আকস্মিক ঘোষণায় কারখানা খুলে দেয়ার প্রতিবাদ

মালিকদের ‘আবদারে’ বেতন কাটা ও সীমাহীন হয়রানির রাস্তা খুলে দিয়েছে সরকার

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : আকস্মিক ঘোষণায় কারখানা খুলে দিয়ে শ্রমিকদের সীমাহীন দুর্ভোগে ফেলে দেয়ার প্রতিবাদ জানিয়েছে গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র। সংগঠনের সভাপতি মন্টু ঘোষ ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন গত ৩১ জুলাই দেওয়া এক বিবৃতিতে মালিকদের আবদারে সরকারের এমন নির্লজ্জ পশ্চাদপসরণের তীব্র নিন্দা জানান। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, গণপরিবহন বন্ধ রেখে শ্রমিকদের কাজে ফেরার নির্দেশ দিয়ে তাদের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি ও সীমাহীন হয়রানীর মধ্যে ফেলা হয়েছে। যার ক্ষতিপূরণ মালিকপক্ষ ও সরকারকে দিতে হবে। তারা বলেন, ৩০ জুলাই গণমাধ্যমে কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত প্রচার করা হয়েছে। টেলিফোনে শ্রমিকদের ১ আগস্ট কাজে যোগদানের কঠোর নির্দেশ দিয়ে, অন্যথায় চাকুরিচ্যুতির হুমকি দেয়া হয়েছে। আবার ৩১ জুলাই বলা হচ্ছে, গ্রামে থাকা শ্রমিকদের এখনই কাজে যোগদান বাধ্যতামূলক নয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, এসব কিছু শ্রমিকদের সাথে তামাশা ও মিথ্যাচার ভিন্ন আর কিছু নয়। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, মালিকপক্ষ মূলত চলমান এ কঠোর বিধিনিষেধে শ্রমিকদের বেতন কাটার চক্রান্তে লিপ্ত। নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে দাবি জানান, গণপরিবহন চালু না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদের কাজে ফিরতে বাধ্য করা যাবে না। কাজে যোগদানে অপারগ শ্রমিকের বেতন কাটা কিংবা চাকরিজীবন ক্ষতিগ্রস্ত করা চলবে না। যে শ্রমিকরা চার-পাঁচগুণ অর্থ ব্যয় করে, পায়ে হেঁটে, রিকশা-ভ্যান চেপে, ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবেলা করে কর্মস্থলে ফিরবে তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। বিধিনিষেধ চলাকালীন কাজ করালে শ্রমিকদের ঝুঁকি ভাতা দিতে হবে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে শ্রমিকদের করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার দাবি জানান। এর অন্যথা হলে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে বাধ্য হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..