বগুড়ায় শহিদ বাবুর পুকুর ও কুমিল্লার বেতিয়ারা দিবস পালিত

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
১১ নভেম্বর বেদনাবিধুর বাবুরপুকুর দিবস। একই সঙ্গে কুমিল্লার বেতিহারা দিবস। দিবস দুটি উপলক্ষ্যে গত ১১ নভেম্বর সকাল ৯ টায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি বগুড়া জেলা কমিটি ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বগুড়া জেলা সংসদ যৌথভাবে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার বাবুরপুকুর স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাবুরপুকুর স্মৃতিসৌধের পাদদেশে সিপিবি বগুড়া জেলা কমিটির সভাপতি জিন্নাতুল ইসলাম জিন্নার সভাপতিত্বে এবং ছাত্রনেতা সোহানুর রহমানের পরিচালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন, বগুড়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ফরিদ, ছাত্রনেতা সাদ্দাম হোসেন, ছাব্বির আহম্মেদ, নিয়ামুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন ‘১৯৭১ সালের এই দিনে এই দেশীয় দোষরদের সহায়তায় হানাদার বাহিনী বাবুরপুকুরে নৃশংসভাবে হত্যা করে শহরের ঠনঠনিয়া সহ আশেপাশের কয়েকটি এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ১৪ জন অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধাদের। শহীদদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন বগুড়ার সাবেক সভাপতি মান্নান পশারী, তার ছোট ভাই হান্নান পশারী, ছাত্র ইউনিয়ন কর্মী সাইফুল ইসলাম, টিএনটির অপারেটর নূরজাহান প্রমুখ। দেশ স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান এই ১৪ জনকে শহীদ স্বীকৃতি পত্র দেন। কিন্তু শহীদরা এখনও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পাননি। তাদের আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে কেউ কোনো যোগাযোগ রাখেনি। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বক্তারা ১৪ জন বীর শহীদকে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে স্বীকৃতি দান, প্রশাসনিকভাবে বাবুর পুকুর দিবস পালন, বাবুর পুকুর স্মৃতিসৌধ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব প্রশাসনকে নেবার দাবি জানান। বিজ্ঞপ্তি

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..