‘ওম শান্তি’

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চলে এখন সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের উপর হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। এটা বাংলাদেশের মানুষ দুইভাবে জানতে পারছে। এক. এরই মধ্যে প্রায় তিন লাখ শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। সেটি একটি দৃশ্যমান অবস্থা। আর দুই. আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমও এ নিয়ে বেশ সমালোচনামুখর। মিয়ানমারে দীর্ঘদিন ধরেই এই জাতিগত সহিংসতা চলছে। সেখানকার নেত্রী অং সান সুচি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে। তিনি এখন দেশটির অলিখিত প্রধান নেতা। তিনি দীর্ঘ নিরবতা ভেঙে বলেছেন, রাখাইনে সবার জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেখানে শান্তি বিরাজ করছে। ওম শান্তি ওম!!! শান্তিতে নোবেল পুরস্কারবিজয়ী বলেছেন, সেখানে শান্তি বিরাজ করছে, ফলে সেখানে তো আর কোনো অশান্তি তাকতে পারে না! আর সু চির দেশের লোকও এই অশান্তির কাজে জড়িত হতে পারেন না! যদিও প্রবল সুখ-শান্তি আর নিরাপত্তার মধ্যে থাকা প্রায় তিন লাখ মানুষ এরই মধ্যে বিপদসঙ্কুল নদী, সমুদ্র আর পাহাড়-জঙ্গল পেরিয়ে বাংলাদেশে শরণার্থী হিসেবে খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নিয়েছে। লোকে বলে না, সুখে থাকতে ভূতে কিলায়। ফলে আমাদের ধরেই নিতে হবে, সু চি-র দেশে সুখে-শান্তিতে থাকা রোহিঙ্গারা ভূতের কিল খেয়ে বাংলাদেশে এসেছে। শান্তিতে নোবেল পাওয়া আরেক সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব দক্ষিণ আফ্রিকার ডেসমন্ড টুটু। তিনি বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন যুগের পর যুগ ধরে। বার্ধক্যের তিনি দীর্ঘদিন ধরেই সরাসরি কোনো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত আছেন। রোহিঙ্গাদের প্রতি সু চির ‘মানবিক আচরণে’ তিনিও বার্ধক্য ভেঙে জেগে উঠেছেন। তিনি এক চিঠিতে সু চিকে লিখেছেন, ভগ্নি এখন আপনি আপনার নীরবতা ভেঙে জেগে উঠুন। আপনার নীরবতা যদি এমন হয়, মিয়ানমারের উচ্চ পদে আসীন হওয়ার রাজনৈতিক মূল্য চুকানো, তবে নিশ্চিতভাবে এ মূল্যটা খুব চড়া। রোহিঙ্গাদের বাঁচাও, বিশ্ববিবেক জাগাও; গণহত্যা বন্ধে মিয়ানমারকে বাধ্য কর-দাবিতে ১০ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার বিক্ষোভ সমাবেশ

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..