শীতের সঙ্গে বাড়ছে পিঠা বিক্রির ধুম

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
মতলব (চাঁদপুর) সংবাদদাতা : চাঁদপুর জেলার মতলব মতলব (দ.) ও মতলব (উ.) উপজেলার আশপাশের এলাকাগুলোতে অনেকটা শীতের প্রকোপ শুরু হয়েছে। সকালটা ঘন কুয়াশার মধ্যে দিয়ে শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে গরমের তীব্রতা। আবার বিকেল গড়ালেই যেন শরীরে এসে উঁকি দেয় পৌষের শীত। শীতে গ্রামের মানুষের মজার খাবার হলো ভাপা পিঠা ও চিতল পিঠা, রসমলাই। সরিষা বাটা ও শুটকি বর্ত্তা দিয়ে চিতল পিঠা খাওয়ার স্বাদই আলাদা। কালের পরিক্রমায় এসব পিঠা উৎসব গ্রামাঞ্চল থেকে উঠেই গেছে। এর মধ্যে গ্রামাঞ্চলে গোলাই ধানও উঠতে শুরু করছে। শীতের সকালে মতলব (দঃ) ও মতলব (উঃ) উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বসে ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকান। এসব দোকানগুলোতে দেখা যায় পিঠা প্রেমীদের উপচে পড়া ভিড়। শীতকালের ভাপা পিঠা এবং বিকেলে চিতল পিঠা খেতে পিঠা প্রেমীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে এসব পিঠার দোকান। এখন আগের মতো বাসা বাড়িতে এসব পিঠার আয়োজন না থাকলেও তা বিক্রি হচ্ছে বাণিজ্যিকভাবে। এ দু উপজেলার মতলব ডিগ্রি কলেজ রোড, সিঙ্গাপুর প্লাজার সামনে, ছেংগারচর, গজরা, সাহেব বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে। পিঠার দোকানে ভিড় বাড়ছে ধনি-গরিবসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। বাইশপুর গ্রামের রতন সরকার নামে এক পিঠাপ্রেমী বলেন, কোনো ঝামেলা ছাড়াই হাতের নাগালে আসা ভাপা পিঠা, চিতল পিঠা ও বিভিন্ন প্রজাতির বর্ত্তা পাচ্ছি। দাম কম আবার খেতেও প্রচুর স্বাদ। আমি প্রতিদিন সন্ধ্যায় পিঠা খেতে আসি। পিঠা খেতে আসা বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) মতলব উপজেলা কমিটির সভাপতি সুধাংশু সাহা বলেন, আগের মতো বাসায় আর পিঠা তৈরির উৎসব হয় না। কিন্তু বাজারে পিঠার দোকান দেখে লোভ সামলানো সম্ভ নয়। এক পিঠা বিক্রেতা বলেন, প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ১ হাজার থেকে বারশত টাকার পিঠা বিক্রি হয়। এতে পিঠা তৈরির উপকরণসহ অন্য খরচ বাদ দিয়ে প্রতিদিন ছয় থেকে সাতশ’ টাকা লাভ হয় বলে জানান।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..