ব্যবসার আড়ালে ছিল জঙ্গি তৎপরতা

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : এবার রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালাম এলাকার ‘জঙ্গি আস্তানা’য় অভিযান চালিয়েছে র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যা ব)। সেখানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নারী-শিশুসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের ধারণা, আবদুল্লাহ নামে এক ব্যক্তি আইপিএস, ইউপিএস ব্যবসার আড়ালে ভাড়া বাসায় প্রচুর রাসায়নিক জড়ো করেছিলেন। বড় ধরনের হামলার ছক ছিল এদের। গত ৪ সেপ্টেম্বর গভীর রাত থেকে এই অভিযান শুরু হওয়া এ অভিযান র্যা ব ৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে শেষ করে। সর্বশেষ সেখান থেকে হাতে তৈরি বোমা, বোমা তৈরির সরঞ্জাম, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভবনটির মালিক হাবিবুল্লাহ বাহার আজাদ ও নৈশপ্রহরী সিরাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গার মসন্দি এলাকার একটি বাড়ি থেকে গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে জঙ্গি সন্দেহে দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি ড্রোনও উদ্ধার করে র্যা ব। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ‘ফলোআপ’ হিসেবে মিরপুরে এ অভিযান চালানো হয়। পরদিন দিনভর আবদুল্লাহকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হয়। দুপুরে ‘জঙ্গি’ আবদুল্লাহর বোন মেহেরুন্নেসা বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে র্যা বের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় ওই বাড়ির ২৩টি ফ্ল্যাট থেকে ৬৫ বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়। ‘জঙ্গি’ আব্দুল্লাহ আত্মসমর্পণে রাজিও হয়। পরে রাতে র্যা ব জানায়, জঙ্গিরা আত্মসমর্পণ না করে নিজেরাই ওই ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে চার র্যা ব সদস্য আহত হন। নিহতদের মরদেহ যেভাবে পাওয়া গেছে তাতে কাউকে শনাক্ত করা খুব কঠিন। ডিএনএ পরীক্ষা ও ময়নাতদন্তের পরই সবার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাবে। র্যা ব জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে আবদুল্লাহ, তাঁর দুই স্ত্রী, দুই ছেলে এবং দুই কর্মচারী রয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ (৩৫) ওই বাসায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকতেন। বাড়ির ছাদে তাঁর আইপিএস ও ইউপিএসের কারখানা ছিল। পাশাপাশি তিনি ছাদে কবুতরের ব্যবসাও করতেন। তিনি আগে নিচতলায় ছিলেন। পরে ছাদে ভাড়া নেন। তিনি ১৫ বছর ধরে এ বাড়িতে ছিলেন।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..