বেহাল সোনাতলা ডাকঘর

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
বগুড়া সংবাদদাতা : বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা সদরের ডাকঘর দীর্ঘদিন থেকে বেহাল দশা হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় কর্মচারীরা আতঙ্কের মধ্যে কার্যক্রম করছেন। ডাকঘরটি সোনাতলা রেলস্টেশন ও অগ্রণী ব্যাংক সংলগ্ন। পোস্ট মাস্টারের বাস ভবন ও ডাকঘর একইসঙ্গে। পোস্ট মাস্টার আব্দুল জলিল জানিয়েছেন, ভবনের ছাদের নিচের প্লাস্টার ও মেঝের প্লাস্টার খুলে পড়ছে। এতে ছাদের রড বের হয়েছে। বৃষ্টি এলে মেঝেতে পানি পড়ে। ফলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন কর্মচারিরা। জানালা-দরজা ও আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে পড়েছে। স্থাপনকৃত লোহার গ্রিল কিংবা লোহার তৈরি যা কিছু রয়েছে তা রং বার্নিশ করা অভাবে দিনদিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কক্ষের ভেতর বেহাল দশার কারণে স্থাপনকৃত বিদ্যুতের তারগুলো লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থা হওয়ায় বৈদ্যুতিক পাখা খুলে রাখা হয়েছে। এদিকে ভবনের পশ্চিম পাশের সীমানা প্রাচীরের নীচের মাটি বৃষ্টির পানিতে ধ্বসে যাওয়ায় সেখানে ফাঁকা রয়েছে। পোষ্ট মাস্টারের বাস ভবনের অবস্থাও একই দশা। এরুপ অবস্থায় বসবাস করা নিরাপদ নয় বিধায় পোস্ট মাস্টার সেখানে অবস্থান করেন না। এ ডাকঘরে পোস্ট মাস্টার ও অপারেটরসহ ৬জন কর্মচারি কর্মরত রয়েছেন। প্রতিদিন এখানে বিভিন্ন এলাকার জনসাধারণ প্রয়োজনে আসেন। ডাকঘরটির অধীনে রয়েছে ১১টি শাখা ডাকঘর। এসব ডাকঘরের কর্মচারিরাও এখানে প্রয়োজনের তাগিদে আসেন। সকলেই এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কাজ করে থাকেন। পোস্ট মাস্টার আরো জানিয়েছেন, পুরো ভবনের বেহাল দশা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অনেকবার জানানো হয়েছে। এমনকি বগুড়ার ডেপুটি পোস্ট মাস্টার (জেনারেল) ছাড়াও অনেকে সরেজমিনে এসে ভবনের পরিস্থিতি দেখেছেন। তার পরও আজ পর্যন্ত এর কোনো সুব্যবস্থা হয়নি। বগুড়ার ডেপুটি পোস্ট মাস্টার (জেনারেল) মো. জিয়াউর রহমান জানিয়েছেন, সোনাতলা উপজেলা সদরের ডাকঘর ও পোস্ট মাস্টারের বাসভবন মেরামত/সংস্কার বিষয়ে ইতোমধ্যে ডাকঘর অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক ও পোস্ট মাস্টার (জেনারেল) রাজশাহী-এর কাছে চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে। শুধু সোনাতলায় নয়। সোনাতলার মতো সারাদেশে প্রায় ২২টি ডাকঘরের ঠিক একই দশা বা সমস্যা। এসব সমস্যা সমাধান হবে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..