খোলা আকাশের নীচে হাজারো মানুষ

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
পটুয়াখালী সংবাদদাতা : টর্নেডোর আঘাতে রাঙ্গাবালী উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত অধিকাংশ পরিবার খোলা আকাশের নীচে বাস করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ১৫০টি পরিবারকে ২০ কেজি হারে চাল দেয়া হয়েছে, যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। গত সোমবার গভীর রাতে রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের ইউয়িনের স্লুইস বাজার, বাইলাবুনিয়া, দাঁড়ভাঙ্গা এবং বড় বাইশদিয়া ইউনিয়নের মৌডুবি গ্রামের উপর দিয়ে টর্নেডো আঘাত হানে। মুহূর্তের মধ্যে টর্নেডোর আঘাতে দুই শতাধিক ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়। মৌডুবি বাগে জান্নাত ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, ৭৮টি ঘর সম্পূর্ণ, চরমোন্তাজ এ সত্তার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দাঁড়ভাঙ্গা ফোরকানিয়া মাদ্রাসা, সাতটি মসজিদ, একটি মন্দিরসহ ১৮০টি ঘর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। চর মোন্তাজ স্লুইস বাজারের মো. মাহাবুল, জরিনা বেগম, মনির গাজী, লাল গাজী জানান, ‘ঘুমের মধ্যে হঠাৎ ঘরদুয়ার উড়াইয়া লইয়া যাওয়ার বিকট শব্দে ঘুম আমাগো ভাঙে। দেহি ১০শ’ দুইশ’ হাত দূরে আমাগো ঘরের চাল পইরা আছে। এহন দুই দিন ধইরা খোলা আকাশের নীচে আছি। সরকার ২০ কেজি কইরা চাল দিছে এ্যা রান্দুইন্না হারি পাতিলও নাই।’ চর মোন্তাজ ইউপি চেয়ারম্যান মো. হানিফ মিয়া জানান, এভাবে অনেক পরিবার খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছে। রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তপন কুমার ঘোষ জানান, মঙ্গলবার বিকেলে রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্বে) মো. রেজাউল করিমসহ তিনি চর মোন্তাজে গিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ১৫০টি পরিবারের মধ্যে ২০ কেজি হারে তিন টন চাল বিতরণ করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যাতে ঘর তৈরির টিন ও নগদ অর্থ সহায়তা পায় এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক বরাবর চাহিদাপত্র দেওয়া হয়েছে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..