টিকাদানে দক্ষিণ এশিয়ায় পেছনের সারিতে বাংলাদেশ

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : বিভিন্ন সময়েই বলা হয়েছে, বাংলাদেশ টিকাদানের ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছে। দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের মধ্যে শুধু আফগানিস্তান ও মিয়ানমারের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। গত ৭ অক্টোবর প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর আগে গত ৩১ জুলাই প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, এই বছরের মধ্যে দেশের ৪০ শতাংশ নাগরিককে কোভিড-১৯ টিকার দুটি ডোজ দেওয়া সম্পন্ন করতে যে হারে টিকা প্রয়োগের প্রয়োজন, তা থেকে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। গত দুই মাসে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে করোনা প্রতিরোধক টিকা কার্যক্রমে ভালো অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ এক্ষেত্রে এখনও বেশ পিছিয়ে আছে। আওয়ার ওয়ার্ল্ড ইন ডেটা নামের ওয়েবসাইটের তথ্যানুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর পর্যন্ত করোনার অন্তত এক ডোজ টিকা পেয়েছেন বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ২১ শতাংশ। ভারতের এই হার ৪৮ শতাংশ এবং পাকিস্তানে শতাংশ। অন্যদিকে নেপালের শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ৫৫ শতাংশ এবং ভুটান ও মালদ্বীপের ৬৪ শতাংশ মানুষকে টিকার দ্বিতীয় ডোজও দেওয়া হয়ে গেছে। তবে বাংলাদেশের চেয়েও পিছিয়ে আছে মিয়ানমার ও আফগানিস্তান। মিয়ানমারে মোট জনসংখ্যা সাত শতাংশ এবং আফগানিস্তানের দুই শতাংশেরও কম লোককে করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংক বলছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো পর্যাপ্ত টিকা পায়নি। টিকাদানের সুবিধাও অপ্রতুল এসব দেশে। টিকা কেনা ও বিতরণের জন্য এ অঞ্চলে নয় কোটি ডলার অর্থায়নের ঘোষণা দিয়েছে বহুজাতিক ব্যাংকটি। এদিকে আরেকটি হিসাবে বলা হচ্ছে, যদি এই বছরের মধ্যে ৪০ শতাংশ মানুষকে টিকাদান সম্পন্ন করতে হয়, তবে বাংলাদেশকে দিনে শূন্য দশমিক ৪৯ শতাংশ হারে টিকা দিতে হবে। আর ২০২২ সালের মাঝামাঝিতে ৬০ শতাংশকে টিকা দিতে হলে দিনে শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ হারে টিকা দিতে হবে। সাড়ে ১৬ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশে ৪০ শতাংশ নাগরিককে টিকা দিতে ১৩ কোটি ১৮ লাখ ডোজ টিকা লাগবে। আর ৬০ শতাংশকে টিকা দিতে লাগবে প্রায় ২০ কোটি ডোজ টিকা। বাংলাদেশ এখন যে হারে টিকা দিচ্ছে, তাতে এই বছর নাগাদ ১৯ দশমিক ৬৪ শতাংশকে টিকা দেওয়া সম্ভবপর হবে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..