উখিয়ায় পানির তীব্র সংকট

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
কক্সবাজার সংবাদদাতা : খাল, বিল, জলাশয়, পুকুর শুকিয়ে যাওয়ার কারণে বাসা বাড়িতে ব্যবহৃত অধিকাংশ নলকূপ পানি শূন্য হয়ে পড়েছে। ফলে উখিয়ার বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে তীব্র খাবার পানি সংকট। কৃষি কর্মকর্তার তথ্য মতে সেচ পাম্পের দ্বারা মাটির গভীর থেকে পানি উত্তোলনের ফলে বসতবাড়ির ব্যবহৃত নলকূপে পানি পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়াও অনাবৃষ্টি ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টি হলে পানির অভাব স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে তিনি আশ্বস্থ করেন। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, ২০১৫ সালের জরিপ মতে এ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে মোট পরিবারের সংখ্যা ৪২ হাজার ৭২৫টি। হতদরিদ্র ৫ শতাধিক পরিবার ছাড়া বাকী সবকটি পরিবারে টিউবওয়েল রয়েছে। যা দিয়ে গৃহিণীরা খাবার পানি সংকট দূরীকরণ ও নিত্য প্রয়োজনীয় কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকেন। চলতি শুষ্ক মৌসুমে বোরো চাষের গভীর-অগভীর নলকূপের সাহায্যে ধারাবাহিক পানি উত্তোলনের ফলে উপজেলার দুই-তৃতীয়াংশ নলকূপে পানি উঠছে না। তিনি বলেন, পানির স্তর আশংকাজনক ভাবে নিচে নেমে যাওয়ার ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম জানান, চলতি বোরো মৌসুমে ২০২৭টি সেচ পাম্প ও ৩৫৫টি এলএলবি সেচ পাম্পের মাধ্যমে বোরো চাষাবাদসহ শাক-সবজি চাষাবাদে পানি সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। অপরদিকে হাওড় বিল, জলাশয়সহ উপজেলার প্রায় ১৩টি খাল শুকিয়ে যাওয়ার কারণে পানির স্তর আশংকাজনক ভাবে নিচে নেমে গেছে। যার ফলে বাসা বাড়ির ব্যবহৃত নলকূপে পানি পাওয়া যাচ্ছে না। জালিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন চৌধুরী জানান, এ ইউনিয়নের উপকূলে ভূ-গর্ভে পাথর বিদ্যমান থাকার কারণে টিউবওয়েল বসানো যায় না। ফলে এখানকার মানুষ স্বাভাবিকভাবে পাতকূয়া অথবা পুকুরের পানি ব্যবহার করে থাকেন। যার ফলে চলতি শুষ্ক মৌসুমে উপকূলে ঘরে ঘরে খাবার পানি সংকট দেখা দিয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার সুব্রত কুমার বড়ুয়া জানান, এ উপজেলার ৭৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় ৫০টি টিউবওয়েল অকেজো হয়ে পড়েছে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..