানু সরকার, জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ওয়ারেছ সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউলি ইসলাম রবি, স্কুল ছাত্র-বিষয়ক সম্পাদক জাকির হোসেন প্রমুখ। সিপিবি, কৃষক সমিতি ও ক্ষেতমজুর সমিতির উদ্যোগে পলাশবাড়ীতে বিক্ষোভ: ইউনিয়ন পর্যায়ে ক্রয় কেন্দ্র খুলে লাভজনক দামে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয়ের দাবিতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি ও বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি পলাশবাড়ী উপজেলা কমিটির উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত। ২২ মে সকাল ১১টায় পলাশবাড়ী উপজেলা সদরের চৌমাথায় ক্ষেতমজুর সমিতির জেলা আহবায়ক হাজী একরাম হোসেন বাদল এর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশ চলাকালে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা সিপিবির সভাপতি মিহির ঘোষ, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি তাজুল ইসলাম, পলাশবাড়ী উপজেলা সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আদিল নান্নু, সহ-সাধারণ সম্পাদক এটিএম মিজানুর রহমান খান সুজন, ইয়াদুল ইসলাম সাজু মাস্টার, ছাত্র ইউনিয়ন গাইবান্ধা জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক ওয়ারেছ সরকার, গোলজার রহমান প্রমুখ। সুন্দরগঞ্জের পাঁচপীর বাজারে কমিউনিস্ট পার্টির মানববন্ধন : ইউনিয়ন পর্যায়ে ক্রয়কেন্দ্র খুলে লাভজনক দামে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয়ের দাবিতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কমিটির উদ্যোগে পাঁচপীর হাটে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ মে বিকেলে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুরাদ জামান রব্বানী, জেলা সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য তপন কুমার বর্মণ, সুন্দরগঞ্জ

উপজেলা সিপিবি’র সভাপতি নুরে আলম মানিক, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ শরিয়ত উল্যাহ মাস্টার, আমিনুল ইসলাম পিপুল, পাঁচপীর গ্রুপ সম্পাদক সাইদুর রহমান, খয়বর হোসেন প্রমুখ। বক্তাগণ অবিলম্বে ইউনিয়ন পর্যায়ে ক্রয় কেন্দ্র খুলে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ১০৪০ টাকা দরে ধান ক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। পাবনার টেবুনিয়া হাটে সিপিবির হাটসভা : কেন্দ্র ঘোষিত ২০ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি পাবনা জেলা কমিটির উদ্যেগে ২২ মে সকালে টেবুনিয়া হাটে হাটসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন পান্না বিশ্বাস। বক্তব্য রাখেন সিপিবি পাবনা জেলা কমিটির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব, আব্দুল জব্বার, শাহিনূর রহমান শাহিন, হিরক, ছাত্র ইউনিয়ন পাবনা জেলার সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান। বক্তাগণ ধানের লাভজনক মূল্য নির্ধারণের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানান। জামালপুর: কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি ১ হাজার ৪০ টাকা দরে ধান ক্রয়ের দাবিতে সিপিবি জামালপুর জেলার বিভিন্ন হাট ও পথে পথে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩ দিনব্যাপী লাগাতার কর্মসূচিতে জামালপুর জেলার জামালপুর সদরসহ সরিষাবাড়ী ও ইসলামপুর উপজেলায় দয়ামায়ী শহীদ মিনার, বেলটিয়া বাজার, স্টেশন রোড, শাহবাজপুর, তুলশীপুর, জামতলী বাজার, দৈনুয়া মোড়ে পথ ও জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাগুলোতে জেলা সভাপতি মোজাহারুল হক, সহ-সাধারণ সম্পাদক মারুফ আহমেদ খান মানিক, আলী আকবর হোসেন, মাফিজুর রহমান, আল-আমিন হোসাইন, গৌরসাহা, আব্দুল বাতেন, গোবিন্দ সূত্রধর প্রমুখ জোরালো বক্তব্য রাখেন। পরবর্তী দিনগুলোতে জামালপুর ফৌজদারী মোড়, বগাবাইদ, বেলটিয়া বাজারসহ গেটপাড়া মোড়েও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুরূপ দাবিতে ইসলামপুর বাজারেও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির সমর্থনে জামালপুর ডি.সি. গেটে অনশন কর্মসূচি চালায় সিপিবি’র তরুণ কর্মীরা। জেলা প্রশাসক মহোদয়ের আশ্বাসের ভিত্তিতে ২ দিনব্যাপী অনশন কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..