দাকোপ উপজেলার খুটাখালী বাজারে কৃষক ও ক্ষেতমজুর সমাবেশ

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
ধানসহ কৃষি ফসলের লাভজনক দাম, প্রতি ইউনিয়নে কমপক্ষে একটি সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালু, সার-বীজ-কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণের দাম কমানো, ক্ষেতমজুরদের সারা বছরের কাজ দেয়া ও আর্মি রেটে রেশনিং চালু করা, ১ লক্ষ ৬৮ হাজার কৃষকের নামে দায়েরকৃত সার্টিফিকেট মামলা প্রত্যাহার, বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি বন্ধ করা, উন্নয়ন বাজেটের ৪০ শতাংশ কৃষিখাতে বরাদ্দ দেয়া প্রভৃতি দাবিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি দাকোপ উপজেলার খুটাখালী বাজারে কৃষক ও ক্ষেতমজুর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১টায় বাজারের চারবান্দা মোড়ে কৃষক ও ক্ষেতমজুর সংগ্রাম পরিষদ দাকোপ উপজেলা শাখার উদ্যোগে এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগ্রাম পরিষদের উপজেলা শাখার আহ্বায়ক এবং বাংলাদেশ কৃষক সমিতি দাকোপ উপজেলা শাখার সভাপতি কৃষকনেতা কিশোর রায় এবং পরিচালনা করেন সংগ্রাম পরিষদের উপজেলার শাখার সদস্য এবং সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের দাকোপ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কৃষকনেতা প্রলয় মজুমদার। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ খুলনা জেলা শাখার সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নাণ্টু, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি দাকোপ উপজেলা শাখার নেতা ইয়াসিন খান, আলী আজম, অশোক সরকার, সমীরণ রায়, মৃত্যুঞ্জয় গোলদার, সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের দাকোপ উপজেলা শাখার নেতা বিরেন্দ্র নাথ রায়, ঠাকুর দাস বিশ্বাস, সুরেশ মহাজন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট এস এন কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক মুকুন্দ মণ্ডল, সদস্য শুভেন্দু হাওলী প্রমুখ। সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জাতীয় কৃষক সমিতি দাকোপ উপজেলা শাখার সভাপতি কৃষকনেতা গৌরপদ মল্লিক। বক্তারা বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল। দেশের মোট শ্রমজীবী মানুষের ৪২.৭ ভাগ কৃষিতে নিয়োজিত। অথচ এই কৃষক ও ক্ষেতমজুররা চরম অবহেলার শিকার। জিডিপি’র ১৪.৭৯ ভাগ আসে কৃষি থেকে। অথচ চলতি বছর বাজেটে কৃষিখাতে বরাদ্দ মাত্র ৫.৬৫ ভাগ। এক মণ ধান উৎপাদনে কৃষকের খরচ হয় প্রায় ১ হাজার টাকা। অথচ এবার কৃষক মাত্র ৫০০/৬০০ টাকায় এক মণ ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। সরকার এক মণ ধানের দাম ১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করলেও পর্যাপ্ত সরকারি ক্রয়কেন্দ্র না থাকায় কৃষক কম দামে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে কৃষকরা সর্বসান্ত হচ্ছে। বক্তারা অবিলম্বে এ বিষয়ে সরকারি পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান। এই সাথে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশের কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..