আন্দোলন-সংগ্রামে ২০১৭

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
লড়াই-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সাল জুড়েও রাজপথে সক্রিয় ছিল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। জনজীবনে সংকট নিরসন, গ্যাস বিদ্যুৎসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কমানো, শ্রমিকের নিম্নতম মজুরি আদায়ের দাবি, কৃষকের ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত, জাতীয় সম্পদ ও সুন্দরবন রক্ষা আন্দোলন, দুর্নীতি-লুটপাট-দখলদারিত্ব বন্ধ, সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদ, সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের প্রতিবাদসহ বিভিন্ন দাবিতে মিছিল-মানববন্ধন-সভা-সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছে সিপিবি ও তার গণসংঠনসমূহ। পাশাপাশি বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সাথে জোটবদ্ধ হয়েও বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন চালিয়েছে দলটি। এছাড়া মহাজোট-জোটের বাহিরে বাম গণতান্ত্রিক বিকল্প গড়ে তুলতে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার সঙ্গেও ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সংঘটিত হয়েছে। এর বাইরে অক্টোবর বিপ্লবের শতবর্ষ উদ্যাপনে সারাদেশে বছরব্যাপী বর্ণাঢ্য বহুমুখি কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বছর জুড়ে বামপন্থিদের এসব আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিগুলি সাপ্তাহিক একতার জন্য লিপিবদ্ধ করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সহ-সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন। সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রামে সিপিবি ও বামপন্থিরা ১ জানুয়ারি: সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংহতি দিবস পালন। পুষ্পমাল্য অর্পণ এবং আলোচনা সভা। ৫ এপ্রিল: ভারতের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রতিবাদে সিপিবি-বাসদ এর ঢাকায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ। ৭ ডিসেম্বর: জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে ট্রাম্প এর স্বীকৃতির প্রতিবাদে সিপিবি-বাসদ-গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ সমাবেশ, কুশপুত্তলিকা দাহ। ২০ ডিসেম্বর: জেরুজালেমকে ট্রাম্প কর্তৃক ইসরাইলের রাজধানী স্বীকৃতির প্রতিবাদে দেশব্যাপী সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার বিক্ষোভ সমাবেশ। ঢাকায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালিত। একই দাবিতে ছাত্র গণসংগঠন এবং ডঋঞট বাংলাদেশ শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জনজীবনে সংকট, গ্যাস বিদ্যুৎসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কমানোর দাবিতে সিপিবি ও বামপন্থিরা ২৭ জানুয়ারি - ১০ ফেব্রুয়ারি: সারাদেশে সিপিবির উদ্যোগে দাবিপক্ষ পালন করা হয়। দাবিপক্ষে কয়েকশত হাটসভা ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। ২৪ ফেব্রুয়ারি: গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সিপিবি-বাসদের বিক্ষোভ ও সমাবেশ। ২৮ ফেব্রুয়ারি: সিপিবি-বাসদ এর আহ্বানে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাকায় অর্ধদিবস হরতাল পালন। ১ মার্চ - ১৪ মার্চ: গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সিপিবি-বাসদের প্রতিরোধ পক্ষ পালন। ১৫ মার্চ: সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার উদ্যোগে গ্যাসের দাম কমানোর দাবিতে জ্বালানি মন্ত্রণালয় ঘেরাও। ৩১ মে: গ্যাসের বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের দাবিতে সিপিবি-বাসদের ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ। ৫ জুন: প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট প্রত্যাখান করে সিপিবি-বাসদের দেশব্যাপী প্রতিবাদ সমাবেশ। ৯ আগস্ট: ঘুষ দুর্নীতি, লুটপাট, দখলদারিত্ব অর্থ-পাচার এবং ব্যাংক ডাকাতির বিরুদ্ধে দেশব্যাপী সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার বিক্ষোভ ও সমাবেশ। কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ। ১৯ আগস্ট: নারী ও শিশু নির্যাতন খুন ধর্ষণ বর্বরতা ও বিচারহীনতার প্রতিবাদে সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার মিছিল ও সমাবেশ। ২৪ আগস্ট: ত্রাণ দাও, লুটপাট বন্ধ কর- এই দাবিতে ঢাকায় সিপিবি-বাসদ ও বাম মোর্চার বিক্ষোভ ও সমাবেশ। ১৭ সেপ্টেম্বর: গম কেলেংকারীর সাথে যুক্ত খাদ্যমন্ত্রীর অপসারণের দাবিতে সিপিবি-বাসদ ঢাকা কমিটির উদ্যোগে সমাবেশ ও বিক্ষোভ। ২৫ সেপ্টেম্বর: বিদ্যুৎ দাম কমানোর দাবিতে বিইআরসি এর সামনে সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল। ২৭ সেপ্টেম্বর: চালের দাম কমানো ও বিদ্যুৎ এর মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাকায় সিপিবি-বাসদ ও বাম মোর্চার বিক্ষোভ সমাবেশ। ৫ অক্টোবর: বিদ্যুতের এর দাম কমানোর গণশুনানীতে বিইআরসিতে বামপন্থি নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণ। ২২ নভেম্বর: বিদ্যুৎ এর দাম বৃদ্ধি পাঁয়তারা ও নিয়ন্ত্রণহীন দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাকায় সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার বিক্ষোভ সমাবেশ। ২৮ নভেম্বর: ঐ দাবিতে সিপিবি-বাসদ ও বাম মোর্চার আহ্বানে সারা দেশে অর্ধদিবস সফল হরতাল পালিত। শতাধিক নেতাকর্মী আটক। দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশী হামলা। ১৩ ডিসেম্বর: বিদ্যুতের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার, চাল, মরিচ, পিঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর দাবিতে সারাদেশে সিপিবি-বাসদ ও বাম মোর্চার উদ্যোগে অবস্থান, বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি পেশের কর্মসূচি পালন। ঢাকায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয়ের সামনে অবস্থান ও বিক্ষোভ। ২৭ ডিসেম্বর: ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চুরি, দুর্নীতি, অনিয়ম ও অর্থ পাচারের প্রতিবাদে সিপিবি-বাসদ ও বাম মোর্চার উদ্যোগে বাংলাদেশ ব্যাংক অভিমুখে বিক্ষোভ ও সমাবেশ। একই সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয় অভিমুখে মিছিল ও সমাবেশ। জাতীয় সম্পদ ও সুন্দরবন রক্ষা আন্দোলন ২০ জানুয়ারি: রামপাল প্রকল্পসহ সুন্দরবন বিনাশী তৎপরতা বন্ধের দাবিতে জাতীয় কমিটি কর্তৃক আহুত ঢাকায় অর্ধদিবস হরতালের সমর্থনে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে পদযাত্রা। ২৬ জানুয়ারি: উপরোক্ত দাবিতে তেল গ্যাস খনিজসম্পদ ও বিদ্যু বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি আহুত ঢাকায় অর্ধদিবস হরতাল। ২৫ ফেব্রুয়ারি: গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির উদ্যোগে অবস্থান কর্মসূচি এবং সারা দেশে রাজপথ ও মহাসড়কে অবস্থান কর্মসূচি। ১১ মার্চ: তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির উদ্যোগে দাম বৃদ্ধি ও সুন্দরবন বিনাশী রামপাল প্রকল্প বাতিলসহ ৭ দফা দাবিতে ঢাকায় মতবিনিময় সভা। ২০ এপ্রিল: সুন্দরবনবিনাশী রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিলের দাবিতে খুলনায় সুন্দরবন উপকূলীয় মানুষের মহাসমাবেশ। ১৩ মে: রামপাল প্রকল্প বাতিলের দাবিতে জাতীয় কমিটির বিক্ষোভ ও সমাবেশ। ১১ জুলাই: সুন্দরবন বিনাশী সকল প্রকল্প বাতিলের দাবিতে জাতীয় কমিটির দেশব্যাপী বিক্ষোভ ও সমাবেশ। “হাওর” আন্দোলনে সিপিবি ও বামপন্থিরা এবং গণসংগঠনসমূহের ভূমিকা ৮ এপ্রিল: হাওর অঞ্চলকে দুর্গত এলাকা ঘোষণার দাবিতে সিপিবির উদ্যোগে হাওর অঞ্চলের জেলাগুলোতে সমাবেশ, বিক্ষোভ ও ঘেরাও কর্মসূচি পালিত। একই দিবতে কৃষক ও ক্ষেতমজুর গণসংগঠনের যৌথ উদ্যোগে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল। ১৪ এপ্রিল: হাওরকে দুর্গত এলাকা ঘোষণার দাবিতে হাওর এলাকায় সিপিবির জনসভা। ৩ মে: সিপিবি-বাসদ নেতৃবৃন্দের হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন। ৭ মে: সিপিবি-বাসদের প্রতিনিধিদলের সংবাদ সম্মেলন। ২০ মে: সিপিবি-বাসদের উদ্যোগে ঢাকায় হাওর কনভেনশন। কনভেনশন হাওরের ২৪টি উপজেলার প্রায় শতাধিক প্রতিনিধির অংশগ্রহণ। ৯ জুলাই: জলমহাল ইজারা স্থগিত করে ভাসান পানিতে মাছ ধরার অধিকারের দাবিতে সিপিবি-বাসদের উদ্যোগে হাওরের ৭ জেলায় সমাবেশ ও বিক্ষোভ। ১০ জুলাই: কিশোরগঞ্জে সিপিবি-বাসদের উদ্যোগে হাওর কনভেনশন। ২৮ জুলাই: সিপিবি-বাসদের উদ্যোগে নেত্রকোণায় হাওর কনভেনশন। ১৫ অক্টোবর: হাওর ইজারা বাতিল করে জেলেদের মাছ ধরার অধিকারের দাবিতে ক্ষেতমজুর গণসংগঠনের দেশব্যাপী বিক্ষোভ। ছাত্র গণসংগঠনসমূহের তৎপরতা ৮ জানুয়ারি: পাঠ্যপুস্তক সাম্প্রদায়িকীকরণের প্রতিবাদে ছাত্র গণসংগঠনের উদ্যোগে শাহবাগে সংহতি সমাবেশ। ১৫ জানুয়ারি: পাঠ্যপুস্তক সাম্প্রদায়িকরণের প্রতিবাদে প্রগতিশীল গণসংগঠনসমূহের এনসিটিবি ঘেরাও ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত। ৩১ জানুয়ারি: পাঠ্যপুস্তক সাম্প্রদায়িকরণের প্রতিবাদে প্রগতিশীল গণসংগঠন সমূহের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচি। ৬ মার্চ: ছাত্র গণসংগঠনের উদ্যোগে ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে মিছিল ও সমাবেশ। ২-৩ এপ্রিল: ছাত্র গণসংগঠনের ৩৮তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ২৬ এপ্রিল: ছাত্র গণসংগঠনের ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন। ২৬ মে: সুপ্রিম কোর্টের সামনে থেকে ভাস্কর্য অপসারণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। ২০ জুলাই: ছাত্র গণসংগঠনের ঢাকা মহানগরীর সম্মেলন। ১৬ অক্টোবর: ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে ছাত্র গণসংগঠনের বিক্ষোভ ও সমাবেশ। ২৪ অক্টোবর: ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িতদের বিচারের দাবিতে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের বিক্ষোভ মিছিল। ১৩ ডিসেম্বর: ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে ছাত্র গণসংগঠনের উদ্যোগে উন্মুক্ত সংলাপ। গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র ৬ জানুয়ারি: মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গোল টেবিল বৈঠক। ১৭ মার্চ: গার্মেন্ট ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের জাতীয় সম্মেলন। ৬ অক্টোবর: মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ। ২৬ নভেম্বর: লাক্সমা গার্মেন্টস এর শ্রমিকদের বকেয়া বেতন আদায়ের জন্য বিজিএমইএ এর সামনে অবিরাম অবস্থান কর্মসূচি পালন। ২৯ ডিসেম্বর: ১৬০০০ টাকা নিম্নতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল ঢাকয় অনুষ্ঠিত হয়। ক্ষেতমজুর ও কৃষক গণসংগঠন ৪ জানুয়ারি: তেভাগা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে কৃষক ও ক্ষেতমজুর সংগঠনের যৌথ আলোচনা সভা ঢাকায়। ২৭ ফেব্রুয়ারি: ক্ষেতমজুর গণসংগঠনের উদ্যোগে সারা বছর কাজের নিশ্চয়তা ও পল্লী রেশনিং এর দাবিতে সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ ও স্মারকলিপি পেশ। ১২ মার্চ: গ্রামীণ বরাদ্দ লুটপাটের বিরুদ্ধে ক্ষেতমজুর সংগঠনের জেলায় জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ। ২১ এপ্রিল: তৃণমুল পর্যায়ে গ্রামীণ শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঢাকায় কৃষক ও ক্ষেতমজুর সংগঠনের যৌথ সভা। ১৫ অক্টোবর: হাওরে ইজারা বাতিল করে জেলেদের মাছ ধরার অধিকারের দাবিতে ক্ষেতমজুর সংগঠনের দেশব্যাপী বিক্ষোভ। ২২ অক্টোবর: চালের দাম কমাও– এই দাবিতে ক্ষেতমজুর গণসংগঠনের সারাদেশে বিক্ষোভ। ২৫ নভেম্বর: ফসলের লাভজনক দাম, ক্রয়কেন্দ্র চালু, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহযোগিতা, পল্লীবিদ্যুৎ ও ভূমি অফিসের অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে কৃষক সংগঠনের উদ্যোগে তেতুলিয়া-কক্সবাজার, রূপসা-পদ্মা কৃষকবন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। সাংস্কৃতিক আন্দোলন, সাংস্কৃতিক গণ সংগঠন ২৮ মার্চ: ঢাকায় তিনদিনব্যাপী সংস্কৃতি গণসংগঠনের গণসঙ্গীত উৎসব। ৮ এপ্রিল: পাঠ্যপুস্তকে হেফাজতিকরণের প্রতিরোধে উদীচীর গোলটেবিল আলোচনা। ১৩ সেপ্টেম্বর: জাতীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতি রক্ষা আন্দোলন ও পাঠ্যপুস্তকে সাম্প্রদায়িকরণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন। ১৭ সেপ্টেম্বর: শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী আগ্রাসন রুখে দাঁড়ানোর দাবিতে জাতীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতি রক্ষা আন্দোলনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি। ২৯ অক্টোবর: ঢাকায় সাংস্কৃতিক গণ সংগঠন উদীচীর সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠান। ২৮ ডিসেম্বর: উদীচীর তিনদিন ব্যাপী জাতীয় সাংস্কৃতিক উৎসবের উদ্বোধন। যুব আন্দোলন ২৪ মার্চ : ‘ঘুষ ছাড়া চাকরী চাই’ এই দাবিতে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান। ২০ এপ্রিল: ‘ঘুষ ছাড়া চাকরী চাই’ এই দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে যুব গণসংগঠনের বিক্ষোভ সমাবেশ। ১৪ অক্টোবর: রাশিয়ার সোচিতে ১৯তম বিশ্ব ছাত্র যুব উৎসবের উদ্বোধন। যুব গণসংগঠনের ৮৫ জনের প্রতিনিধি দলের অংশগ্রহণ। ৯ ডিসেম্বর: রেশনিং, টিসিবি, ন্যায্যমূল্যের দোকান ও গণবণ্টন ব্যবস্থা চালুর দাবিতে যুব গণসংগঠনের বিক্ষোভ সমাবেশ। হকার আন্দোলন ১৪ জানুয়ারি: হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ও বিক্ষোভ মিছিল। ২১ জানুয়ারি: হকার্স ইউনিয়নের সংবাদ সম্মেলন। ২ ফেব্রুয়ারি: জাতীয় প্রেসক্লাবে হকারদের সমাবেশ। ৯ ফেব্রুয়ারি: ঢাকায় হকারদের ভুখা মিছিল। শ্রমিক গণসংগঠন ৩ অক্টোবর: ঢাকায় ডঋঞট এর বাংলাদেশ শাখার সমাবেশ ও বিক্ষোভ। ২৩ অক্টোবর: ঢাকায় ‘শ্রমিক অধিকার সুরক্ষায় শ্রম আইন’ শীর্ষক আলোচনা সভা। অন্যান্য ২৭ জানুয়ারি: প্রগতি লেখক সংঘের ২য় জাতীয় সম্মেলন। ৩রা ফেব্রুয়ারি: ঢাকায় বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিসের) ৯ম জাতীয় সম্মেলন। ১০ মার্চ: খেলাঘরের জাতীয় সম্মেলন। রুশ বিপ্লবের শতবর্ষ উদ্যাপনে সিপিবি ও জাতীয় উদ্যাপন কমিটি রুশ বিপ্লবের শতবর্ষ উপলক্ষে সিপিবি’র উদ্যোগে যুব ক্যাম্প: ১৩ জুলাই: বরিশালে বিভাগীয় যুব কমিউনিস্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন। ১৫ সেপ্টেম্বর: মৌলভীবাজারে সিলেট বিভাগীয় যুব কমিউনিস্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন। ২১ সেপ্টেম্বর: চট্টগ্রাম বিভাগীয় যুব কমিউনিস্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন ২২ সেপ্টেম্বর: ময়মনসিংহে বিভাগীয় যুব কমিউনিস্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন। ৬ অক্টোবর: রাজশাহী বিভাগীয় যুব কমিউনিস্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন। ১৩ অক্টোবর: খুলনা বিভাগীয় যুব কমিউনিস্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন। ২৬ অক্টোবর: কুষ্টিয়ায় যুব ক্যাম্পের উদ্বোধন। ২৭ অক্টোবর: রংপুর বিভাগীয় যুব কমিউনিস্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন। দেশের ৫২টি জেলায় রুশ বিপ্লবের শতবর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে সমাবেশ, লাল পতাকা মিছিল, সেমিনারসহ নানা ধরণের কর্মসূচি পালন করা হয়। ৩-৪ জেলা ছাড়া প্রায় সকল জেলায়ই সিপিবি মুখ্য ভূমিকা পালন করে। ৬ অক্টোবর: রুশ বিপ্লবের শতবর্ষ উদ্যাপনে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন। শাহবাগে জাতীয় উদ্যাপন কমিটির সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ১১অক্টোবর: ছাত্র সংগঠনগুলোর উদ্যোগে রুশ বিপ্লবের শতবর্ষ উদ্যাপন। ১৩ অক্টোবর: প্রগতিশীল নারী সংগঠনসমূহের রুশ বিপ্লবের শতবর্ষ উদ্যাপন। ঢাকায় শোভাযাত্রা ও সমাবেশ। উদীচীর উদ্যোগে ঢাকায় রুশ বিপ্লবের শতবর্ষ উদ্যাপন। ১৯ অক্টোবর: কৃষক ও ক্ষেতমজুর সংগঠনসমূহের উদ্যোগে ঢাকায় রুশ বিপ্লবের শতবার্ষিকী উপলক্ষে সেমিনার। ২ নভেম্বর: শ্রমিক সংগঠনসমূহের উদ্যোগে রুশ বিপ্লবের শতবর্ষ উদ্যাপন। ৪-৬ নভেম্বর: সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহের উদ্যোগে তিনদিন ব্যাপী রুশ বিপ্লবের শতবার্ষিকী উদ্যাপন। ৭ নভেম্বর: ঢাকায় জাতীয় উদ্যাপন কমিটির আহ্বানে বিশাল লাল পতাকা মিছিল ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ। ১০ নভেম্বর: সিপিবি’র উদ্যোগে ঢাকায় রুশ বিপ্লবের শতবর্ষ উপলক্ষে ভারত, নেপাল এর প্রতিনিধিবৃন্দসহ দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদগণের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক সেমিনার। সিপিবি ও অন্যান্য কর্মসূচি ১ মার্চ- ৩১ মার্চ: সিপিবির প্রচার মাস ঘোষণা। এই মাসে দেশের বিভিন্ন জেলায় জনসভা। ৬ মার্চ: ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন। ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে লাল পতাকার মিছিল ও সমাবেশ। ১০ মার্চ: সিপিবি নারী সেল এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সমাবেশ ও র্যা লি। ১১ নভেম্বর: রংপুরে ঠাকুরপাড়ায় হিন্দুপল্লীতে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে সিপিবি-বাসদ-বাম মোর্চার বিক্ষোভ মিছিল। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের রংপুরের ঠাকুরপাড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..