‘আসা-যাওয়া’

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর যে কজন উপাচার্য নানা কারণে গণমাধ্যমে ‘হিট’ তার মধ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ‘সর্বজনাব’ অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ অন্যতম। এই সময়ে সবচেয়ে ‘হিট উপাচার্য’ হচ্ছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম আবদুস সোবহান। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির যেসব অভিযোগ এসেছে সেসব তদন্ত করতে গিয়ে ঘাম ছুটে যাচ্ছে ইউজিসির। সেই হিসেবে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর মাত্র ১০৮টি অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করছে ইউইজসি। উপাচার্যরা প্রচণ্ড গুণী মানুষ। সেই হিসেবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যও গুণী মানুষ। গতবছর বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক উপাচার্যের একটি হাজিরা খাতা তৈরি করে ক্যাম্পাসে টাঙ্গিয়ে দিয়েছিলেন। তাতে দেখা যাচ্ছে, উপাচার্য তাঁর নিয়োগের পর ৯৭৯ দিনের মধ্যে ক্যাম্পাসে ছিলেন মাত্র ২২৭ দিন। আর অনুপস্থিত ছিলেন ৭৫২ দিন। এ বছর তো আরো খারাপ অবস্থা। সহকর্মী অভিযোগ মতে, তিনি দীর্ঘ এক বছর ক্যাম্পাসে আসেন না। একাডেমিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। এতেই বোঝা যায়, তিনি মাঝে-সাঝে ক্যাম্পাসে আসেন। তবে সবাই তখন তার দেখা পায় না। তাঁর আসা-যাওয়ার মধ্যে আছে আলো-আঁধারির খেলা! ওই যে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান আছে যে, ‘আসা-যাওয়ার মাঝখানে/একলা আছ চেয়ে কাহার পথ-পানে॥/আকাশে ওই কালোয় সোনায় শ্রাবণমেঘের কোণায় কোণায়/ আঁধার-আলোয় কোন্ খেলা যে কে জানে/ আসা-যাওয়ার মাঝখানে॥’ উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ যেহেতু জাতীয়ভাবেই ‘হিট উপাচার্য’; সে কারণে উত্তরবঙ্গের মানুষ ও শিক্ষকদের পক্ষে এটা বোঝার কোনো উপায় নেই তার আসা-যাওয়ার মাঝখানে কোন ‘আলো-আঁধারের খেলা’ চলছে। সাক্ষাৎ পেলে না হয় উপাচার্যকে সেই কথা জিজ্ঞেস করা যেত! কিন্তু তিনি তো...। প্রথমবার গত ১৫ জানুয়ারি কলিমউল্লাহ পেছনের দরজা দিয়ে ক্যাম্পাসে যান। তখন শিক্ষকরা তাঁর বাসভবন ঘেরাও করতে গেলে তিনি পেছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে যান। এরপর ১৭ জানুয়ারিও একই ঘটনা ঘটে!!

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..