ভোটের খণ্ডচিত্র

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক: গত ১১ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। এই নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ করেছে ছাত্রলীগ ছাড়া অপরাপর সবগুলো ছাত্র সংগঠন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এই নির্বাচনে ডাকসুতে ভিপিসহ দুটি পদে জয় পেয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পক্ষের প্যানেল। আর জিএস, এজিএসসহ বাকি পদগুলোতে জয় পেয়েছে ছাত্রলীগ। হলে হলে ছাত্রলীগের প্রধান্য থাকলেও বেশ কিছু হলে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও জয়ী হয়েছেন। যদিও ছাত্রলীগ ছাড়া প্রায় সব কটি প্যানেলই এই নির্বাচন বর্জন করেছে। সবশেষ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যে আমরণ অনশনে বসেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত শিক্ষার্থী। তারা টানা তিনদিন ধরে অনশন চালাচ্ছেন। এর পাশাপাশি রোকেয়া হলেও চার শিক্ষার্থী অনশনে বসেন। যদিও তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে অনশন স্থগিত করেছেন। অপরদিকে বামপন্থিদের জোট, কোটা সংস্কার আন্দোলন, স্বাধিকার স্বতন্ত্র জোট, স্বতন্ত্র জোটসহ পাঁচটি প্যানেল এই নির্বাচন বাতিল করে পুনঃতফসিলের দাবি জানিয়ে তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়েছে। তাঁরা বলেছে, এই নির্বাচনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও অব্যাহতি দিতে হবে এবং দাবি মানা না হলে তাঁরা কঠোর আন্দোলন-সংগ্রামের দিকে যাবেন। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। ছাত্রলীগ গোটা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মহড়া দিচ্ছে। পাশাপাশি অন্যরাও মিছিল করছে। কুয়েত মৈত্রী হলে যা ঘটেছে ১১ মার্চ সকাল ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬টি হলে একযোগে ভোট শুরু হলেও কুয়েত মৈত্রী হল ও বেগম রোকেয়া হলে ভোট শুরু হয়নি। পরে জানা যায়, কুয়েত মৈত্রী হলে সিল মারা ব্যালট বাক্স পাওয়া গেছে। কুয়েত মৈত্রী হল সংসদের ভিপি পদের স্বতন্ত্র প্রার্থী শামসুন্নাহার পলি সেদিনের ঘটনায় অভিযোগ করে বলেন, ‘হলের মিলনায়তনের পাশে রিডিং রুমে বসে ব্যালটে ভোটের চিহ্ন দেয়া হচ্ছিল। ভেতর থেকে দরজায় ছিটকিনি দিয়ে ভেতরে বসে এগুলো করছিল। ওই রুমে বসে সিল মারছিল। আমরা সাড়ে ৭টার দিকে ম্যামকে বলেছিলাম ‘ম্যাম আমরা দেখব ব্যালট বাক্স খালি কিনা। তিনি কিছুতেই দেখাবেন না। উনি বলেন, প্রক্টর স্যার এসে দেখাবেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘প্রক্টর স্যার এসে বললেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। সব দেখাব। এটা বলে তিনি ওই রুমে নিয়ে গিয়ে ছিটকিনি দিয়ে দিয়েছেন। আমরা দরজা ধাক্কাচ্ছি, কিছুতেই খোলে না। যখন দরজা খুললো, আমরা ভেতরে গিয়ে দেখি বস্তাভর্তি ব্যালট পেপার। উদ্ধার হওয়া সবগুলো ব্যালটে ‘একই প্যানেলের’ প্রার্থীর নামে ভোটের চিহ্ন দেওয়া। এগুলো আগের রাতেই মেরে রাখা হয়েছে।’ পরে প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী গণমাধ্যমের কাছে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। ব্যালটে ভোট দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাই এই হলের প্রভোস্ট ড. শবনম জাহানকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রভোস্টের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ড. মাহবুবা নাসরিনকে।’ প্রায় তিন ঘণ্টা পরে ওই হলে ভোট শুরু হয়। রোকেয়া হলে কী ঘটেছে নির্বাচনের দিন দুপুরে অভিযোগ ওঠে, রোকেয়া হল সংসদের কক্ষে সিলগালা করা ব্যালট পেপারের প্যাকেটসহ তিনটি ট্রাঙ্ক গোপনভাবে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র নেতারা হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জিনাত হুদার কাছে যান। তাঁরা ওই কক্ষের ভেতরে কী আছে, তা দেখতে চান। সেখানে থাকা পরিষদ থেকে ডাকসুর কেন্দ্রীয় সংসদে সাহিত্য সম্পাদক প্রার্থী আকরাম হুসাইন অভিযোগ করেন, হল প্রাধ্যক্ষ তাঁকে ওই কক্ষে যেতে বাধা দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার না আসা পর্যন্ত তাঁকে অপেক্ষা করতে বলা হয়। পরে ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা ওই কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতর থেকে ট্রাঙ্কগুলো বাইরে নিয়ে আসে। ট্রাঙ্কের ভেতরে থাকা সিলগালা করা ব্যালট পেপারের প্যাকেট থেকে ব্যালট পেপার বের করে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেয়। অভিযোগ আছে, এ সময় কয়েকজন প্রার্থীর উপর হামলায় চালায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এর আগে সকালে প্রায় এক ঘণ্টা পরে এই হলে ভোট শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ছিল, ভোট নেওয়ার জন্য নয়টি ব্যালট বাক্স থাকার কথা। কিন্তু হলে সকালে ভোট শুরুর সময় ছয়টি খালি ব্যালট বাক্স দেখানো হয়। বাকি তিনটি ব্যালট বাক্স দেখতে চাইলেও দেখানো হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হলের প্রভোস্ট ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক বিতণ্ডা হয়। পরে ভোট শুরু হয়। এরপর এই ঘটনায় কোটা আন্দোলনের ভিপি নুরুল হক নুর, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুতে বামজোটের ভিপি প্রার্থী লিটন নন্দী, ডাকসুতে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন সমর্থিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী উম্মে হাবিবা বেনজীর, ছাত্রদল থেকে ডাকসুর ভিপি প্রার্থী আনিসুর রহমান খন্দকার ও রোকেয়া হল সংসদে স্বতন্ত্র প্যানেল রোকেয়া পরিষদের ভিপি প্রার্থী মৌসুমীকে আসামি করে মামলা করা হয়। যা বললেন লিটন নন্দী ওই দিন ভোট দেওয়ার পর বাম মোর্চার ভিপি প্রার্থী লিটন নন্দী গণমাধ্যমের কাছে বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন হলে যাচ্ছি। জটলা দেখছি সব স্থানে। ভোটাররা ভোট দিয়ে আবার লাইনে দাঁড়াচ্ছে। আমরা ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলছি। এভাবে ভোট হতে পারে না। এই পরিস্থিতিতে আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা বিষয়গুলো দেখবেন বলে জানিয়েছেন।’ লিটন নন্দী সকাল সোয়া ১০টায় সূর্য সেন হল পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন। এই ভিপি প্রার্থী আরো বলেন, ‘আমার প্যানেল এই ভোট নিয়ে আশাহত। আমরা এখনই বসব। ভোটে থাকব কি না, তা আপনাদের আগামী ৩০ মিনিটের ভেতরে জানিয়ে দেওয়া হবে। এভাবে চলতে থাকলে এটিও একটি কলঙ্কিত নির্বাচন হবে।’ পরে অবশ্য তাঁরা ভোট বর্জন করেন। আট শিক্ষকের পর্যবেক্ষণ ডাকসু নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে আটজন শিক্ষক। তাঁরা হলেন- গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদুল হক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুশাদ ফরিদী, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক কাজী মারুফুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাহমিনা খানম ও অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক অতনু রব্বানী। এখানে সেই বিবৃতিটি হুবহু তুলে ধরা হলো- “১১ মার্চ বহুল প্রতীক্ষিত ঐতিহাসিক ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। ডাকসু নির্বাচন নিয়ে তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে এ নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আমাদের সাধারণ শিক্ষকদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহের সঞ্চার হয়। আমরা কয়েকজন শিক্ষক নিজস্ব উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবামূলক পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চিফ রিটার্নিং অফিসার মৌখিকভাবে অনুমতি দেন এই বলে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে এই দায়িত্ব চাইলেই পালন করতে পারব। আমরা সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ছাত্রদের হল এসএম হল, সূর্য সেন হল, মুহসীন হল, এফ রহমান হল, শহীদুল্লাহ হল এবং ছাত্রীদের রোকেয়া হল এবং কুয়েত মৈত্রী হল পরিদর্শন করি। আমরা কুয়েত মৈত্রী হল থেকে আমাদের পর্যবেক্ষণ শুরু করি। কারণ, আমরা শুরুতেই জানতে পারি এই হলে ভোটদানে অনিয়মের কথা। আমরা জানতে পারি, ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগে ছাত্রীরা নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা শিক্ষিকাদের কাছে ভোটদানের পূর্বে শূন্য ব্যালট বাক্স দেখতে চান কিন্তু তাদের এই ন্যায্য দাবি অগ্রাহ্য করা হয়। এতে ছাত্রীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে কেন্দ্রের পাশের কক্ষ থেকে একটি বিশেষ ছাত্র সংগঠনের পক্ষে পূরণ করা প্রচুর ব্যালট পেপার উদ্ধার করে। সেগুলোর বেশ কিছু আমরা শিক্ষকরাও দেখতে পেয়েছি। এ রকম অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই সেখানে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়ে যায়। এ ঘটনায় প্রভোস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সমর্থ না হলেও আমরা রিটার্নিং অফিসারদের লজ্জিত ও মর্মাহত দেখতে পাই। একপর্যায়ে রোকেয়া হলে গোলযোগের খবর পাই। সেখানে গিয়ে জানতে পারি, সকালের কুয়েত মৈত্রী হলের অভিজ্ঞতার পর সরকারি ছাত্র সংগঠনের বাইরের নানান প্যানেলের শিক্ষার্থীরা ভোটকেন্দ্রের পাশের রুমে ব্যালটপেপারের সন্ধান পান এবং সেগুলোকে দেখানোর জন্য কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করেন। কিন্তু সেগুলো ছিল সাদা ব্যালট পেপার। এরপর পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং সরকারি ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিরোধীদের ওপর চড়াও হয়। বিরোধী পক্ষের কয়েকজন আহত হন। উভয় পক্ষের উত্তেজনায় এ রকম অনেক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে রোকেয়া হলে, যার নিন্দা জানাই আমরা। ছাত্রদের হলের ভেতরে মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায়। তবে ভোটকেন্দ্রের বাইরে কতকগুলো অনিয়ম চোখে পড়ে- ক. ভোটারের আইডি চেক করার ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের সদস্যরাই বেশিমাত্রায় ভূমিকা রেখেছেন এবং অনাবাসিক ছাত্রদের ভোট দিতে বাধা প্রদান ও নিরুৎসাহিত করেন তারা। খ. ছাত্রলীগের কর্মীরা নির্বিঘেœ চলাফেরা করলেও অন্য প্যানেলের প্রার্থী ও কর্মীরা ভোটকেন্দ্রের বাইরে বা ভোটারের সারির আশপাশে অবস্থান গ্রহণ করতে বাধাগ্রস্ত হয়েছেন। গ. ভোটকেন্দ্রের অব্যবহিত বাইরে কৃত্রিম জটলা করে রেখেছেন ছাত্রলীগের কর্মীরা, যাতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া স্লথ হয় এবং বাকিরা ভোটদানে নিরুৎসাহিত হয়। ঘ. অনেক ক্ষেত্রে বুথের ভেতরে আমরা সময় গণনা করে দেখেছি ৫ থেকে ২৩ মিনিট পর্যন্ত সময় ব্যয় করেছে কোনো কোনো ভোটার, যা ইচ্ছাকৃত মনে হওয়ার কারণ রয়েছে। ঙ. ভোট চলাকালেই রোকেয়া হলের সামনে একটি সংগঠনের ২০/২৫ জন কর্মীকে বাইকের হর্ন বাজিয়ে শোডাউন করতে দেখা গেছে, যা আচরণবিধির লঙ্ঘন। একটি বড় অসঙ্গতি মনে হয়েছে, ব্যালট পেপারে কোনো সিরিয়াল নাম্বার ছিল না। ৪৩ হাজার ভোটারের একটি নির্বাচনের ব্যালট পেপারে সিরিয়াল নাম্বার না থাকাটা আমাদের কাছে বিস্ময়কর মনে হয়েছে। কারণ এতে নির্বাচনের ফলাফলে গুরুতর অনিয়ম ঘটানো অনেক সহজ হয়ে যায়। কোন হলে কোন সিরিয়াল গেল, তাও ট্র্যাক রাখার উপায় থাকার কথা না। পরিশেষে আমরা এটাই বলতে চাই, বহুল প্রতীক্ষিত ডাকসু নির্বাচনের অনিয়মের ঘটনাগুলো আমাদের খুবই লজ্জিত করেছে। এই ঘটনা জনগণের করে পরিচালিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভাবমূর্তিকে চরমভাবে বিনষ্ট করেছে। এতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে, যা সার্বিকভাবে একাডেমিক পরিবেশ বিঘিœত করবে। এত বছর পরে অনুষ্ঠিত এই ডাকসু নির্বাচন সফলভাবে না করতে পারার ব্যর্থতার দায়ভার প্রশাসন থেকে শুরু করে সাধারণ শিক্ষক সবার এবং এই ব্যর্থতা সমগ্র শিক্ষক সম্প্রদায়ের নৈতিকতার মানদণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। আমরা চাই, এই ব্যর্থতার একটি সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা হোক। সেইসঙ্গে এই নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে অবিলম্বে নতুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হোক।’’

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..