অক্টোবর বিপ্লব

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

কবীর চৌধুরী : রুশ বিপ্লবের সত্তরতম বার্ষিকী উপলক্ষে ১৯৮৮ সালে ‘বজ্রে বাজে বাঁশী’ প্রবন্ধ সংকলনে লেখাটি প্রকাশিত হয়। এ বছর রুশ বিপ্লবের শততম বার্ষিকী উপলক্ষে সাপ্তাহিক একতায় লেখাটি পুনঃপ্রকাশিত হল (গত সংখ্যার পর) গত কয়েক বছর সোভিয়েত ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি অ-রুশ প্রজাতন্ত্রের একাধিকবার ব্যাপক ভ্রমণের সুযোগ আমার ঘটেছে। আমি তাশখন্দ, সমরখন্দ, বোখরা, খিবা, ফ্রঞ্জে ও বাকুতে যৌথ কৃষি খামার, শিল্প কমপ্লেক্স, বিজ্ঞান একাডেমী, বিশ্ববিদ্যালয়সহ নানা উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গবেষণা সংস্থা, নাট্যমালা ও সঙ্গীত ভবনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থা, স্বাস্থ্য নিবাস ও শিশু বিদ্যালয় প্রভৃতি ঘুরে দেখেছি। বিপ্লবপূর্ব জার-শাসনামলে এইসব অঞ্চলের সাধারণ মানুষ অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্টের মধ্যে দিন কাটাতো। সাক্ষরতার হার ছিলো শতকরা দুই কিংবা তিন, কোথাও কোথাও আরো কম, অনেক অঞ্চলে নিজেদের কোনো লিপি বা বর্ণমালা পর্যন্ত ছিলো না, সর্বত্র বিরাজ করতো নিষ্ঠুর শোষণ, ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কারের আধিপত্য। অক্টোবর বিপ্লবের পর মাত্র কয়েক দশকের মধ্যে সেখানে সমাজতান্ত্রিক জীবনাদর্শ বাস্তবায়নের ফলে ওইসব অঞ্চলের মানুষেরা শুধু জাগতিক সাফল্যের মুখ দেখেনি, মানসিক তথা সাংস্কতিক ক্ষেত্রে অভিনন্দনযোগ্য ও ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। অক্টোবর বিপ্লব বার্ষিকী উদযাপন করার সময় এ-সব বিষয় অনিবার্যভাবে আমাদের মনে পড়ে। অক্টোবর বিপ্লবের চতুর্থ বাষির্কীর অল্পকাল আগে লেনিন বলেছিলেন, “ওই মহান দিবসটি যতোই দূরবর্তী হচ্ছে, ততোই স্পষ্টভাবে রাশিয়ার প্রলেতারীয় বিপ্লবের তাৎপর্যকে আমরা দেখতে পাচ্ছি এবং সামগ্রিকভাবে আমাদের কাজকর্মের বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ততোই গভীরভাবে আমরা চিন্তা-ভাবনা করতে পারছি।” লেনিনের সেই উক্তি আজ যেন আরো অর্থপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অক্টোবর বিপ্লবের প্রস্তুতি পর্বে কিছু কিছু তত্ত্বের উপস্থাপন, উপলব্ধি ও সংগ্রামী রাজনৈতিক দল কর্তৃক তার প্রয়োগের ইতিহাস আমাকে বিশেষভাবে আর্ষণ করে। সেদিন রাশিয়ার জাগ্রত শ্রমিক শ্রেণির পক্ষেই সম্ভব ছিলো, বলশেভিক পার্টি নেতৃত্বে, স্বৈরতন্ত্রকে আক্রমণ করার জন্য সমুদ্যত শোষিত জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি দুর্জয় বৈপ্লবিক শক্তিতে পরিণত করা। ১৯১৭ সালে রাশিয়ার প্রলেতারিয়েত ছিলো দেশের গোটা জনসমষ্টির মাত্র ১০ শতাংশের মতো, কিন্তু লেনিন বুঝেছিলেন এবং দ্বিধাহীনভাবে বলেছিলেন, “যে কোনো পুঁজিবাদী দেশে প্রলেতারিয়েতের শক্তি, মোট জনসংখ্যার যে-অনুপাতের সে প্রতিনিধিত্ব করে তার চাইতে অনেক বেশি।” তিনি আরো লিখেছিলেন, “তার কারণ, প্রলেতারিয়েত পুঁজিবাদের সমগ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কেন্দ্র ও স্নায়ুর উপরে অর্থনৈতিকভাবে প্রাধান্য বিস্তার করে এবং প্রলেতারিয়েত পুঁজিবাদের অধীনে শ্রমজীবী জনগণের ব্যাপকতম সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের প্রকৃত স্বার্থ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে ব্যক্ত করে।” অক্টোবর বিপ্লবের অব্যবহিত পূর্ব সময়ে আমরা উপরোক্ত তত্ত্বের সত্যতা ও বাস্তব প্রয়োগ লক্ষ্য করি। রাশিয়ার প্রলেতারিয়েত অগ্রণী বিপ্লবী শ্রেণি হিসাবে জারতন্ত্র ঐ পুঁজিবাদের বিরোধী সকল শক্তির নেতা রূপে এগিয়ে এলো। তাদের সঙ্গে যোগ দিল কৃষকদের দরিদ্রতম অংশ এবং শহুরে ছোট দোকানদার, কারিগর, নীচু পদের অফিস কর্মচারী প্রভৃতি অপ্রলেতারীয়বর্গ। প্রধান প্রধান শিল্পাঞ্চল বাপক ধর্মঘট আন্দোলনের মাধ্যমে সেদিন বিপ্লব তার সম্মুখযাত্রা অব্যাহত রেখেছিলো। ১৯৭১ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে প্রায় ৭ লক্ষ শ্রমিক ধর্মঘট করেছিলো। ১৮ ফেব্রুয়ারি তারিখে পুতিলভ কারখানায় বড় আকারের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মঘট শুরু হয়। পেত্রগ্রাদে গোটা শ্রমশক্তির প্রায় অর্ধেক প্রায় দু’লক্ষ শ্রমিক, কাজ বন্ধ করেছিলো। দেখতে দেখতে পেত্রগ্রাদের কর্মবিরতি রূপ নেয় এক সর্বব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটে। সংঘর্ষ বাধে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে। এবং এর সূত্র ধরেই ধর্মঘট পরিণত হয় জারতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক সশস্ত্র অভ্যূত্থানে। আজ অক্টোবর বিপ্লবের ৭০তম বার্ষিকী উদযাপন করতে গিয়ে এই ইতিহাসের আলোচনা আমার কাছে বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক মনে হয়। আমাদের চেতনায় তীব্রভাবে ধরা পড়ে কীভাবে ১৯১৭ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে উপরোক্ত অভ্যূত্থান প্রায় সারা পেত্রগ্রাদে ছড়িয়ে পড়ে, কীভাবে সেই বিকালেই পেত্রগ্রাদ গ্যারিসনের প্রায় ষাট হাজার সৈনিক এসে শ্রমিকদের সঙ্গে যোগ দেয়, কীভাবে তারা একত্রে দখল করে নেয় রেল স্টেশন, ডাক ও তার অফিস, নেভা নদীর সেতুগলি এবং পিটার ও পল দুর্গ, মুক্তি দেয় সকল রাজবন্দিকে, গ্রেপ্তার করে জারের মন্ত্রীদের। বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় আগত প্রায়। সাম্প্রতিককালে পশ্চিমের কিছু কিছু ইতিহাসবেত্তা একটা ভাষ্য নির্মাণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। তাঁদের মতে জার স্বৈরতন্ত্রের অন্তর্নিহিত দুর্বলতার কারণে ‘নিজ থেকেই’ তার পতন ঘটে। ইতিহাসের এই ব্যাখ্যা অযথার্থ। এ-সম্পর্কে লেনিনের মূল্যায়ন ছিলো নিম্নরূপ : ‘রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতিগ্রস্ত যে স্বৈরতন্ত্র নাছোড়বান্দা হয়ে রাষ্ট্রকে আঁকড়ে ছিল এবং রাষ্ট্রদেহের গভীরে বেড়ে উঠেছিলো, তাকে উচ্ছেদ করার জন্য দরকার হয়েছিল সংগঠিত জনসাধারণের শক্তি। এই শক্তি ছিলো প্রলেতারিয়েত, জনগণের বিপুল অংশকে তা কর্ম তৎপরতায় উদ্বুদ্ধ করেছিলো।” অক্টোবর বিপ্লবের আন্তর্জাতিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা আজ অনাবশ্যক। বিশ্বের বহু দেশ ও জাতির উপর এই বিপ্লব যেরকম প্রবল অভিঘাত ফেলেছে সেরকম আর কোনো ঘটনাই ফেলেনি। এই বিপ্লব থেকে অনুপ্রেরণা ও শিক্ষাগ্রহণ করে, পরোক্ষ অথবা প্রত্যক্ষভাবে, বহু নিপীড়িত জাতি ঔপনিবেশিকতার শৃঙ্খল ভাঙার যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, স্বাধীন হয়েছে এবং এখন রত রয়েছে নতুন সমাজতান্ত্রিক জীবন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার কঠিন কাজে। আজ বিশ্বের সর্বত্র পুঁজিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রামের চূড়ান্ত লগ্নে অক্টোবর বিপ্লবের স্মৃতি সকল মুক্তিকামী মানুষের অন্যতম অনুপ্রেরণার উৎস। কিন্তু অক্টোবর বিপ্লব ও সেই বিপ্লবের প্রত্যক্ষ ফসল বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন সম্পর্কে, মরণোন্মুখ পুঁজিবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী মহলের মিথ্যা প্রচার আজও, সেই প্রথম দিনের মতোই, অব্যাহত রয়েছে। অক্টোবর বিপ্লবকে হেয় প্রমাণ করার জন্য, বিপ্লব জয়যুক্ত হবার পরই, বুর্জোয়া দেশগুলির শাসক মহল ব্যাপক হারে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়েছিলো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানিসহ প্রায় সমস্ত পুঁজিবাদী পাশ্চাত্য রাষ্ট্রসমূহ সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রের ভয়বাহ পরিস্থিতি সম্পর্কে নিজেদের সংবাদপত্রে নানান অবাস্তব আষাঢ়ে কুৎসাপূর্ণ মিথ্যা কাহিনি প্রচার করতে থাকে। ১৯২০ সালে মার্কিন সাংবাদিক নিবন্ধকার ওয়াল্টার লিপম্যান ও চার্লজ মের্জ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেছিলেন। তাতে তারা দেখিয়েছিলেন যে “দি নিউ ইয়র্ক টাইমস” সংবাদপত্রটি ১৯১৭ সালের নভেম্বর থেকে ১৯১৯ সালের নভেম্বরের মধ্যে ৯১ বার সোভিয়েত ক্ষমতা ভেঙে পড়ার খবর দিয়েছিলো। (কৌতহলোদ্দীপক বিষয় এই যে পরে লিপম্যান ও মের্জ উভয়েই কিন্তু ‘নিই ইয়র্ক টাইমস’- এর সম্পাদকীয় বিভাগে যোগ দেন।) অক্টোবর বিপ্লবের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কল্পনাপ্রসূত অপপ্রচার প্রসঙ্গে একটি ভিন্নতর স্রোতও অবশ্য আমাদের দৃষ্টি আকর্ষন করে। সেদিন কতিপয় সাহসী, সৎ ও নিরপেক্ষ সাংবাদিক-পর্যবেক্ষক বিশ্বের ওই অসামান্য ঘটনা সম্পর্কে সত্য তথ্য প্রচার করেছিলো। তাদের ভাগ্যে জুটেছিলো পশ্চিমী পুলিশের হাতে নির্যাতন ও বিচার বিভাগীয় নিগ্রহ। প্রত্যক্ষদর্শী যারা রাশিয়ায় প্রলেতারিয়েতের বিজয় সম্পর্কে সত্য কথা বলেছিলো তাদের বিচার করার জন্য মার্কিন সিনেট একটি বিশেষ কমিশন গঠন করেছিলো। ওই কমিশন বিশ্ববিখ্যা “দুনিয়া কাঁপানো দশদিন” গ্রন্থের লেখক জন রীড, সাংবাদিক এ্যালবার্ট রীস উইলিয়ামস, রাশিয়ায় মার্কিন রেডক্রস প্রধান কর্নেল রেমন্ড রবিনস ও সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাগত কতিপয় মার্কিন নাগরিকের বিচার করেছিলো। এ প্রসঙ্গে ফরাসি সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জাক সাদুর কথাও আমার মনে পড়ছে। তিনি ১৯১৭ সালের সেপ্টেম্বরে ফরাসি সামরিক মিশনের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক রূপে রাশিয়ায় আসেন। রাশিয়ায় বীরত্বপূর্ণ বিপ্লবী ঘটনাবলি তাঁকে প্রবলভাবে আন্দোলিত করে। তিনি এই বিপ্লব সম্পর্কে সততা ও সাহসিকতার সঙ্গে সত্য ঘটনা তুলে ধরেন। এই অপরাধে ফরাসি সরকার তাঁর অনুপস্থিত অবস্থাতে তাঁকে তিনবার মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। অক্টোবর বিপ্লব তাঁকে কী রকম আলোড়িত করেছিলো তার পরিচয় পাওয়া যায় তাঁর একটি লেখায়। তিনি লিখেছিলেন, “শ্রমিক ও কৃষকদের রাশিয়ার ব্যাপারে মিত্র পরীক্ষায় দস্যু ও তাদের অনুচরদের সশস্ত্র হস্তক্ষেপকে কোনো অবস্থাতেই ফরাসি ও রুশ জনগণের মধ্যে যুদ্ধ বলে অভিহিত করা যায় না। এ হল প্রলেতারিয়েতের বিরুদ্ধে বুর্জোয়া শ্রেণির, শোষিতদের বিরুদ্ধে শোষকদের যুদ্ধ। এই শ্রেণি সংগ্রামে প্রতিটি অকৃত্রিম সমাজতন্ত্রীর স্থান, এবং ফলত আমার স্থান, বুর্জোয়াশ্রেণির বিরুদ্ধে প্রলেতারীয় বাহিনীর মধ্যে। আমি লাল ফৌজে যোগদান করেছি।” পুঁজিবাদী, নয়া উপনিবেশবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী মহলে অক্টোবর বিপ্লবের অবমূল্যায়ন আজো অব্যাহত রয়েছে, কিন্তু তা আর বিশ্বমতকে প্রভাবিত করতে পারছে না। সমাজতন্ত্র অভিসারী দেশ ও রাষ্ট্রের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। পূর্ব ইউরোপ ও ল্যাটিন আমেরিকার কথা বাদ দিয়ে, শুধু এশিয়া ও আফ্রিকার সমাজতন্ত্রমুখীন রাষ্ট্রগুলির বিস্তৃতিই আশির দশকের প্রথম দিকে ছিলো এক কোটি বিশ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে, আর তাদের জনসংখ্যা ছিলো ১৫ কোটির উপর। ১৯১৭ সালের ২৩ অক্টোবর সকালে পেত্রগ্রাদে সোভিয়েতের সংবাদপত্র রাবোটিই সোলদাৎ-এ লেনিনের লেখা “রাশিয়ার নাগরিকদের প্রতি” এই শিরোনামে একটি ঐতিহাসিক আহ্বান প্রকাশিত হয়। তাতে বলা হয় : “ যে লক্ষ্যের জন্য জনগণ সংগ্রাম করেছে, যেমন অবিলম্বে গণতান্ত্রিক শান্তির ব্যবস্থা, ভূমি মালিকানা বিলুপ্তি, উৎপাদনের উপর শ্রমিকদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং সোভিয়েত শাসন প্রতিষ্ঠা করা– তা নিশ্চিত করা হয়েছে। শ্রমিক, সৈনিক ও কৃষকদের বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক।” সোভিয়েত ইউনিয়নে লেনিন উচ্চারিত লক্ষ্যাবলি বহু আগেই অর্জিত হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশেও আজ ওইসব লক্ষ্যের সঙ্গে সুসামঞ্জস্য জীবন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অক্টোবর বিপ্লব সন্দেহাতীতভাবে, তর্কাতীতভাবে, সমগ্র মানবজাতির জীবনে এক নতুন যুগের সূচনা করেছে। এই যুগ হচ্ছে বৈপ্লবিক রূপান্তরীকরণের যুগ, পুঁজিবাদ থেকে সমাজতন্ত্র, এবং সমাজতন্ত্র থেকে সাম্যবাদে উত্তরণের যুগ। আজ অক্টোবর বিপ্লবের ৭০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বিশ্বের সকল মুক্তিকামী প্রগতিশীল সমাজতন্ত্রমুখী মানুষের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে আমরাও বলি, “দীর্ঘজীবী হোক মহান অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব।”

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..