আফগানদের ফেরত পাঠানো বন্ধ করুন : অ্যামনেস্টি

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা বিদেশ ডেস্ক : আফগান নাগরিকদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া বন্ধ করতে ইউরোপের দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। তাদের আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত করেছিল ইউরোপীয় দেশগুলো। ‘বিতাড়ণের (আশ্রয়প্রার্থী) সংখ্যা বাড়াতে দৃঢ়সংকল্প ইউরোপীয় সরকারগুলো অবৈধ ও বেপরোয়া নীতি বাস্তবায়ন করছে,’ বলেন অ্যামনেস্টির শরণার্থী ও অভিবাসী অধিকার বিষয়ক গবেষক আনা শেয়া। ৪ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই মন্তব্য করেন তিনি। শেয়া বলেন, আফগানিস্তানে সহিংসতা যে রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে সে ব্যাপারে ‘ইচ্ছে করেই চোখ বন্ধ’ করে রেখেছে ইউরোপীয় সরকারগুলো। দেশটিতে শান্তি ও স্থিতাবস্থা ফিরে না আসা পর্যন্ত আফগানদের তাদের দেশে ফেরত না পাঠানোর অনুরোধ করেছে অ্যামনেস্টি। সাম্প্রতিক সময়ে আফগানিস্তানে তালেবানের শক্তি বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষিতে এই আহ্বান জানালো মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি। সম্প্রতি রাজধানী কাবুলেও বেশ কয়েকটি আত্মঘাতী হামলার ঘটনা ঘটেছে। জাতিসংঘের হিসেবে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে আফগানিস্তানে বিভিন্ন হামলায় কমপক্ষে ১,৬৬২ জন সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছে। এই সময়ে আহত হয়েছেন সাড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষ। হতাহতদের মধ্যে প্রায় ২০ শতাংশ কাবুলে হামলার ঘটনার শিকার হয়েছেন। অ্যামনেস্টির গবেষক শেয়া জানান, ইউরোপ থেকে আফগানদের ফেরত পাঠানোর সংখ্যা সাম্প্রতিক সময়ে বেশ বেড়েছে। অ্যামনেস্টি বলছে, ২০১৫ ও ২০১৬’র মধ্যে এই সংখ্যা তিনগুণ বেড়ে ৩,২৯০ থেকে ৯,৪৬০ হয়েছে। ‘বিদেশি সহায়তার উপর নির্ভরশীল’ হওয়া সত্ত্বেও আফগান সরকারের উচিত মানুষ ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ায় সহায়তা না করা, বলছে অ্যামনেস্টি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান বিষয়ক সংস্থা ইউরোস্ট্যাট বলছে, জুন পর্যন্ত তার আগের ১২ মাসে এক লক্ষ আট হাজার ৫৫ জন আফগান নাগরিকের নাম ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে। সংখ্যার বিচারে এক্ষেত্রে আফগানদের চেয়ে এগিয়ে আছে একমাত্র সিরীয়রা।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..