বিপ্লবী জুলিয়াস ফুচিক

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

একতা ফিচার : মানবমুক্তির ইতিহাসে অগ্নিময় শুদ্ধ মনুষ্যত্বের নাম জুলিয়াস ফুচিক। সাম্রাজ্যবাদ, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জুলিয়াস ফুসিকের কর্মময় জীবন অনন্য দৃষ্টান্ত। বিপ্লবের জন্য নিবেদিত ছিল জুলিহাস ফুচিকের জীবন। জীবনকে ভালোবেসে তিনি মানব মুক্তির লড়াইয়ে হাসতে হাসতে মৃত্যুহীন মৃত্যুকে বরণ করেছেন। জুলিয়াস ফুচিকের জন্ম চেকোস্লোভিয়ার এক গ্রামে ১৯০৩ সালে, মৃত্যু নাৎসিদের হাতে বার্লিনে, ১৯৪৩ সালে। মাত্র ৪০ বছরের জীবনে কাটিয়ে গেছেন যেন অনেকগুলি জীবন : অভিজ্ঞতা পেয়েছেন তিক্ততম ভয়াবহতম নির্যাতনের, ছোঁয়া পেয়েছেন মানুষের উষ্ণ ভালোবাসার, স্নান করে নিয়েছেন কঠোর, রৌদ্রময় বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের প্রখর স্রোতধারায়। কর্মের, চিন্তার, অনুভবের এইসব তীব্রতম উষ্ণতম উচ্চতম অভিজ্ঞতা পেতে শত বছরের আয়ুও যখন যথেষ্ট মনে হয় না, ফুচিক মাত্র ৪০ বছরের জীবনেই তার সবই অর্জন করে নিয়েছেন। চেকোস্লোভাকিয়ায় তো বটেই, সারা বিশ্ব জুড়ে তাঁর পরিচয় বিপ্লবী কমিউনিস্ট হিসেবে। চেকোস্লোভাকিয়ায় তিনি কমিউনিস্ট মরণপণ প্রতিরোধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম নেতা, তাঁর স্বদেশভূমি হিটলারের নাৎসি বাহিনীর দখলে চলে যাবার পর হয়তো চেক কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান নেতা : আবার অন্য দিক থেকে দেখলে রক্তের শেষ কণা বাজি-রাখা এক সাধারণ মানুষ, সাধারণ কর্মী। আরও অন্যভাবে দেখলে মানুষের ওপর শোষণ নির্যাতনের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এক দুর্জয় সৈনিক। নাৎসি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ফরাসি প্রতিরোধে যা দেখা গেছে, নেপোলিয়নের আগ্রাসী অভিযানের বিরুদ্ধে রুশ প্রতিরোধের সময় যেমন ঘটেছে–পুরো জনসাধারণের প্রতিরোধ-মানবিক উত্থানের মতো, ফুচিক তারও প্রতীক। এই এক আশ্চর্য বিষয় আমরা ফুচিকের স্বল্পস্থায়ী জীবনের মধ্যে লক্ষ্য করি : জীবনের উত্তুঙ্গ মহিমা এবং একই সঙ্গে সাধারণের মধ্যে সাধারণ, সিধে, সাহসী, মাটি-মাখা জীবনের সরলতা। তাঁর কাজ ও লেখা বিশাল পৃথিবীতে জবিনের আনন্দ ঘোষণা করে আর গোটা মানবজাতির প্রত্যেক সদস্যের কাছে সেই আনন্দের অধিকার পৌঁছে দেবার সংগ্রামে মৃত্যুহীন মৃত্যুবরণ করার শিক্ষা দেয়। ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের জন্য, জনগণের বিশাল মহৎ মুক্তির জন্যই জনগণের ক্ষমতা গ্রহণ করা উচিত এই বিশ্বাস থেকে তিনি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আস্থা রাখতেন এবং এই কারণেই ১৯২১ সালে চেক কমিউনিস্ট পার্টির জন্ম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি তাতে যোগ দিয়েছিলেন। তখন তাঁর বয়স মাত্র আঠারো বছর, চেক রিপাবলিকের বয়স তিন বছর। সাম্রাজ্যের শোষণ আর চক্তচক্ষু- শাসনের তিক্ত অভিজ্ঞতা অল্প বয়সেই পেতে হয়েছে তাঁকে। ১৯১৫ সালে নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করেছেন অসংখ্য হাঙ্গেরীয় শিশুহত্যার ঘটনা। কিন্তু সাম্রাজ্যের বিলুপ্তি আর রিপাবলিকের জন্ম তাঁর কাছে নিশ্চয়ই বিরাট ব্যাপার ছিল। এই সময়টায় তিনি প্রাহায় ছাত্রজীবন কাটাচ্ছেন। পড়ছেন দর্শন, সাহিত্য আর শিল্প-সঙ্গীতের ইতিহাস। লিখতেও শুরু করেছেন তখন থেকে। ‘ভোর্বা’ নামে একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রগতিপন্থি কাগজে নিয়মিত লিখতেন তিনি। তাঁর এক শিক্ষক এই কাগজটির সম্পাদক ছিলেন। পরে ১৯২৯ সালে তিনি নিজেই এই কাগজটির সম্পাদক হয়েছিলেন আর ছিলেন চেক কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র ‘রুদে প্রাভো’-র সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য। বুঝতে পারা যায়, সাহিত্য এবং রাজনীতি দুটোর সঙ্গেই নিজেকে জড়িয়েছেন। তিনি এবং এই দুইয়ের মধ্যে কোনো বিরোধ দেখতে পাননি। রাজনীতি জীবনের সঙ্গে যুক্ত, জীবনের দৈনন্দিন কাজের সঙ্গে। কখনো কখনো তা জীবনের প্রধান ব্যাপার, বিশেষ করে যখন মানুষের সমাজে বৈষম্য ও পুরো রাষ্ট্র এবং সমাজকেই বিষিয়ে তোলে। সাহিত্যও জীবন থেকে আলাদা কিছু নয়, জীবনের আনন্দ এবং জীবনের উপভোগের সঙ্গেই তার যোগ। কিন্তু সাহিত্যও বিশেষ পরিপ্রেক্ষিতে জীবনের দৈনন্দিন সংগ্রাম ও কর্তব্যের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। ফুচিক রাজনীতি ও সাহিত্যকে এইরকম কাজ হিসেবে নিয়েছিলেন বলে তাঁকে কোনো দ্বন্দ্বে বা আত্মপ্রতারণায় ভুগতে হয়নি। তবে আমরা বাইরে থেকে দেখতে পাচ্ছি ক্রমেই তাঁকে রাজনীতির দিকে ঝুঁকে পড়তে হচ্ছে এবং তাঁর নিজের সাহিত্যকর্মকে তার সঙ্গে পুরোপুরি মিলিয়ে নিতে হচ্ছে। শিল্পের জন্যই বিশুদ্ধ শিল্প এই তত্ত্বটি যে কতটা ফাঁকা তা ফুচিকের রচনা পড়লেই বোঝা যায়। তাঁর কাছে জীবন ও শিল্প এক হয়ে দেখা দিয়েছে। শিল্প কখনো জীবনের জন্য সংগ্রামের হাতিয়ার, কখনো জীবনের প্রগাঢ় ও নিবিড় উপভোগের অবলম্বন। জুলিয়াস ফুচিক যদি নিছক বিপ্লবী রাজনীতিক বা নিছক সাহিত্যিক হতেন তা হলে এই কথাটা এত স্পষ্ট করে বোঝা যেত না। শিল্পসৃজনের জন্য যে নিভৃতি প্রয়োজন, ফুচিক তা কখনোই পাননি। সে জন্য তাঁর কর্মময় বাইরের জীবনটাই আমাদের বেশি চোখে পড়ে। তাঁর অসম সাহসিক বিপ্লবী কাজকর্ম, কয়লাখনির শ্রমিকদের ধর্মঘটে যোগ দেওয়া, বেআইনি কাগজ ইস্তাহার ইত্যাদি বের করা–প্রায় সার্বক্ষণিক ভয়াবহ বিপজ্জনক রাজনৈতিক কাজকর্ম-এ সবই সারাজীবন করতে হয়েছে তাঁকে। কিন্তু সন্দেহ নেই যে পাশাপাশি চলছিল তাঁর সাহিত্যকর্মও। ১৯৩০ সালে ফুচিক শ্রমিক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়নে যান। পূর্ব-পশ্চিমে এশিয়া ইউরোপে বিস্তৃত মহাদেশতুল্য রাশিয়া তাঁকে অভিভূত করে, তাঁর মনের দিগন্তকে করে প্রসারিত। দেশে ফিরে তিনি বই লেখেন, “দি কান্ট্রি হোয়ার টুমরো ইজ ইয়েস্টারডে’। ১৯৩০-এর পরে ১৯৩৪-এর চেক কমিউনিস্ট পার্টি তাঁকে আবার সোভিয়েত ইউনিয়নে পাঠিয়েছিল ‘রুদে প্রাভো’-র প্রতিনিধি হিসেবে। দুবছর সেখানে কাটালেন তিনি। ১৯৩৬- এ ফিরে এসে আবার ‘ভোর্বা’ এবং একটি কমিউনিস্ট দৈনিকের দায়িত্ব নিলেন। ইউরোপের আবহাওয়ায় তখন উত্তপ্ত হাওয়া বইতে শুরু করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে আর বছর তিনেকের মধ্যে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মতোই এবারও শুরুর মঞ্চ পূর্ব ইউরোপ। নাৎসি শক্তির উত্থানের পর থেকেই চেকোস্লোভাকিয়ায় উপদ্রুত হতে থাকে। ১৯৩৪ সালে হিটলার জার্মান রাইখের ফ্যুরার এবং চ্যান্সেলর হন। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তিনি পরিকল্পিতভাবে চোকোস্লোভাকিয়ায় জাতিগত অসন্তোষ সৃষ্টিতে প্ররোচনা দিতে থাকেন। জুলিয়াস ফুচিকের রাজনৈতিক কর্ম ও তাঁর মৃত্যুহীন সাহিত্যের বিচার উপরে যে পটভূমিকা বর্ণনা করা গেছে, তারই পরিপ্রেক্ষিতে করতে হবে। সাম্রাজ্যের ভিতর থেকে উঠে এসেছিল চেকোস্লোভাকিয়া। মাত্র বিশ বছরের মধ্যে হাঙরেরা খাবলা মেরে মেরে দেশটির এক একটি অংশ ছিনিয়ে নিল আর একুশ বছরের মাথায় পুরো দেশটি দখল করে নিল নাৎসি জার্মানি। যে কমিউনিস্ট পার্টির লক্ষ্য ছিল দেশের মানুষের পরিপূর্ণ মুক্তি অর্জন করে সর্বহারার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা–তার মানে, এক বিশাল বৈষম্যমুক্ত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা–তাকে সে কাজ বন্ধ রেখে শুরু করতে হলো বিদেশি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে দেশটির অস্তিত্বরক্ষার যুদ্ধ। কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষ থেকে যে সাহিত্যিককে এই যুদ্ধে যুক্ত হয়ে পড়তে হয়েছিল, বলতে কি নাৎসি বর্বরতার ভয়ংকর থাবার আঘাতে লণ্ডভণ্ড পার্টির নেতৃত্ব নিতে হয়েছিল, যাঁকে থাকতে হতো আত্মগোপনে, বেআইনি কমিউনিস্ট কেন্দ্রের প্রধান সংগঠকের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে, নিয়মিত প্রকাশ করতে হতো ‘রুদে-প্রাভো’ ও অন্যান্য নামা কাগজ– তিনি সাহিত্যিক হিসেবে কখন লেখার সময় পাবেন আর সে লেখার ধরন ও বিষয় কী হতে পারে, তা রীতিমতো ভাববার কথা। অসাধারণ প্রাণশক্তির বলে, জীবনের প্রতি অপ্রতিরোধ্য মমতায় ও মানুষের জন্য সুগভীর ভালোবাসায় ফুচিক কর্ম ও সৃজনের এক অতি দুরূহ পথ অতিক্রম করেছেন, শিল্পকে কিভাবে জীবনে গ্রহণ করতে হয় তা শিখিয়েও গেছেন। আমরা গভীর বিস্ময়ের সঙ্গে শুধু ভাবতেই পারি, এক সুস্থির দেশে জন্মগ্রহণ করলে ফুচিক সাহিত্যশিল্পের কি কি নতুন মাত্রা সৃষ্টি করতে পারতেন! নিশ্চয়ই তা তিনি পারতেন, তবে তা নিয়ে জল্পনার কিছু নেই- বরং শিল্প আর জীবনকে– সে জীবন যেমনই হোক– গোটাগুটি মিলিয়ে নেবার অসাধারণ দৃষ্টান্তই তিনি আমাদের সামনে রেখে গেছেন। তাঁকে একবার মনে হবে অসাধারণ বিপ্লবী কর্মী, আবার মনে হবে অপারেজয় জীবনের কথক, তারপরে মনে হয় তিনি দুই-ই–দুইয়ে মিলিয়ে এক জুলিয়াস ফুচিক। ১৯৪২ সালে গেস্টাপোদের হাতে ধরা পড়লেন তিনি। কীভাবে গ্রেপ্তার হলেন তার বিবরণ আছে প্যানক্রাট্স্ জেলে বসে লেখা তাঁর অমর রচনার শুরুতে, ‘নোট্স ফ্রম দি গ্যালোজ’ নামে ইংরেজি অনুবাদে যা পৃথিবীর কোটি কোটি পাঠকের কাছে পৌঁছে গেছে। রোজনামচার ধরনে লেখা এই ছোট বইটি, যেমন আগে বলেছি, অগ্নিময় মনুষ্যত্বের দলিল। তীব্র জ্বালাময় আগুনের অক্ষরে লেখা হয়েছে বীভৎস নাৎসি-নির্যাতনের কাহিনি আর সেই কাহিনির ভিতর দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে মানবমুক্তিতে অদম্য লক্ষ্য এক মানুষের গরিমাময় সংকল্প। অকল্পনীয় শারীরিক নির্যাতনের বিবরণে ভরা এই বই তবু নির্যাতনের নয়, পরাজয়ের নয়, আর্তনাদ হাহাকারের নয়। আগাগোড়া বিজয়ের, রৌদ্রময় আলোভরা জীবনের, একটির পর একটি জয়ের কাহিনি এই বই। মানুষের অপরাজেয় গরিমা কোথায়, ফুচিক আমাদের তাই দেখিয়ে দেন এখানে। এই বই পড়লে নির্যাতনের আতঙ্ক নয়, বরং বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণাই আমরা শেষ পর্যন্ত লাভ করি। ‘নোট্স্ ফ্রম দি গ্যালোজ’ জীবনের গান। ১৯৪২ সালে গ্রেপ্তারের পর নানা বন্দিশালায় ফুচিককে ঘোরানো হয়। ১৯৪৩-এর অগাস্টে তাঁকে দেওয়া হয় মৃত্যুদণ্ড আর ঐ বছরের সেপ্টেম্বরে সেই মৃত্যুদণ্ড বার্লিনে কার্যকর হয়। যে বিপ্লব-প্রাণিত জীবন কাটিয়ে গেছেন ফুচিক, বহুকাল হলো তা অবসিত হয়ে গেছে। যাঁদের মধ্যে তিনি কাজ করেছিলেন, তাঁদের অনেকেই আজ পৃথিবীতে নেই। তাঁর কর্মময় জীবনের স্মৃতি বহন করেছেন এমন মানুষের সংখ্যাও নিশ্চয়ই অনেক কমে গেছে। কিন্তু রয়েছে গেছে তাঁর সাহিত্য। এক অজেয় মানবসত্তা তাঁর সাহিত্যের মধ্যে চিরজীবিত হয়ে আছে। অন্যদিকে, আজকের পূর্ব ইউরোপের আর প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলির দিকে চেয়ে মনে হতে পারে, সমস্ত জীবন জুলিয়াস ফুচিক কি আলেয়ার পিছনে ছুটেছিলেন? যে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়নকে দেখে তিনি মানবমুক্তির পরিপূর্ণ রূপ কল্পনা করে নিতে পেরেছিলেন, সে কি তাঁর জীবনব্যাপী বিভ্রম ছিল আর এই বিভ্রমের মধ্যেই কেটে গেল তাঁর চল্লিশ বছরের জীবন? কিন্তু কে বলতে পারে সমাজতান্ত্রিক দুনিয়ার এই বিনষ্ট হওয়াটাই একটা বিশাল বিভ্রম নয়? কে না জানে সমাজতন্ত্রের আদর্শ আর সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র কখনোই এক জিনিস নয় এবং তথাকথিত সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর ধ্বংস হলেও সমাজতন্ত্রের আদর্শের মৃত্যু নেই? আজকের পুঁজিতান্ত্রিক সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলির সংকট ও ধ্বংস আসন্ন নয়, তাই বা কে বলবে? আঁধির মধ্যে বসবাস করলে তাকে চিরস্থায়ী মনে হতে পারে। তবু সূর্য ওঠে। ফুচিকের লেখায় আমরা জীবনের বজ্রনির্ঘোষ শুনে জীবন সংগ্রামে যোগ দেবার জন্য উঠে দাঁড়াতে চাই। লাল সালাম কমরেড জুলিয়াস ফুচিক।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..