শহীদ নূর হোসেন-টিটো দিবস পালিত

‘রাজাকার-স্বৈরাচারকে সঙ্গে নিয়ে গণতন্ত্র হয় না’

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম এক বিবৃতিতে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনের শহীদ নূর হোসেন ও আমিনুল হুদা টিটোসক সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, যে স্বপ্ন নিয়ে নূর হোসেন, সৈয়দ আমিনুল হুদা টিটোসহ অসংখ্য মানুষ স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, সেই স্বপ্ন পূরণ দূরে থাক, দেশ এখন সেই তার বিপরীত দিকে চলছে। স্বাধীনতার পাঁচ দশকেও দেশবাসী এখনো প্রকৃত গণতন্ত্রের স্বাদ পায়নি। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, গণআন্দোলনের ভেতর দিয়ে অর্জিত ন্যূনতম ভোটের অধিকারও কেড়ে নেয়া হয়েছে। পতিত স্বৈরাচারকে সাথে নিয়ে সরকার উন্নয়নের তকমা হাজির করে গণতন্ত্রহীনতার পক্ষে কথা বলছে। অন্যদিকে ’৭১-এর ঘাতক চরম ফ্যাসিস্ট জামাতকে সাথে নিয়ে বিএনপি গণতন্ত্র রক্ষার বুলি আওড়াচ্ছে। সিপিবি নেতৃবৃন্দ বলেন, রাজাকার আর স্বৈরাচারকে সাথে নিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা যায় না। তারা শহীদ নূর হোসেন-টিটোদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে বাম-প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তিসমূহের বিকল্প শক্তি সমাবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এদিকে শহীদ নূর হোসেন ও শহীদ আমিনুল হুদা টিটো দিবস উপলক্ষে গত ১০ নভেম্বর সকাল ৮টায় রাজধানীর শহীদ নূর হোসেন স্কয়ারে (জিরো পয়েন্ট) পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। সেখান থেকে ফিরে পরে মুক্তিভবনের সিপিবি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শহীদ সৈয়দ আমিনুল হুদা টিটোর প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়। ক্ষেতমজুর সমিতির শ্রদ্ধা: স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনের শহীদ আমিনুল হুদা টিটোর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি। এর আগে সংগঠনটির সভাপতি সোহেল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রেজা এক বিবৃতিতে বলেন, শহীদ টিটোর আত্মদান বৃথা যাবে না। দেশের কোটি কোটি ক্ষেতমজুর, গ্রামীণ মজুর ও সাধারণ মানুষের সার্বিক মুক্তির মাধ্যমেই শহীদ টিটোর আত্মদান স্বার্থক হবে। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর ঢাকা অবরোধের প্রাক্কালে স্বৈরাচার এরশাদের পেটোয়া পুলিশ বাহিনীর গুলিতে টিটো শহীদ হন। হত্যার পর পুলিশ তার লাশটিও গুম করে ফেলে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..