রোহিঙ্গা বসতিতে পাহাড়ের অপূরণীয় ক্ষতি

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
কক্সবাজার সংবাদদাতা : কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ সড়ক। দু’পাশে যতদূর চোখ যায় দেখা গেল অসংখ্য ঝুপড়ি ঘর। কালো রঙের পলিথিন দিয়ে বানানো। পাহাড় কেটে, ধাপে ধাপে গড়ে ওঠেছে এসব ঝুপড়ি। সবুজ পাহাড়-বনাঞ্চল উধাও। মনে হলো সবুজ পহাড়ের পিঠে কালো আলকাতরা ঢেলে দিয়েছে কেউ। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নিপীড়ন ও নির্যাতনের হাত থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা কোনোরকমে মাথা গোঁজার জন্য গড়ে তুলেছে এই ঝুপড়ি। বন বিভাগের হিসাব অনুযায়ী এ আবাসনের জন্য কাটা পড়েছে পায় সাড়ে ৪ হাজার একর এলাকার পাহাড়। এভাবে পাহাড় কর্তন ও বনাঞ্চল উজাড়ে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটু ভাুর বৃষ্টিপাত হলেই ধস নামতে পারে পাহাড়। হতাহত হবে বহু মানুষ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাকসুদ কামাল বলেন, ‘মানবিক কারণে আমরা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি। কিন্তু পাহাড়গুলো কেটে তারা যে আবাসস্থল বানাচ্ছে তাতে আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। একসময় হয়তো রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হবে, নতুন করে হয়তো গাছও লাগানো যাবে, কিন্তু পাহাড়গুলোর ক্ষতি আর পূরণ করা যাবে না।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..