বামপন্থিরাই জনগণের প্রকৃত বন্ধু : বামফ্রন্ট

লোকসভার ঘটনাবহুল প্রথম দফা ভোট

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

একতা বিদেশ ডেস্ক : সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দেশকে রক্ষা করতে বিজেপি’কে পরাস্ত করার এবং রাজ্যকে বাঁচাতে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাস্ত করার আহ্বান জানিয়ে বামফ্রন্ট একটি আবেদন প্রকাশ করেছে। ১০ এপ্রিল মুজফ্ফর আহমদ ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু আবেদনটি প্রকাশ করে বলেছেন, জনগণের প্রকৃত বন্ধু কেবল বামপন্থিরাই। তাই জনগণের সমস্যার কথা তুলে ধরে জনগণের স্বার্থে আইন প্রণয়নের দাবিকে জোরদার করতে সংসদে বামপন্থিদের সংখ্যা বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে এই আবেদনে। বামফ্রন্টের এই আবেদনে গোড়াতেই বলা হয়েছে, এবারের নির্বাচন কোনো মামুলি নির্বাচন নয়। দেশের সংবিধান, সার্বভৌমত্ব, ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে এবারের ভোটে। ঠিক হবে মানুষের জীবনজীবিকা সুরক্ষিত থাকবে কিনা, রুদ্ধ হয়ে যাওয়া অর্থনীতি গতি পাবে কিনা। তেমনই পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র, ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং মানুষে-মানুষে সম্প্রীতির পরিবেশ পুনরুদ্ধার করার লড়াই। আবেদনে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার এবং এরাজ্যের তৃণমূল সরকার কীভাবে মানুষের সর্বনাশ করছে তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরে প্রকৃত বিকল্প হিসাবে বামপন্থিদের দাবি ও কর্মসূচির কথা তুলে ধরা হয়েছে। বামপন্থিদের ১৭টি বিকল্প সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে আবেদন পুস্তিকায় বলা হয়েছে, এই বিকল্পের জন্য রাজ্যব্যাপী বৃহত্তর গণসংগ্রামকে আরও প্রসারিত করে জনগণের দাবিগুলি আদায় করতে সংসদের ভেতরে লড়াই চালাতে বামফ্রন্ট রাজ্যবাসীর কাছে অঙ্গিকারবদ্ধ। বামপন্থিরাই জনগণের প্রকৃত বন্ধু। জনমুখী অর্থনৈতিক বিকল্প নীতি পেশ করতে পারে বামপন্থিরাই। বামপন্থিরা যখন সংসদে ৬১ আসন পেয়েছিল, তখন তাদের চাপেই চালু হয়েছিল গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প রেগা, আদিবাসী ও বনাঞ্চলের অধিবাসীদের জন্য বনাধিকার আইন, তথ্য জানার অধিকার, খাদ্য নিরাপত্তার অধিকার, শিক্ষার অধিকার, গার্হস্থ্য হিংসা বিরোধী আইন। বন্ধ হয়েছিল ব্যাঙ্ক-বিমাসহ রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রের বিলগ্নিকরণ। তৈরি হয়েছিল কৃষি সঙ্কটের সমাধানের জন্য স্বামীনাথন কমিশন। আটকে দেওয়া গিয়েছিল পেট্রোপণ্যের দামের বিনিয়ন্ত্রণ। শ্রমিক স্বার্থবিরোধী আইন পাশ করানো যায়নি সংসদে। আটকে যায় খুচরো ব্যবসায় ১০০ শতাংশ বিদেশি পুঁজির অনুপ্রবেশ, পেটেন্ট আইন সংশোধন। এই সামগ্রিক পরিপ্রেক্ষিতের উল্লেখ করে পুস্তিকার সর্বশেষ অংশে আবেদন করা হয়েছে, সমস্ত বাধা মোকাবিলা করে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন। দেশকে রক্ষা করতে বিজেপি’কে পরাস্ত করুন। রাজ্যকে বাঁচাতে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করুন। কেন্দ্রে একটি বিকল্প ধর্মনিরপেক্ষ সরকার গড়া সুনিশ্চিত করুন। সংসদে জনগণের কণ্ঠ সোচ্চার করতে বামফ্রন্ট প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী করুন। এদিন বিমান বসু সাংবাদিকদের বলেন, ২০১৪ সালের পর থেকে বিজেপি সরকারের আমলে দেশে সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা ২৮শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। চার বছরে ৩ হাজার সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে যাতে প্রায় চারশো জনের প্রাণহানি ঘটেছে, ৯ হাজার মানুষ আহত হয়েছে। এটা অস্বাভাবিক এবং গভীর উদ্বেগজনক। বিজেপি, আরএসএস এবং তার নানা শাখা সংগঠন অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে সাম্প্রদায়িক কর্মসূচি চালানোর ফলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জাতি ধর্ম ভাষা বর্ণের বৈচিত্রপূর্ণ মহান ভারতকে ধংস করে দলিত, আদিবাসীদের ওপরেও হামলা করছে। দেশের সংবিধান আক্রান্ত, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা আক্রান্ত। তাই মানুষকে আমরা এই নির্বাচনে দেশ বাঁচানোর জন্য ভূমিকা পালন করতে আবেদন করেছি। এরসঙ্গে মানুষের জীবনজীবিকার ওপরে আক্রমণের জন্যও মোদী সরকারকে দায়ী করেছে বামফ্রন্ট। বিমান বসু বলেছেন, বিকাশের নামে সম্পদের কেন্দ্রীভবন করেছে এই সরকার। বিজেপি সরকার আসার আগে ১শতাংশ লোকের হাতে ৪৯শতাংশ সম্পদ ছিল। এখন ১শতাংশ ব্যক্তির হাতে দেশের ৭৩শতাংশ সম্পদ কুক্ষিগত। সেইসঙ্গে গত পাঁচ বছরে দেশের বেকারের সংখ্যা বেড়েছে, চাকরিহারা মানুষের সংখ্যাও বেড়েছে। তিনি বলেন, দেশের মানুষ বিকাশ দেখতে পাচ্ছেন না, আর এরাজ্যের মানুষ উন্নয়নের ঢক্কানিনাদ সত্ত্বেও উন্নয়নের ছিঁটেফোঁটাও দেখতে পাচ্ছেন না। মানবসম্পদ উন্নয়নে কেন্দ্র এবং রাজ্যের সরকার উভয়েই ব্যর্থ। দুই সরকারই শিক্ষা স্বাস্থ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিকেও বেসরকারি হাতে দিয়ে দিচ্ছে। এরাজ্যে অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে, কিন্তু সেগুলো তো বেসরকারি মালিকদের মুনাফার জন্য। মানবসম্পদে আমরা ক্রমশ পিছোচ্ছি। কৃষক খেতমজুর শ্রমিকদের সমস্যার সমাধানের জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কেউই কোনও কিছু করেনি। চাকরির নিরাপত্তা নেই, বেতন, সামাজিক সুরক্ষা, কিছুই সুরক্ষিত নেই। এই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বামপন্থিদের বিকল্প দাবিগুলি তুলে ধরেছি। বামপন্থিরাই জনগণের প্রকৃত বন্ধু। বামফ্রন্টের আবেদনে এরাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কীভাবে গণতন্ত্র ধংস করে এবং প্রতিযোগিতামূলক সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করে বিজেপি’র সুবিধা করে দিচ্ছে তারও উল্লেখ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দুই শাসকদল পরস্পর বোঝাপড়া করে কীভাবে অবাধে দুর্নীতি করে চলেছে তাও ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আবেদনে বলা হয়েছে, তৃণমূল এবং বিজেপি আসলে একে অপরের পরিপূরক ও জনবিরোধিতায় অভিন্ন। উভয়েই জনগণের শত্রু। পশ্চিমবঙ্গে বামপন্থিরা স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্য বহন করছে, রাজ্যের প্রগতিশীল চেতনার ঐতিহ্য বহন করছে, এরাজ্যের সাধারণ মানুষের আন্দোলনের দীর্ঘ ঐতিহ্য বহন করছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনগণের ন্যায়সঙ্গত অসন্তোষকে বিজেপি’র দিকে প্রবাহিত করা বা বিজেপি’র বিরুদ্ধে ক্ষোভকে তৃণমূলের দিকে নিয়ে যাওয়ার যে কৌশলীপ্রচেষ্টা চলছে তা আত্মঘাতী। বামপন্থিরাই জনগণের কাছে প্রকৃত বিকল্প। সন্ত্রাসে বিদ্ধ করে, কোটি কোটি টাকার প্রচার চালিয়েও বামপন্থিদের জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়নি। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের জনসমুদ্র প্রমাণ করেছে, পশ্চিমবঙ্গে বামপন্থিরাই ভবিষ্যৎ। বিজেপি দাবি করা মাত্র কোচবিহারের পুলিশ সুপারকে বদলি করা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এদিন বিমান বসু বলেছেন, কোচবিহারের পুলিশ সুপারকে বদলি করার দাবি আমরা বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে আগেই করেছিলাম। তখন নির্বাচন কমিশন ভ্রুক্ষেপ করেনি। ডায়মন্ডহারবারে বামফ্রন্ট প্রার্থী ডাঃ ফুয়াদ হালিম এবং আসানসোলে বামফ্রন্ট প্রার্থী গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জিকে আক্রমণের বিরুদ্ধে এবং বসিরহাটের বামফ্রন্ট প্রার্থী পল্লব সেনগুপ্তকে হুমকি দেওয়ার বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের কোনও সদর্থক ভূমিকা দেখতে পাইনি। নির্বাচন কমিশনের এক্তিয়ার আছে, ভোটাররা যাতে অবাধে ভোটদান করতে পারেন তার জন্য কমিশনের উচিত সেই অনুসারে কাজ করা, কারো অঙ্গুলিহেলনে চলা উচিত নয়। ভোটারদের অবাধ ভোটদান সুনিশ্চিত করা এবং লোকসভা নির্বাচন যাতে পঞ্চায়েত নির্বাচনের মতো প্রহসনে পরিণত না হয় তা দেখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। বহরমপুরে আরএসপি প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিমান বসু বলেন, রাজ্য বামফ্রন্টের বৈঠকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে, বামফ্রন্ট মালদহ দক্ষিণ এবং বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে না। ফলে ঐ দুটি কেন্দ্রে বামফ্রন্টের প্রার্থী দেওয়ার কোনো প্রশ্নই নেই। যদি কেউ ভুল করে দাঁড়ায় তবে তাঁদের উচিত হবে প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করে নেওয়া। নইলে বামফ্রন্টের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করা হবে। এদিকে ভারতের সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে ইভিএম ভাঙচুর, সংঘর্ষ, সহিংসতাসহ নানামুখী অভিযোগ, উত্তেজনার আবহে ঘটনাবহুল প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। ১১ এপ্রিল প্রথম দফায় ২০টি রাজ্যের ৯১টি আসনে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। রাজ্যগুলো হচ্ছে অন্ধ্রপ্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, আসাম, বিহার, ছত্তিশগড়, জম্মু ও কাশ্মীর, মহারাষ্ট্র, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ওড়িশা, সিকিম, তেলেঙ্গানা, ত্রিপুরা, উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং লক্ষদ্বীপ। ভোটের প্রথম দিনে উৎসাহ নিয়েই ভোট দিতে দেখা গেছে ভোটারদের। বাইসাইকেলে চড়ে, ট্রেকিং করে, ট্রাকটর চালিয়ে বিভিন্নভাবে ভোটকেন্দ্রে এসেছে মানুষ। শিশু কোলে ভোট দিতে আসেন গৃহবধুরাও। এদিন সকাল থেকেই ভোটাররা ভোটকেন্দ্রগুলোতে লাইন ধরে দাঁড়াতে শুরু করে ভোট দেওয়ার জন্য। ভোটার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। বিকাল তিনটার মধ্যেই বেশির ভাগ রাজ্যে ভোট দেন অর্ধেকের বেশি ভোটার। পশ্চিমবঙ্গে ভোটার উপস্থিতি ছিল সবচেয়ে বেশি, ৭০ শতাংশ। তবে কিছু কিছু জায়গায় ভোটাররা ভোটার তালিকায় নাম না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছে। তেলেঙ্গানায় অনেক ভোটার তালিকায় নাম না থাকার অভিযোগ করেছে। উত্তরপ্রদেশের বাঘপাতেও বহু মুসলিম এবং দলিত ভোটারের কাছ থেকে তালিকায় নাম না থাকার অভিযোগ এসেছে। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার দুই কেন্দ্রেই সকালের দিকে বেশ কিছু বুথে ইভিএম খারাপ এবং বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তি ছাড়া ভোটগ্রহণ মোটামুটি শান্তিপূর্ণ হয়েছে। আবার কয়েকটি জায়গায় সহিংসতায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশে ভোটকেন্দ্রগুলোতে সহিংসতায় অন্তত দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া, উত্তর প্রদেশ, ছত্তিসগড়েও নির্বাচনী সহিংসতা ঘটেছে। দিনহাটা, সীতাই, শীতলকুচি এলাকায় ভোটগ্রহণ ঘিরে সারাদিনই উত্তেজনা ছিল। কোথাও কোথাও তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতিও হয়। বিজেপির অভিযোগ, দিনহাটা, সীতাই, শীতলকুচির অধিকাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন রাজ্য পুলিশের কর্মীরা। ভোটের পরও পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে উত্তেজনা কাটেনি। ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের অবস্থান বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিজেপি প্রার্থী এবং তার সমর্থকেরা অনড় ছিলেন। অন্যদিকে, পুলিশ-প্রশাসন তাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা চালিয়ে যায়। নিশীথের অভিযোগ, যে সব বুথে রাজ্য পুলিশ মোতায়েন ছিল, সেখানে অবাধে ছাপ্পা ভোট দিয়েছে তৃণমূল। তাই দেড় শতাধিক বুথে পুনর্র্নিবাচন করতে হবে। অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূলও পাল্টা দাবি করে বলেছে, বেশ কয়েকটি বুথে বিজেপি ছাপ্পা ভোট দিয়েছে। যদিও পরে রিটার্নিং অফিসারের আশ্বাসে অবস্থান তুলে নেন বিজেপি প্রার্থী। তবে কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থীর পর রাতে বামফ্রন্ট পুনর্র্নিবাচনের দাবি তুলেছেন বলে জানা গেছে। বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে ১৭০ টি বুথে পুনর্র্নিবাচনের দাবি জানানো হয়েছে। দুটি বুথে পুনর্র্নিবাচনের দাবি জানিয়েছে তৃণমূলও। নির্বাচন কমিশন এখনো কোনো দলকেই তাদের দাবির ব্যাপারে আশ্বস্ত করেনি। অভিযোগ খতিয়ে দেখেই সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। অন্ধ্রপ্রদেশ এবং নাগাল্যান্ডের মত রাজ্যগুলোতে একদিনেই ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। তবে উত্তর প্রদেশের মতো কয়েকটি রাজ্যে কয়েকটি ধাপে ভোট গ্রহণ চলবে। ভারতজুড়ে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ হবে ১৮ এপ্রিল। এরপর ২৩ এপ্রিল তৃতীয় দফা, ২৯ এপ্রিল চতুর্থ দফা, ৬ মে পঞ্চম, ১২ মে ষষ্ঠ দফা ভোট অনুষ্ঠিত হবে। ১৯ মে তে শেষ হবে সাত দফার ভোটগ্রহণ। ২৩ মে ভোট গণনার পর ফল ঘোষণা করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সরকার গঠনের জন্য ২৭২টি আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হবে যে কোনো দলকে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..