এলেঙ্গা-ভূঞাপুর সড়কের আট ব্রিজ ঝুঁকিপূর্ণ

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা : দীর্ঘদিন যাবৎ এলেঙ্গা-ভূঞাপুর সড়কের আটটি ব্রিজ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করলেও সহসাই মিলছে না সমাধান। তবে টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপদ বিভাগের মতে- নকশা তৈরি না হওয়ায় পুনরায় উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাব (ডিপিপি) দেওয়া যাচ্ছে না। কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা থেকে ভূঞাপুর উপজেলা শহর পর্যন্ত ১২টি ব্রিজ রয়েছে। এর মধ্যে আটটি অর্থাৎ রাজাবাড়ী, শ্যামপুর, ফুলতলা, সয়া, নারান্দিয়া, সিংগুরিয়া, কাগমারীপাড়া ও শিয়ালকোল ব্রিজ মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে শুধুমাত্র সিংগুরিয়া ব্রিজের অর্ধেক বেইলি ব্রিজ স্থাপন করা হয়েছে। ফুলতলা ব্রিজের দুই পাশের রেলিং ভাঙা, শ্যামপুর ব্রিজের কয়েকটি স্টিলের পাটাতন উঠে গেছে, নারান্দিয়া এবং রাজাবাড়ী ব্রিজের মধ্যে গর্তে ভরা। শিয়ালকোল ও কাগমারিপাড়া ব্রিজের অবস্থা একেবারে নাজুক। কিছুদিন আগে সয়া ব্রিজে ফাটল দেখা দিলে কয়েকদিন যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে দায়সারাভাবে নিম্নমানের বেইলি ব্রিজ স্থাপন করার পরপরই আবার চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তারাকান্দি সার কারখানার মালবাহী যান চলাচলের প্রধান সড়ক এলেঙ্গা-ভূঞাপুর। এ সড়ক দিয়ে কালিহাতী, ঘাটাইল ও ভূঞাপুর উপজেলার হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন চলাচল করে। উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন এবং বঙ্গবন্ধু সেনানিবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এ সড়কে চলাচল করে। কিন্তু ব্রিজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় যে কোনো সময় ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। এদিকে আসন্ন ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদে বাড়ি ফেরা নিয়েও অনেকে সংশয় প্রকাশ করেছেন। স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত যানবাহনগুলোর ভয়াবহ চাপ এ সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজগুলো ধারণ করতে পারবে কিনা তা নিয়ে শংকিত এলাকাবাসী। সড়ক ও জনপথ বিভাগ টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী কেএম নূর-ই-আলম বলেন, ‘এ সড়কের ১০টি ব্রিজ ও একটি কালভার্ট পুনরায় নির্মাণ এবং ২২ কি.মি সড়ক উন্নয়নের জন্য ১১৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য বেশ কয়েকবার পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পের যথার্থতা যাচাই এবং ব্রিজের নকশা তেরিকরণের জন্য ডিপিপি ফেরত পাঠানো হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের যথার্থতা যাচাই সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু ব্রিজের নকশা তৈরির জন্যে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি। নকশা প্রস্তুত হলেই আবার উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব পাঠাতে পারবো। এরপর প্রকল্প অনুমোদন হলে কাজ শুরু হবে।’

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..