পাহাড় কেটে বানানো হচ্ছে বসতি

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেমন ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডস্থ সনদ্বীপ কলোনিতে সরকারি পাহাড় বিক্রির ব্যবসা জমজমাট হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন প্রকাশ্য দিবালোকে পাহাড়ের পাদদেশ ও চুঁড়া কেটে বানানো হচ্ছে অবৈধ বসতি। ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে অন্তত তিনশত পরিবার। পাহাড়ে বেড়ে উঠা মূল্যবান গাছ কেটে দিনদুপুরে পাচার করছে দুর্বৃত্তরা। বিভিন্ন সময় পাহাড় কাটতে গিয়ে মাটিতে চাপা পড়ে ও পাহাড় ধসে মারা গেছে অন্তত ১০জন। লাগামহীম পাহাড় কাটা ও জ্যামিতিক হারে অবৈধ বসতি স্থাপন বন্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে এখানকার পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। জানা যায়, সনদ্বীপ কলোনিতে রয়েছে সন্দ্বীপ কলোনি, হাতিয়া কলোনি, আমতলি, বাইল্যাছড়ি, পুলেরগোড়া, তালতলি ও আদর্শপাড়া। পাহাড় ঘেরা ৫শত একর বিশিষ্ট সনদ্বীপ কলোনি এলাকায় রয়েছে ১২ থেকে ১৩টি পাহাড়। এর মধ্যে ব্যক্তি মালিকানায় প্রায় ৩শত একর, বাকিগুলো সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত। ১৯৭৩ সালের দিকে দক্ষিণ হাতিয়ার কূলভাঙ্গা ১৫ থেকে ২০ পরিবার সর্বপ্রথম এ এলাকায় বসতি শুরু করে। পাহাড় সংলগ্ন অসংখ্য টিলা থাকলেও বসতি বেড়ে বর্তমানে টিলা ও পাহাড় দখল করে এসব এলাকায় প্রায় ৩হাজার পরিবারের অন্তত পনের হাজার মানুষ বাস করছে। সমতল ভূমিতে সময়ের সাথে জায়গার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এসব পাহাড়ের দখল স্বত্ব বিক্রির ব্যবসা বেশ জমে উঠেছে। প্রতি ২শতক জায়গা বিক্রি হচ্ছে ২০ হাজার থেকে ৫০হাজার টাকায়। পাহাড়ের দখল স্বত্ব বিক্রির সাথে জড়িতদের মধ্যে রয়েছে সুমন, ভুট্টো, হাসান, মিজান, শুক্কুর, মোশারফসহ আরো বেশ কয়েকজন। স্ট্যাম্পমূলে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন দলিল পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেখানে সুমন এর ভাই মোহাম্মদ নিজাম বিভিন্ন জনের নিকট ‘পাহাড় ভূমি দখল হস্তান্তর দলিল’ নামে পাহাড়ের অংশ বিক্রি করেছেন যার অধিকাংশ ৪০ হাজার, ৫০হাজার কিংবা ৬০হাজার টাকায়। সরেজমিন সন্দ্বীপ কলোনির বিভিন্ন পাহাড় ঘুরে দেখা যায়, বাইল্যাছড়িতে পাহাড়ের গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..