খাদ্য নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ : কৃষিতে যুব নেতৃত্ব

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
অমিত রঞ্জন দে : মানুষ সাধারণত যৌবনেই নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে চিন্তা করা শুরু করে, কোন পথে এগোনো উচিত সেটি নির্দিষ্ট করে এবং সে অনুযায়ী তার জীবনের গতিপথ নির্ধারণ করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভবিষ্যতে নিজেকে কৃষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা, এমন ধারণাই এখন কারোর পরিকল্পনার অংশ হয় না। কারণ কৃষি এখন একটি নিম্নমানের কাজ হিসেবে বিবেচিত এবং এ থেকে খুব বেশি আয় রোজগার করা যায় না। তাই ক্রমবর্ধমানভাবে তারা শহরে বা বিদেশে গিয়ে আরো নিত্যনতুন সুযোগ গ্রহণ করাই শ্রেয় মনে করে। যুব কৃষকের অবস্থা যখন এরকম, তখন কৃষি ও খাদ্যের ভবিষ্যৎ কী? কৃষক নেই তো খাদ্য নেই। খাদ্য ছাড়া জীবনের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। বিগত বেশ কয়েক দশক ধরেই গ্রামীণ জনপদের যুবরা সামাজিকভাবে, সরকারি ও আন্তর্জাতিক নানা প্রতিষ্ঠানের কাছে উপেক্ষিত থেকেছে। ফলে যুবদের ভেতরে যে শক্তি এবং সম্ভাবনা রয়েছে তা পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগানোর মাধ্যমে কৃষিতে কাক্সিক্ষত ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়নি। গ্রামীণ যুবরা বেশিরভাগ সময়েই হয় বেকার থাকে অথবা স্বল্প বেতনে বা বিনা বেতনে অনিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিযুক্ত থাকে। গ্রামাঞ্চলে অপর্যাপ্ত কাজ ও শোভন কাজের সুযোগ কম থাকায় তরুণরা শহরে চলে যায়। কৃষকের সন্তানদেরও কৃষিকাজে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনীহা রয়েছে। যারা কৃষিকাজে যুক্ত থাকে, তাদের বেশিরভাগকেই হয় জোর করে সেখানে যুক্ত করা হয়েছে, অথবা তাদের জন্য অপেক্ষাকৃত ভালো কোন সুযোগ না থাকায় তারা কৃষি পেশায় থেকে গেছে। এর ফলে নতুন করে যে সমস্যা দেখা দিয়েছে তা হলো কৃষিকাজে নিয়োজিত মানুষের বয়স বেড়ে গেছে। যা ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা কথায় কথায় বলে থাকি যুবরাই জাতির ভবিষ্যৎ। যুবরা যদি জাতির ভবিষ্যৎ হয়, তাহলে গ্রামীণ যুবরা হলো কৃষি ও গ্রামীণ শিল্পের চালিকাশক্তি। সেই চালিকা শক্তিকে নিয়ে আমরা কতটুকু গুরুত্বসহকারে ভাবছি? যুবদেরকে গ্রামে থেকে কৃষি ও অন্যান্য গ্রামীণ শিল্পের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করছি? তাদের জন্য কী ধরনের নীতি ও কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে তারা এখানে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখতে পাবে, গ্রামীণ কৃষি ও শিল্পকে পছন্দ করবে এবং সেখানে যুক্ত থাকার আগ্রহ প্রকাশ করবে? সরকারি-বেসরকারি যে সমস্ত উদ্যোগ-আয়োজন চোখে পড়ে বা সরকারের যে সমস্ত আইন ও নীতিমালা রয়েছে সেখানে যুবরা উপেক্ষিত। আর তাই অন্যকোনো সুযোগ থাকলে আজকের যুবরা কৃষিকাজে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছে না। কৃষিকে পেশা হিসেবে বেছে না নেয়ার পেছনে যে কারণগুলো রয়েছে তা হলো কৃষক হিসেবে পরিচয় দেয়াটা সম্মানজনক না। কৃষিকে সাধারণত কম গুরুত্বপূর্ণ, পশ্চাদপদ, ঔজ্জ্বল্যহীন নিম্নমানের কাজ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং মানুষ মনে করে, এ কাজে তেমন কোনো মেধার প্রয়োজন হয়। এ কাজের সাথে সংশ্লিষ্টরা কম আত্মসম্মান ও আত্মমর্যাদা বোধ করে। কৃষকের প্রতি রাষ্ট্রের, সমাজের এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি কৃষির উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। কৃষকরা তার সন্তানকে আর কৃষক বানাতে চান না। তারা চান, তাদের শিশু বড় হয়ে চিকিৎসক, প্রকৌশলী অথবা আইনজীবী হোক। সুতরাং বড় হয়ে কৃষক হব, এমন স্বপ্নও এখন আর কেউ দেখে না। একজন কৃষক দিনভর হাড়ভাঙা খাটুনির পরও কৃষি থেকে তার প্রয়োজনীয় আয় করতে পারে না। ফলে তারা পরিবারের বা ব্যক্তিগত সব চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হয়। জমিতে অতিরিক্ত বীজ, সার, কীটনাশকের ব্যবহার এবং তার দাম বৃদ্ধির ফলে কৃষি থেকে ক্রমান্বয়ে আয় কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে উৎপাদিত কৃষিপণ্যের বাজারমূল্য কম এবং বাজার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে না থাকা, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এবং দ্রব্যমূল্যের অস্থিতিশীলতার কারণে বারবার ক্ষতির শিকার হওয়ায় যুবরা আর কৃষির সাথে সম্পৃক্ত হতে চায় না। কারণ এখানে তারা ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির কোনো চিত্র দেখাতে পায় না। জমির মালিকানায় নিরাপত্তাহীনতা একটা বড় সমস্যা। জমি এখন এমন এক পণ্যে পরিণত হয়েছে যা যেকোন সময় বাজারে ক্রয়-বিক্রয় করা যায়। বাজারমুখী ভূমি সংস্কারের কারণে জমির দাম বেড়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের নামে কৃষিজমি দখল হয়ে যাচ্ছে। জমি দখল করে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ, ইটভাটা, বিল্ডিং তৈরি ইত্যাদি চলছে হরহামেশা। ফলে জমি থেকে উচ্ছেদ হচ্ছে কৃষক। অন্যদিকে যারা কৃষি জমি চাষ করে তারা সে জমির মালিক না। জমির মালিক, তারা যারা তা চাষ করতে জানে না। জমিতে মালিকানা না থাকায় কৃষির প্রতি তরুণদের অনীহা আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ জমিতে সে তার মত করে পরিকল্পনা করতে পারে না। কৃষির মূল ভিত্তিভূমি গ্রামীণ জনপদে অবকাঠামোগত ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। দেশের অনেক গ্রামে এখনো সড়ক যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য কেন্দ্র, হাসপাতাল, বিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয়, বিনোদন কেন্দ্র, ইন্টারনেট সংযোগ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কৃষি পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের বাজার অথবা কৃষিভিত্তিক ছোট বা মাঝারি আকৃতির শিল্প প্রতিষ্ঠান যথেষ্ট পরিমাণ গড়ে ওঠেনি। এখনো কৃষিপণ্য পরিবহণের সময় বিভিন্নস্থানে চাঁদাবাজির শিকার হতে হয় বা উৎকোচ দিতে হয়। কৃষিপণ্য পরিবহণের জন্য কেন এখনো ট্রেনের সাথে একটা বগি যুক্ত করতে পারছি না? তাহলে কি বলবো, এখানে সদিচ্ছা নামক শব্দটি নির্বাসিত। পচনশীল দ্রব্যের জন্য নেই ভালো কোনো সংরক্ষণ ব্যবস্থা। কেন এখনো অঞ্চলভেদে উৎপাদনের প্রকৃতি অনুযায়ী যুবদের সংগঠিত করার মধ্য দিয়ে ম্যানুফ্যাকচারিং-এর ব্যবস্থা করতে পারছি না। কেন পারছি না এখাতে বিনিয়োগ বাড়াতে। সরকারি নীতি-কৌশল বা কর্মসূচি পারিবারিক কৃষির চেয়ে কর্পোরেট বা বাণিজ্যিক কৃষিকে প্রণোদনা দিচ্ছে। পারিবারিক কৃষি মুখ থুবড়ে পড়ছে। কৃষকরা ক্রমান্বয়ে জমির স্বল্পতা, পুঁজি বা যথাযথ বাজারের অভাব অনুভব করছে। আমাদের যে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ পদ্ধতি এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ রয়েছে তারা মূলত বাণিজ্যিক কৃষিকেই সহায়তা করছে। বাজার অর্থনীতির সাথে পাল্লা দিয়ে টিকে থাকার জন্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ব্যবসা বিভিন্ন বিষয়ে যে জ্ঞান ও দক্ষতা থাকা প্রয়োজন সেখানে যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির হস্তান্তরকরণকে ‘আদর্শ যুব কৃষি’ ব্যবস্থার মৌলিক বিষয় হিসেবে মনে করা হয়। কিন্তু এসব বিষয়ে সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই। বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত কৃষি অর্থনীতিভিত্তিক হলেও উন্নয়নের মহাসড়কে যে তোলপাড় চলছে সেখানে তা উপেক্ষিত। কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নে নেই কোনো বিনিয়োগ প্রচেষ্টা। এ সমস্ত অনেক কারণে যুব কৃষক এখন আর কৃষিকাজের মধ্যে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছে না। এমনকি দেশে যে বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ রয়েছে তারাও অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক কৃষির স্বার্থই রক্ষা করে। কৃষিপণ্যের মূল্য নির্ধারণে কৃষক বা রাষ্ট্র নয়, বাজার ব্যবস্থা দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। পণ্যের মূল্য নির্ধারণ, বাণিজ্য চুক্তি এবং নীতি নির্ধারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কৃষকের সক্রিয় প্রতিনিধিত্ব না থাকায় তারা কোনো ভূমিকা রাখতে পারে না। দুর্বল সংগঠনিক কাঠামোর কারণে স্থানীয়, জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সিদ্ধান্তগ্রহণ বা নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়াও তাদের কোনো ভূমিকা থাকে না। ফলে পারিবারিক কৃষি ব্যবস্থা ও কৃষি অর্থনীতি ধ্বংস করে ক্রমান্বয়ে বাজার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। শুধু তাই নয়, যে সমস্ত তরুণ কৃষিকাজে যুক্ত তারা নানা ধরনের সমস্যা বা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। উৎপাদনশীল সম্পদ যেমন ভূমি, অর্থ বা বাজার ব্যবস্থা কোনোটাই তাদের নিয়ন্ত্রণ নেই। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করতে যাচ্ছি কিন্তু এখনো যুবকৃষকদের কথা বিবেচনায় রেখে ভূমি বা কৃষি ব্যবস্থায় কোনো সংস্কার করা হয়নি। পূর্বসূরিদের কাছ থেকে জমির মালিকানা পাওয়ার জন্য একজন তরুণকে বহু বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। জমিতে নিজের মত করে কোনো পরিকল্পনা করার কোনো অধিকার সে ভোগ করে না। ভূমিহীন এসব তরুণদের বেশিরভাগ সময়ই মৌসুমী কৃষি শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে হয়। তরুণদের নামে জমি বা সম্পদের মালিকানা না থাকায় কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের সহায়তা করে না। অন্যদিকে বিশ্বায়নের নামে কৃষিপণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ঢিলেঢালা মনোবৃত্তি এবং বিভিন্ন বাণিজ্যচুক্তির কারণেও ক্ষুদ্র কৃষকরা লোকসানের মুখে পড়ে এবং তারা কৃষিকাজ ছেড়ে দেয়। সুতরাং আজকে যদি যুবদের কৃষিতে আকৃষ্ট করতে হয় তাহলে তাদের সামর্থ্য বৃদ্ধি ও নেতৃত্ব উন্নয়ন-এর উপর জোর দিতে হবে। উন্নত জীবনযাপনের অংশ হিসেবে স্থিতিশীল, পরিবেশবান্ধব প্রাকৃতিক কৃষি ব্যবস্থায় জোর দিতে হবে। পাশাপাশি ভূমির মালিকানা, কৃষি সম্পর্কিত নানা প্রযুক্তি ও অন্যান্য সুবিধা গ্রহণের সুযোগ, ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকেন্দ্রীকরণ এবং ভূমির ব্যবহার ও কৃষকদের অধিকার বিষয়ক নীতি গ্রহণ ও তার বাস্তবায়নে একটি যৌক্তিক অবস্থান নেয়া এখনই দরকার। সর্বাগ্রে নিশ্চিত করা দরকার কৃষিকাজ করে একজন তরুণ তার পরিবার পরিচালনার মতো পর্যাপ্ত অর্থ উপার্জন করতে পারছে। জমি, পুঁজি, প্রশিক্ষণ, খামার পরিচালনার যন্ত্রপাতি এবং পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য বাজারে প্রবেশাধিকারের সুযোগ পাচ্ছে। একজন তরুণ কৃষক যেন বুঝতে পারে কৃষিকাজে তার যুক্ত হওয়ার একটা কার্যকর অর্থ ও গুরুত্ব আছে। তাহলে হয়ত তারাও দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ রাখতে সহায়তা করতে পারবে। একজন যুব কৃষক যাতে অন্তত ২৫ বছরের জন্য জমির মালিকানা, ব্যবহারের অধিকার পায় অথবা সরকারের পক্ষ থেকে লিজ নেয়ার অধিকার পায়। তাহলে সে তার মত করে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারবে। তরুণদের বিশেষায়িত কৃষিবিষয়ক প্রশিক্ষণ, সহযোগিতামূলক প্রকল্প গ্রহণ, ঋণ সুবিধা, প্রযুক্তিগত সহায়তা, কৃষি বিষয়ক যথাযথ যন্ত্রপাতি প্রদান ও তার ব্যবহার, ভর্তুকি ও বীমা প্রদান এবং পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য বাজারব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের একটা চিন্তার দারিদ্র্য রয়েছে। তা থেকে বেরিয়ে, যুব কৃষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা এবং স্থিতিশীল পরিবেশবান্ধব কৃষি পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে বহুমুখী কৃষি সমবায় প্রতিষ্ঠায় শ্রম ও মেধা বিনিয়োগ করতে হবে। সম্ভাবনাময় নারী কৃষকদের প্রতি সমাজের যে নেতিবাচক মনোভাব রয়েছে তা পরিহার করে তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যুব কৃষকদের সুরক্ষায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, কৃষি ব্যবস্থার সংস্কার, গ্রামীণ জনপদের উন্নয়ন, স্থিতিশীল কৃষি পণ্য উৎপাদন, কৃষক নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং কৃষিপণ্যের জন্য কার্যকর বাজার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা এখন সময়ের প্রয়োজন। যুবরাই জাতির ভবিষ্যৎ, আর গ্রামীণ যুবরা হলো কৃষি ও গ্রামীণ শিল্পের ভবিষ্যৎ। এটা যদি কথার কথা না হয়ে প্রকৃত অর্থে আমরা বিশ্বাস করি এবং আমরা ভবিষ্যতে কৃষক ও খাদ্য সরবরাহ অব্যাহত রাখতে চাই, তাহলে এখনই কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ ছাড়া বিকল্প কোনো পথ খোলা নেই। লেখক : সহ-সাধারণ সম্পাদক, উদীচী, কেন্দ্রীয় কমিটি

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..