কবিতা

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

শঙ্খচূড় ইমাম ইঁদুরের, মানুষের নারিকেল গাছে উঠতে গিয়ে খুলে গিয়েছিলো কাছা তখন আমি ইঁদুর হয়ে গিয়েছিলাম ডান হাতের বন্ধনে শীর্ষে উঠে আমিও খেয়েছিলাম ইঁদুরের মতো সেই কচি কচি ডাব একদিন শুকিয়ে শুকিয়ে ডাবের খোসা পড়েছিলো মাটিতে সেদিন মাটি কেটে ইঁদুর কোথাও খুঁড়ছিলো গর্ত আর আমি মাটির ওপর হেঁটে হেঁটে খুঁজছিলামÍনতুন নতুন গাছ সন্তান বৃষ্টির মতো হাসি ঝরছে খুশির মুদ্রণে ভরে গেছে এই ঘরদোর কি এক নীল বাতির ভেতর দিয়ে তার ঝংকারে ভেঙেছে ঘুম। এত হাসছো কেন? –বোঝনি? এত হাসার কি আছে? – হা হা হা আবারও... –ক্ষুধার্ত এক পাখি ঝড়ের ভেতর দিয়ে তার সন্তানের ঠোটে বুনন করছে যে বীজ তা পরাজিত হতে হতে থেমে যাবে ঝড় ঝড়ও আমাদেরই সন্তান! আহা! কি সুন্দর সন্তান!! সজল অনিরুদ্ধ লাল টিপ এসো মগড়ায় ভাসি কর্ণফুলীর মেয়ে। লাল টিপে ছড়িয়ে দেই গন্ধরাজের ঘ্রাণ। প্লেটোনিক প্রেমে বিশ্বাস রেখে আগামী শরতে দিও ভাইফোঁটার তাজ। অতপর কামিনী ফুলের গন্ধ সরিয়ে নিয়ে আসব কিছু শিশির ভেজা ঘাস। লুফাইয়্যা শাম্মী জাগরণ আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামেÍশুষ্ক চুম্বনেও! বিচ্ছিন্ন কবরের পাশে পাতাবাহার বড় হয়ে মুকুল ঝরে... জলসিক্ত এ কেমন প্রহর! মুছে দিতে চাইÍদীর্ঘ শোক এবং শবযাত্রার কোলাহলÍসেই স্নিগ্ধ আর্দ্রতায় ফের আসুক, আমাতে লেগে থাকুক মৃতের মতো সুখ! রাত তন্দ্রাহীন রাতে চাঁদ উঠলে ঢলে পড়ি এমন গোপন ইতিহাস তুলে স্নিগ্ধ আলো সমেতÍ এক হাতে সূর্য নিয়ে বুকে ছুড়ে জিউস! উত্তপ্ত বিছানায় প্রত্যাখ্যান আসে অভিশাপ দিতে দিতে সরে যাই আরও একটা তন্দ্রাহীন রাত এসে চাঁদ ওঠে জিউসপত্নীর দ্বারে... জাহিদ আল হাসান পরিচয় তোমার বুকে আস্ত একটা গাছ হয়ে দাঁড়িয়ে আছি শাখা-প্রশাখার ছায়ায়Í লেখা আছে তোমার নাম। জীবন পানির সন্ধানে তৃষ্ণার্ত কাক উড়তে উড়তে... উড়তে উড়তে ... হঠাৎ ইউটার্ন মেরে যায়।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..