আব্দুল জব্বার ও তরুণ সান্যালের মৃত্যুতে সিপিবির শোক

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

একতা প্রতিবেদক : মুক্তিযুদ্ধের শব্দসৈনিক, বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী আব্দুল জব্বার ও মুক্তিযুদ্ধের অকৃত্রিম বন্ধু কবি তরুণ সান্যালের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। গত ৩০ আগস্ট সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম পৃথক বিবৃতিতে এ গভীর শোক প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, মুক্তিযুদ্ধে আব্দুল জব্বারের অবদান জাতি চিরদিন মনে রাখবে। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সংগঠক ও শিল্পী হিসেবে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদান রেখেছেন। তার অপূর্ব কণ্ঠ লাখ লাখ মানুষের হৃদয়কে আন্দোলিত করেছে। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আব্দুল জব্বারের মৃত্যুতে জাতি শুধু একজন বরেণ্য শিল্পীকেই নয়, একজন মহান দেশপ্রেমিককেও হারাল। দেশবাসীর হৃদয়ে তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। সিপিবি নেতৃবৃন্দ প্রয়াত শিল্পীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যবৃন্দসহ স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এদিকে মুক্তিযুদ্ধের অকৃত্রিম বন্ধু কবি তরুণ সান্যালের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, কবি তরুণ সান্যাল ছিলেন বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিআই) যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করে, তিনি সেসব উদ্যোগের সঙ্গে নিজেকে বিশেষভাবে যুক্ত করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন বাংলাদেশ সহায়ক কবি-সাহিত্যিক-বুদ্ধিজীবী সমিতির সম্পাদক, শান্তি পরিষদের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক, ভারত-সোভিয়েত সংস্কৃতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক। মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে জনমত গড়ে তোলার জন্য সিপিআই মার্চের মাঝামাঝি কলকাতার ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট হলে যে সভার আয়োজন করে, কবি তরুণ সান্যাল ছিলেন তার অন্যতম সংগঠক। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে লেখালেখি চালান তিনি। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে তিনি নানা দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তাঁকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা প্রদান করে। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশের জনগণ বাংলাদেশের এক মহান বন্ধুকে হারাল।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..