সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন সেতু দুর্ভোগ ১০ গ্রামে

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
দিনাজপুর সংবাদদাতা : দুই বছর আগে কৃষিজমিতে সেচ সুবিধার জন্য দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে তিলাই খালের ওপর স্নুইস গেটসহ সেতু নির্মাণ করা হয়। তবে পূর্ব পারে মাটি না দেয়ায় স্নুইস গেটে পানি ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। একই কারণে সড়ক থেকে সেতু বিচ্ছিন্ন হওয়ায় চলাচল করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে আশপাশের ১০ গ্রামের বাসিন্দাদের। তবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তাদের দাবি, সেতু নির্মাণের সময় মাটি দেয়া হলেও গত বছরের বন্যায় তা ধুয়ে গেছে। ফুলবাড়ী এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্পের আওতায় ২০১৬ সালে ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের কৃষকদের সেচ সুবিধার জন্য তিলাই খালে স্নুইস গেটসহ সেতু নির্মাণ করা হয়। পাশাপাশি প্রায় ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে স্নুইস গেট থেকে উত্তর দিকে ১০ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়। খালের পানি ব্যবস্থাপনার জন্য ৪২০ সদস্যবিশিষ্ট একটি সমবায় সমিতিও গঠন করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময় পূর্ব পারে মাটি না দেয়ায় খালের পানি আটকে রাখা যাচ্ছে না। সংযোগ সড়ক থেকে সেতুটি বেশ উঁচুতে অবস্থিত হওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। শিবনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুনুর রহমান বিপ্লব চৌধুরী বলেন, তিলাই খালে ¯œুইস গেট নির্মাণ হলেও এর সুফল সেভাবে পাওয়া যায়নি। ¯œুইস গেটের সঙ্গে যুক্ত সেতুর পূর্ব পারে মাটি না থাকায় মাছুয়াপাড়া, ফকিরপাড়া, চককবির, দাউতপুর জাফরপুরসহ ১০ গ্রামের মানুষের যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আবার ¯œুইস গেটে পানিও ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। পূর্ব পারে মাটি ফেলে রাস্তার সঙ্গে সেতু সংযুক্ত করা হলে যাতায়াতে সুবিধাসহ ¯œুইস গেটটি কার্যকর হবে। চককবির গ্রামের বদিউজ্জামান ও আদর্শ কলেজপাড়ার জিয়াউর রহমান জানান, তিলাই খালের সেতুর সড়কের সঙ্গে যুক্ত না হওয়ায় স্থানীয়দের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। ওই ভাঙা অংশের কারণে কাঁধে সাইকেল নিয়ে সেতু পার হতে হয়। সুজাপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র মাহফুজ আলম বলেন, স্কুলে যাওয়ার পথে সেতুটি পার হতে হয়। সড়কের ভাঙা অংশ পার হতে হয় গাছের গুঁড়ির ওপর দিয়ে। এ ব্যাপারে ফুলবাড়ী উপজেলা (এলজিইডি) প্রকৌশলী শহিদুজ্জামান জানান, সেতুর পূর্ব পাড়ে মাটি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু গত বছর বন্যায় মাটি ধুয়ে খাল হয়ে গেছে। মাটি ভরাটে বরাদ্দের জন্য চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। অনুমোদনসাপেক্ষে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..