প্রশ্নফাঁসে বাকি রইল পিইসি!

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : এর আগে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় ভতি পরীক্ষা থেকে শুরু করে এসএসসি, এইচএসসি এমনকি বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছিল। বাকি ছিল অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষার প্রশ্নপত্র। এবার তারও অভিযোগ উঠল। এর পর তো আর কিছু বাকি নেই, শুধু প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা ছাড়া। শিশুদের অভিবাবকরা এখন থেকেই চিন্তিত এ নিয়ে। তবে কি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ধারাবাহিকতা এভাবে চলতেই থাকবে? গত ১ নভেম্বর থেকে সারা দেশে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এ দিন থেকেই এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পরীক্ষার আগেই ফেসবুক এবং হোয়াট্স অ্যাপ গ্রুপে পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। গত ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের পরীক্ষা। এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও পাওয়া গেছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে গত ৯ নভেম্বর সকাল পৌনে ৯টায় গিয়ে দেখা যায়, পেছনের গেইটের পাশের চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে ৪/৫জন শিক্ষার্থী তাদের স্মার্টফোনে কী জানি খুঁজছেন। জানতে চাইরে কিশোররা সরলভাবে জানায়, তারা প্রশ্ন খুঁজছেন। কিছুক্ষণ পর এই পরীক্ষার্থীদের চোখেমুখে খুশিখুশিভাব ফুটে ওঠে। জানা গেল, প্রশ্ন পেয়েছেন তারা, সঙ্গে উত্তরও রয়েছে। পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া এ প্রশ্ন- উত্তর অনেক শিক্ষার্থীকে কাগজে ও হাতে লিখে নিতে দেখা যায়। সন্তানের জন্য বেআইনিভাবে এই প্রশ্ন পেতে কয়েকজন অভিভাবককেও তৎপর দেখা যায়। এ প্রশ্ন পরীক্ষায় আসবে কি না- এ প্রশ্নের জবাবে এক শিক্ষার্থী বলেন, ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষার প্রশ্ন তো মেসেঞ্জারে পেয়েছি। ওগুলো সব তো কমন পড়েছে। এটাও কমন পড়বে। শেরে বাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের এক পরীক্ষার্থীর মা নিলুফার আক্তার বলেন, প্রতিদিনই তো প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে। অনেক বাচ্চাদের দেখা যায়, ৯টার পর থেকেই ওরা মোবাইল ফোনে প্রশ্ন দেখতে থাকে। এভাবে এক শিক্ষার্থী থেকে আরেক শিক্ষার্থীর হাতে চলে যায় এ প্রশ্ন। এক পরীক্ষার্থী জানান, কোচিং সেন্টার থেকে পাচ্ছেন জেএসসির প্রশ্ন। কোচিংয়ের ভাইয়ারা তো এসএসসির প্রশ্নও দিছেন। ওগুলো তো সব পরীক্ষায় আসছে। সবার রেজাল্ট ভালোও হয়েছে। এজন্যই তো প্রশ্ন নিচ্ছি। কয়েকজন অভিভাবকও বলেন, তারা এ প্রশ্নগুলো মেসেঞ্জার, হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে পাচ্ছেন তাদের কোচিং সেন্টারের শিক্ষকদের কাছ থেকে। তথ্য-প্রমাণসহ বিষয়টি শিক্সাবোর্ডকে জানানো হলে তাঁরা বিটিআরসিতে যোগাযোগ করেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই ঞয়নি। পরের পরীক্ষার প্রশ্নও ফাঁস হয়।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..