নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে বাংলাদেশের যোগদান

মনির তালুকদার

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বিশ্বে বহুসংখ্যক জোট বা ব্লকের জন্ম ও বিলুপ্তি দেখেছে পৃথিবীর মানুষ। নানা প্রয়োজন ও স্বার্থের সম্মিলনে এসব জোটের সৃষ্টি হয়েছিল, কখনো সাময়িক কখনো অর্থনৈতিক। মূলত ওই দুটি প্রয়োজনেই বেশির ভাগ জোটের জন্ম হয়েছিল। স্নায়ুযুদ্ধের সময় দোর্দণ্ড প্রতাপশালী ওয়ারশ জোটের অস্তিত্ব এখন আর নেই। আবার ১৯৬০-এর দশকে সৃষ্টি অর্থনৈতিক প্রয়োজনে যে জি-১০ জোটের সৃষ্টি হয়েছিল তা কখনো জি-৫, কখনো জি-৬, জি-৭, জি-৮ এবং হালে জি-২০ জোটের জন্ম দিয়েছে। তবে একটি বিষয় পরিষ্কার সামরিক প্রয়োজনে যত জোটের সৃষ্টি হয়েছে তার চেয়ে ঢের বেশি জোট তৈরি হয়েছে অর্থনৈতিক প্রয়োজনে। এ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে মূল দুটি চেতনা কাজ করেছে। একটি হলো বিশ্ব অর্থনীতির ওপর কর্তৃত্ব ধরে রাখা, অপরটি হলো অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোর আগ্রাসন থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা। সাম্প্রতিককালে বিশ্ব অনেক বদলেছে। বদলেছে বিভিন্ন দেশের স্বার্থের ধরণ নতুন নতুন ইস্যু মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে বিশ্বনেতাদের জনে। ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় কিছু শক্তির পতন ঘটেছে। কিছু শক্তি এখনো প্রভাব ধরে রাখতে পারলেও তাদের যাত্রা অনিশ্চিত। পূর্ব দিগন্তে নতুন শক্তির আগমনী বার্তা। ওই সবকিছুর মধ্য দিয়েই যেন একবিংশ শতাব্দীর পথচলা শুরু হয়েছে এ বিশ্বের। এমনি প্রেক্ষাপটে নতুন এক জোটের ইঙ্গিত পাচ্ছেন বিশ্বের চিন্তাবিদরা। ২০১০ সালের ১৫ এপ্রিল ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় উন্নয়নশীল দেশ ব্রাজিল, রাশিয়া, চীন ও ভারতের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা বৈঠকে মিলিত হন। কারণ, পারস্পরিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার। তাদের ওই বৈঠকের অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা দেখেছেন একটি নতুন অর্থনৈতিক জোট গঠনের পূর্বাভাস হিসেবে। প্রতিটি দেশের অদ্যাক্ষর নিয়ে ঘটিত ওই অর্থনৈতিক জোটের নাম হয়েছে ব্রিক। অনেক দিন ধরেই অগ্রসর উন্নয়নশীল দেশগুলো চাচ্ছিল বিশ্ব ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলে তাদের অংশীদার বাড়াতে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব ব্যাংক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন আইএমএফ এর নেতৃত্ব দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই। সেক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বের কর্তৃত্বেই রয়ে গেছে বিশ্ব ব্যাংক এবং আইএমএফ। উন্নয়নশীল এবং গরিব দেশগুলোকে অর্থায়ন ও সহযোগিতা করলেও তা যথেষ্ট উপকারে আসেনি। ওই অবস্থায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর উদ্যোগে বিকল্প অর্থায়নকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গঠনের একটি চাহিদা তৈরি হয় বেশ অনেক বছর আগেই। তাই ব্রাজিলের কোরতালিজায় ১৫ থেকে ১৭ জুলাই ২০১৪, অনুষ্ঠিত পাঁচ অগ্রসর উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক জোট ব্রিকসের র্শীষ সম্মেলন শেষে বেশ উচ্চাশা নিয়েই ব্রিকস জোটের ‘নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক’ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল। ব্রিকস ব্যাংকের আত্মপ্রকাশ বাংলাদেশের জন্যে নতুন প্রত্যাশার বার্তা বয়ে এনেছিল। কারণ, বিশ্বব্যাংক আর আইএমএফ-এর ক্রমাগত খবরদারির চাপে পিষ্ট হতে হতে বাংলাদেশ অসহায় হয়ে পড়েছিল। তাই এদের কবল থেকে মুক্তি পেতে ব্রিকস ব্যাংক সহায় হয়ে পাশে দাঁড়াবে তেমন প্রত্যাশা করেছিল বাংলাদেশ। সে কারণে ব্রিকস ব্যাংকের অংশীদার হতে চেয়েছিল বাংলাদেশ। ২০১৪ সালে ১৫ আগস্ট টোকিওভিত্তিক আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘দি ডিপ্লোম্যাটে’ প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমন ইঙ্গিত দেয়া হয়েছিল। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের নীতিনির্ধারকরা বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ এর ওপর থেকে নির্ভরশীলতা কমাতে চেয়েছিলেন। চলতি বছরে ব্রিকসের নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদস্য হয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাংকের বোর্ড অব গভর্নরসের সভায় এ বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে (এনডিবি) বাংলাদেশকে স্বাগত জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট মার্কো ট্রায়ো। ব্যাংকটির নিয়ম অনুযায়ী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, বাংলাদেশ ব্রাজিল সরকারের কাছে ইনস্ট্রুমেন্ট অব অ্যাকসেশন দাখিল করলে ওই দিন থেকেই ব্যাংকটিতে বাংলাদেশের যোগদান নিশ্চিত হয়। বাংলাদেশের যোগদান নিশ্চিত হওয়ার মাধ্যমে ওই বহুজাতিক ব্যাংক ব্রিকস জোটের বাইরে এবারই প্রথম কোনো দেশ সদস্যপদ পেল। এ সদস্যপদ বাংলাদেশকে উল্লিখিত ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদে ভোট দেওয়ার ক্ষমতা প্রদান করবে। ওই সদস্যপদ লাভের ফলে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের পাশাপাশি আরো একটি বহুজাতিক ব্যাংকে বাংলাদেশের সদস্যপদ নিশ্চিত হলো। নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় হবে চীনের সাংহাইয়ে। রাশিয়া হবে প্রথম বোর্ড অব গর্ভনরস। প্রশাসনিক পরিষদের প্রথম বোর্ড অব গর্ভনরস। প্রশাসনিক পরিষদের প্রথম প্রেসিডেন্ট হবে ব্রাজিল। ব্যাংকের প্রথম প্রেসিডেন্ট হবে ভারত। মোট ১০ হাজার কোটি ডলারের পুঁজি নিয়ে ব্যাংকটির পথচলা শুরু হয়েছিল। ব্যাংকটির তহবিলে চীন একাই ৪ হাজার ১০০ কোটি ডলার প্রদান করবে। রাশিয়া, ব্রাজিল, ও ভারত প্রতিটি দেশ দেবে ১ হাজার ৮০০ কোটি ডলার করে। আর দক্ষিণ আফ্রিকা দেবে ৫০০ কোটি ডলার। তবে এনডিবি’র পথযাত্রা মসৃণ হবে না বলে মনে করেছিলেন অনেক বিশ্লেষকরা। কোন ধরনের শর্তে এবং কী সুদের হারে ওই ব্যাংক ঋণ প্রদান বা অর্থায়ন করবে সেটা হলো প্রথম চ্যালেঞ্জ। বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ নানা ধরণের শর্তযুক্ত ঋণ দিয়ে থাকে। আবার এনডিবি’র ঋণমান কি হবে, সেটাও প্রশ্ন থেকে গিয়েছিল। বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ সর্বোচ্চ ঋণমান (এ.এ.এ.) ধারণ করে। অর্থাৎ তাদের ঋণ পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত। তবে এনডিবি ২০১৫ সাল থেকে কোনো শর্ত ছাড়াই ঋণ প্রদান বা অর্থায়ন শুরু করেছে। এনডিবি সাধারণত যাতায়াত, পানি এবং পয়ঃনিষ্কাশন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ডিজিটাল অবকাঠামো, সামাজিক অবকাঠামো, বড় বড় বাঁধ তৈরি, পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন এবং নগর উন্নয়ন খাত সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়ন করে থাকে। ২০১৬ সাল থেকে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ভৌত ও সামাজিক অবকাঠামো এবং নগর উন্নয়ন সংক্রান্ত ৮০টি বিভিন্ন প্রকল্পে প্রায় ৩ হাজার কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দিয়েছে। ২০০৮ সালের হিসেবে অনুয়ায়ী, ব্রিকস দেশগুলো বিশ্বের মোট পুঁজি বিনিয়োগের ১২ শতাংশ এবং বৈশ্বিক জিডিপি’র ২০ শতাংশ জোগান দেয়। বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠীর ৪২ শতাংশ ওই দেশগুলোতে বাস করে। দেশগুলোর পরস্পরের সঙ্গে মোট বাণিজ্য ৬ লাখ ২০ হাজার কোটি ডলার, যা কিনা দেশগুলোর মোট উৎপাদনের ১৪.৯ শতাংশ করে ব্রিকস দেশগুলো। অপর দিকে বিশ্বের মোট ভূ-খণ্ডের ২৫ শতাংশের মালিক ব্রিকস দেশগুলো। বিশ্বের শীর্ষ ১০ রিজার্ভের অধিকারী দেশগুলোর মধ্যে চীন, ভারত, রাশিয়া ও ব্রাজিল রয়েছে। ব্রিকস দেশগুলো বিশ্বের মোট রিজার্ভের ৪২ শতাংশের অধিকারী। এদের মধ্যে ৩.০১ ট্রিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ নিয়ে চীন শীর্ষে রয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে বৈদেশিক সহায়তার চাহিদাও বাড়ছে। ওই পরিপ্রেক্ষিতে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে বাংলাদেশে যোগদানের বিষয়টি উভয়ের জন্যে লাভজনক হবে বলে অনেকের ধারণা। উদীয়মান বিশ্ব বাজার অর্থনীতির প্রান্তিক অবস্থান থেকে আরো উন্নত হতে এনডিবি এর সহায়তা বাংলাদেশে বিশেষ ভূমিকা রাখবে এবং বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করেন। অন্তত বিশ্বব্যাংক, এডিবি ও আইএমএফের উপর দীর্ঘকালীন নির্ভরতার অবসান হবে। এনডিবি’র সূচনাতেই বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় উঠে ছিল। তখন চীনের উদ্যোগে প্রস্তাবিত এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকে (এআইআইবি) যোগদানকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল বাংলাদেশ। ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এক ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশকে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক যুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ জানালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাতে ইতিবাচক সাড়া দেন। এরপর ব্যাংকটিতে যুক্ত হওয়ার পথে যাত্রা শুরু হয়। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এনডিবি’র বোর্ড অব গভর্নরস সম্ভাব্য সদস্যদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা করার অনুমোদন দেয়। কয়েক দফা আলোচনার পর এনডিবি নতুন সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, উরুগুয়ের নাম ঘোষণা করে। তবে ভবিষ্যতে আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, ইন্দোনেশিয়ার মতো উন্নয়নশীল অন্যান্য দেশকেও সদস্যপদ দেয়া হবে। দরিদ্রমুক্ত বিশ্ব এবং সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গড়ে ওঠে বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ। সময়ের ব্যবধানে পশ্চিমা দেশ নিয়ন্ত্রিত ওই প্রতিষ্ঠানগুলো তৃতীয় বিশ্বের কাছে হয়ে ওঠে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক খবরদারির হাতিয়ার। এমন বাস্তবতায় অর্থনৈতিক ওই প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিজেদের অধিকারের দাবিতে সোচ্চার হয়ে ওঠে উদীয়মান উন্নয়নশীল দেশগুলো। বিশ্বব্যাংকে চীনের মাত্র ৫.৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে ১৬.৯ শতাংশ এবং জাপানের রয়েছে ১৫.৬ শতাংশ শেয়ার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) চীনের জন্যে রয়েছে মাত্র ৪ শতাংশ শেয়ার, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের জন্যে রয়েছে ২০ শতাংশ শেয়ার। তাই বাস্তব প্রতিফলন হয়ে উঠেছে ব্রিকস জোটের ওই নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক। বিশ্ব অর্থব্যবস্থায় র্দীঘদিন ধরে এককেন্দ্রিক শাসন চলছে এর অবসান ঘটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে শুরু করেছে। এর মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামনে নতুন আশার আলো জ্বলে উঠেছে নিঃসন্দেহে বলা যায়। এটা বলার আপেক্ষা রাখে না, বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ-এ কাক্সিক্ষত হিস্যা না পেয়েই মূলত ব্রিকসভুক্ত দেশগুলো বিকল্প ওই অর্থনৈতিক প্ল্যাটফরম প্রতিষ্ঠা করেছে এবং ইতিমধ্যে বেশ ভালো করেছে। আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবসায় এর প্রভাবে পশ্চিমা বিশ্বের প্রভাব অনেকটা কমতে শুরু করেছে। এক ধরনের নতুন প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো অভ্যন্তরীণ সংস্কারে আরো উদ্যোগী হয়েছে। ব্রিকসভুক্ত দেশগুলো বিশ্ব অর্থনীতির নীতি নির্ধারণে আরো বড় ভূমিকা পালন করতে চাইছে- সেটা এখন সুস্পষ্ট। সেক্ষেত্রে তারা পশ্চিমা দেশগুলোকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি ধরে রাখার পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ঠসমূহ ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জন এবং বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সুখী সমৃদ্ধ উন্নত দেশে পরিণত করতে বৈদেশিক অর্থায়ন নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোভিড-১৯ পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে কার্যক্রম সফল করতেও বৈদেশিক অর্থায়ন জরুরি। এই প্রেক্ষাপটে, নতুন ওই ব্যাংকটির সদস্যপদ অর্জন করায় বৈদেশিক অর্থায়নের ক্ষেত্রে আরো অনেক নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে শাসক শ্রেণি ওই সুযোগকে জাতীয় স্বার্থে ততটুকুই ব্যবহার করতে পারবেন এতটুকু মাত্রায় তা আত্মনির্ভরতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হবেন এবং পশ্চিমাদের খপ্পর থেকে বার হয়ে আবার ব্রিকসের খপ্পরে পরা থেকে বিরত থাকবেন।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..