দাম কম হওয়ায় পাটচাষিরা হতাশ

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা : কুষ্টিয়ায় দাম কম হওয়ায় লোকসানে পড়েছেন এখানকার পাটচাষিরা। ফলে তারা পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন। জেলা পাট অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য মতে, এবার কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ছয় হাজার ৪৪৬ একর, মিরপুরে ২১ হাজার ৭৩৬ একর, ভেড়ামারায় ১০ হাজার ৮৬৮ একর, কুমারখালীতে ১৩ হাজার ৩৩৮ একর, খোকসায় নয় হাজার ৩৮৬ একর এবং দৌলতপুর উপজেলায় ৪১ হাজার ৯৯০ একর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। মিরপুর উপজেলার ধুবইল গ্রামের পাটচাষি আবদুল জলিল বলেন, ‘তিন বিঘা জমিতে পাটের আবাদ করেছি। শ্রমিকের মজুরি, পাটের জমি চাষ, বীজ কেনা, সেচ দেওয়া, আগাছা পরিষ্কার, পাট কাটা ও জাগ দেওয়া, আঁশ ছড়ানো, শুকিয়ে বাজারজাত করাসহ সবকিছু মিলে বিঘা প্রতি ৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে তার। কিন্তু পাটের ফলন আর দাম দেখে আসল টাকা ঘরে উঠবে কিনা সেটাই এখন ভাবার বিষয়। শ্রমিকের মজুরিও বেড়েছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা।’ ভেড়ামারার চাঁদগ্রামের কৃষক নান্টু মোল্লা বলেন, ‘সামনের বছর আর পাট আবাদ করব না। কারণ এ চাষে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। সেই তুলনায় দাম অনেকটাই কম।’ তার দাবি পাটের দাম মণপ্রতি কমপক্ষে ১৮০০ থেকে ২০০০ হাজার টাকা হলে কৃষক লাভবান হবে। কুষ্টিয়া জেলা পাট কর্মকর্তা সোহরাব উদ্দিন বিশ্বাস জানান, পাটের দর সরকারিভাবে নির্ধারিত তিনটি গ্রেট রয়েছে, ১৬৩০-১৬৮০-১৭৩০ টাকা রেটে কৃষকদের কাছ থেকে পাট কিনতে হবে। কিন্তু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা তা মানছেন না। তারা কৃষকের কাছ থেকে ১২৫০-১৩০০ টাকা দরে পাট কিনছেন। পাটের দাম কম হওয়ায় তার কাছে অনেকেই অভিযোগ করেছেন। তিনি জানান, কুষ্টিয়ার মিরপুর, দৌলতপুর, ভেড়ামারা, কুমারখালীর পাট চাষিরা ন্যাষ্য দাম পাচ্ছেন না। তারা প্রতিদিনি পাট চাষিদের পরামর্শ দিয়ে আসছেন কুষ্টিয়ার খোকসার খালিসপুরের জুট মিলে পাট নিয়ে আসার জন্য। এখানে সরকারি নির্ধারিত রেটেই পাট কেনা হচ্ছে। ওই কর্মকর্তা আরো জানান, দৌলতপুর, মিরপুর, ভেড়ামারা, থেকে খোকসার খালিসপুর পাটকল জুট মিল দূরের পথ হওয়ায় ১০-১৫ মণ পাট বিক্রিয় করতে আসছেন না কৃষক। এর সুযোগ নিচ্ছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এ বছর ৬টি উপজেলায় মোট এক লাখ তিন হাজার ৭৬৪ একর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ১৮ হাজার ৮২০ বেল পাট। কুষ্টিয়ায় দাম কম হওয়ায় লোকসানে পড়েছেন এখানকার পাটচাষিরা। ফলে তারা পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন। জেলা পাট অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য মতে, এবার কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ছয় হাজার ৪৪৬ একর, মিরপুরে ২১ হাজার ৭৩৬ একর, ভেড়ামারায় ১০ হাজার ৮৬৮ একর, কুমারখালীতে ১৩ হাজার ৩৩৮ একর, খোকসায় নয় হাজার ৩৮৬ একর এবং দৌলতপুর উপজেলায় ৪১ হাজার ৯৯০ একর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। মিরপুর উপজেলার ধুবইল গ্রামের পাটচাষি আবদুল জলিল বলেন, ‘তিন বিঘা জমিতে পাটের আবাদ করেছি। শ্রমিকের মজুরি, পাটের জমি চাষ, বীজ কেনা, সেচ দেওয়া, আগাছা পরিষ্কার, পাট কাটা ও জাগ দেওয়া, আঁশ ছড়ানো, শুকিয়ে বাজারজাত করাসহ সবকিছু মিলে বিঘা প্রতি ৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে তার। কিন্তু পাটের ফলন আর দাম দেখে আসল টাকা ঘরে উঠবে কিনা সেটাই এখন ভাবার বিষয়। শ্রমিকের মজুরিও বেড়েছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা।’ ভড়ামারার চাঁদগ্রামের কৃষক নান্টু মোল্লা বলেন, ‘সামনের বছর আর পাট আবাদ করব না। কারণ এ চাষে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। সেই তুলনায় দাম অনেকটাই কম।’তার দাবি পাটের দাম মণপ্রতি কমপক্ষে ১৮০০ থেকে ২০০০ হাজার টাকা হলে কৃষক লাভবান হবে। কুষ্টিয়া জেলা পাট কর্মকর্তা সোহরাব উদ্দিন বিশ্বাস জানান, পাটের দর সরকারিভাবে নির্ধারিত তিনটি গ্রেট রয়েছে, ১৬৩০-১৬৮০-১৭৩০ টাকা রেটে কৃষকদের কাছ থেকে পাট কিনতে হবে। কিন্তু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা তা মানছেন না। তারা কৃষকের কাছ থেকে ১২৫০-১৩০০ টাকা দরে পাট কিনছেন। পাটের দাম কম হওয়ায় তার কাছে অনেকেই অভিযোগ করেছেন। তিনি জানান, কুষ্টিয়ার মিরপুর, দৌলতপুর, ভেড়ামারা, কুমারখালীর পাট চাষিরা ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। তারা প্রতিদিনি পাট চাষিদের পরামর্শ দিয়ে আসছেন কুষ্টিয়ার খোকসার খালিসপুরের জুট মিলে পাট নিয়ে আসার জন্য। এখানে সরকারি নির্ধারিত রেটেই পাট কেনা হচ্ছে। ওই কর্মকর্তা আরো জানান, দৌলতপুর, মিরপুর, ভেড়ামারা, থেকে খোকসার খালিসপুর পাটকল জুট মিল দূরের পথ হওয়ায় ১০-১৫ মণ পাট বিক্রিয় করতে আসছেন না কৃষক। এর সুযোগ নিচ্ছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এ বছর ৬টি উপজেলায় মোট এক লাখ তিন হাজার ৭৬৪ একর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ১৮ হাজার ৮২০ বেল পাট।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..