ডিজিটাল আইনে নিপীড়ন আরও বাড়বে

সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার সমাবেশে বক্তারা

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার বিক্ষোভ [ ছবি: রতন দাস ]
একতা প্রতিবেদক : ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বাতিল করে নতুন যে আইন হচ্ছে তা সাধারণ মানুষের তথ্য অধিকারে বিঘ্ন ঘটাবে, বাড়বে নিপীড়ন। গত ৪ ফেব্রুয়ারি বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ সমাবেশং অনুষ্ঠিত হয়। গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার নেতা মোশরেফা মিশুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) রাজেকুজ্জামান রতন, আবদুস সাত্তার, আকম জহিরুল ইসলাম, বাচ্চু ভুইয়া, হামিদুল হক। নেতৃবৃন্দ বলেন, আইসিটি অ্যাক্টের ৫৭ ধারার মাধ্যমে নিপীড়নের প্রতিবাদে সকল মহলের সমালোচনার মুখে সরকার এই ধারা বাতিল করার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর নামে ২৯ জানুয়ারি মন্ত্রী পরিষদ যে খসড়া পাশ করানো হয়েছে তাতে ১৭, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২ ধারা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ১৯টি ধারার মধ্যে ১৫টিই জামিন অযোগ্য, এর ফলে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের মাত্রা আরও বাড়বে। নেতৃবৃন্দ বলেন, এই আইন তথ্য অধিকার আইন, বাংলাদেশের সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি। বিশেষ ক্ষমতা আইন, সন্ত্রাস দমন আইন, আইসিটি অ্যাক্ট এর আওতায় বিরোধী মত যেভাবে দমন করা হয়েছে বর্তমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ তার চেয়েও দমনমূলক হবে। এই আইন দুর্নীতিবাজ, মৌলবাদ ও স্বৈরতন্ত্রের রক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করবে। অবিলম্বে এই আইন প্রণয়ন বন্ধ করার জন্য নেতৃবৃন্দ জোর দাবি জানান।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..