শহীদ স্মৃতি শিশু একাডেমিটি এখন গণশৌচাগার!

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
কুমিল্লা সংবাদদাতা : কুমিল্লার মুরানগর উপজেলা সদরে অবস্থিত প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় তিন হাজার বর্গফুট আয়তনের তিনতলা বিশিষ্ট শহীদ স্মৃতি শিশু একাডেমিটি এখন প্রায় গণশৌচাগারে পরিণত হয়েছে। ব্যয়বহুল এ অডিটরিয়ামটি উদ্বোধনের পর থেকে অভিবাবকহীন হয়ে অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে আছে। সরেজমিনে জানা যায়, মুরাদনগর ডিআর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস, আর্দশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মুরাদনগরের একমাত্র খেলার মাঠ, নূরনন্নাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সাব-রেজিস্ট্রি আফিস, মুরাদনগর থানা এবং সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয় এতগুলো প্রতিষ্ঠানের মাঝে ১৯৮৯ সালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করে মুরাদনগর শহীদ স্মৃতি শিশু একাডেমি। নির্মাণ শেষে ৫/৬ বছর সেটির অবস্থা ভালো থাকলেও এর পর থেকে এটি খারাপ ছেলেদের আড্ডার ও নেশাখোরদের একটি নিরাপদ স্থান হিসেবে ব্যবহার হতো। বর্তমানে এই ভবনটির নেই কোনো দরজা জানালা এবং হল রোমের নেই কোনো চাল। বাহির থেকে দেখতে মনে হবে কোনো পরিত্যক্ত গুদাম ঘর। আর কাছে গেলে মনে হবে যেন পাবলিক টয়লেট। এটি হল মুরাদনগর উপজেলার শহীদ স্মৃতি শিশু একাডেমি অবস্থা। প্রশসানের অবহেলায় অব্যস্থাপনায় এটি এখন ঘন টয়লেট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এতগুলো প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এবং প্রশাসনের সামনে শিশুদের মেধাবিকাশের এই প্রতিষ্ঠানটি অবহেলায় ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় লোকদের সঙ্গে কথা বললে ব্যবসায়ী বাবুল মিয়া বলেন, আমাকে কিছু বলবেন না এটা আমাদের লজ্জার কথা, এই কথা বলে আমাদের অপমান করবেন না বলে আর কিছু বলতে চাননি। শহিদুল্লা স্যার বলেন, এটা আমাদের লজ্জার কথা, এটি তৈরি করা হয় ১৯৮৯ সালে। এরপর ৫/৬ বছর তা ঠিক ছিল এর পর থেকে এটি খারাপ ছেলেদের আড্ডার ও নেশার স্থান হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। এবং দরজা জানালা টিন খুলে নিয়ে গেছে। এটি এখন পরিত্যক্ত টয়লেট হিসেবে আছে। এভাবে স্থানীয় আরো অনেকের সাথে কথা হয় তারা দুঃখ ও খুব প্রকাশ করেন।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..