মার্কিন মসনদে বাইডেন এবং পুঁজিবাদী মোড়লদের বিশ্ব রাজনীতি

অ্যাড. হাসান তারিক চৌধুরী

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর রাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে গত ২০ জানুয়ারি দায়িত্বভার নিয়েছেন মিস্টার জো বাইডেন। ডেমোক্র্যাট দলের এই রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ কোনোভাবেই দেশটির নয়া ফ্যাসিস্টরা মেনে নিতে পারছিল না। তাই এই নয়া ফ্যাসিস্ট গুন্ডারা দেশজুড়ে সন্ত্রাস এবং ভাঙচুর শুরু করে। এমনকি তাঁদের নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প গদি ছাড়ার আগ মুহূর্তেও ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে অস্ত্র হাতে দলে দলে ঢুকে পড়ে। তারা ঘোষণা দেয়, নির্বাচনে ফলাফল যাই হোক না কেন কোনভাবেই ডেমোক্র্যাট দলের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা তুলে দেয়া হবে না। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানীতে ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থকদের এই গুণ্ডামি সারা দুনিয়ার সভ্য মানুষকে হতবাক করেছে। সারা আমেরিকার মানুষই ভেবে আতঙ্কিত ছিলো যে, এই রায়ট আবার পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়ে কি-না! মোট কথা, ট্রাম্প সমর্থকদের এই সন্ত্রাস দেখিয়ে দিয়েছে, পশ্চিমা দুনিয়ার রাজনীতি যে গণতন্ত্রের বুলি কপচায় তার ভেতরটা যে কতো ফাঁপা তা এই ঘটনার মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়ে গেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে প্রকাশ হয়েছে, বাইডেনের অভিষেকের দিনে চরম প্রতিক্রিয়াশীলদের সন্ত্রাস ঠেকাতে পুরো ওয়াশিংটনে বিশ হাজারেরও বেশি সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এবং বিচার বিভাগও এই খবর নিশ্চিত করেছে। এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিখ্যাত ইতিহাসবিদ মাইকেল বেসচলস যিনি বেশ কয়েক দশক ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিদের জীবনী এবং ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করছেন। এই ইতিহাসবিদ গত ১৪ জানুয়ারি বলেছেন, ‘মার্কিন গৃহযুদ্ধের সময়ও আব্রাহাম লিংকন এবং তাঁর সময়কার আইনপ্রণেতাদের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য এরকম সৈন্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় নি।’ ট্রাম্প বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকে এতটাই লজ্জাজনক এবং মধ্যযুগীয় পর্যায়ে নিয়ে গেছে যে, ফেসবুক, টুইটার এবং ইউটিউব ইত্যাদি সামাজিক গণমাধ্যম স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তাঁদের নিজ নিজ মাধ্যমে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে। কারণ এসব আন্তর্জাতিক সামাজিক গণমাধ্যম ট্রাম্পের এই নয়া ফ্যসিবাদের দায় নিতে চায় না। এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টকে কোনো বহুজাতিক সংস্থা এভাবে প্রত্যাখ্যান করলো। কারণ, এসব আন্তর্জাতিক সামাজিক গণমাধ্যম যে বহুজাতিক বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে, সে বৈশিষ্ট্য নিজগুণেই এক ধরনের বুর্জোয়া ভদ্রতা, উদার মানবতাবাদ এবং পরিবেশবান্ধব নীতি বহন করে। অন্যথায় বিশ্বজুড়ে তাঁদের ব্যবসা চালানো কঠিন। এতো কিছুর পরেও কি মার্কিনের যুদ্ধবাজ প্রতিক্রিয়াশীল রাজনৈতিক চক্র তাদের অপতৎপরতা থামিয়েছে? মোটেই না। দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক চাপে তারা মসনদ ছেড়েছে ঠিকই, কিন্তু ক্ষমতা ছাড়ার আগ মুহূর্তেও তাদের নানা রকম দুরভিসন্ধি তারা অব্যাহত রেখেছে। যার এক বিরাট উদাহরণ হলো, মার্কিন প্রতিহিংসায় ক্ষত-বিক্ষত সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র কিউবা। ট্রাম্পের ক্ষমতা ছাড়ার আগ মুহূর্তে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও গত ১৮ জানুয়ারি তাদের বেশকিছু রাষ্ট্রীয় নীতি ঘোষণা করে যায়। এসব রাষ্ট্রীয় নীতির অধিকাংশই আগ্রাসী এবং হিংসাত্মক। এসব নীতির মধ্যে রয়েছে, কিউবাকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা। যাতে করে কিউবার সমাজতান্ত্রিক সরকার আন্তর্জাতিকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়ে, কোনো প্রকার মানবিক সাহায্য না পায়। শুধু কিউবাই নয়, ভেনেজুয়েলা এবং বলিভিয়ার বিরুদ্ধেও হিংসাত্মক নীতি গ্রহণ করে বিদায়ী ট্রাম্প প্রশাসন। তারা এমন সব রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যায় যাতে করে জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্র্যাট দলের পরবর্তী সরকার এসে চরম বিপাকে পড়ে। এমনইভাবে বিদায়ী ট্রাম্প সরকার শুধুমাত্র নিজেদের নয়া রক্ষণশীল এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য পুরো আমেরিকা মহাদেশকেই এক বিপদ এবং সংঘাতের জায়গায় নিয়ে গেছে। তাদের চাপিয়ে দেয়া এই ফর্মুলায় চলতে গিয়ে শুধু আমেরিকা মহাদেশই নয়, সমগ্র বিশ্বই এক মহাবিপদের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে পৌঁছেছে। একথা সবাই জানেন যে, মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি কেমন হবে? তার ওপর নির্ভর করে দুনিয়ার মানুষ কতটা শান্তিতে থাকবে? দুনিয়াজুড়ে অস্ত্র ব্যাবসা কী পরিমাণে হবে? এখন কথা উঠছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জো বাইডেন ক্ষমতা আরোহনের ফলে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে কী ধরনের পরিবর্তন আসবে? এর ফলে দুনিয়ায় যুদ্ধের সম্ভাবনা কমে আসবে কি-না? ইত্যাদি। ট্রাম্প সরকারের আমলে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সবচেয়ে বড় আগ্রহের জায়গা ছিলো এশিয়া। ‘পিভট টু এশিয়া’ নামের এক নীতির আওতায় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েই তাদের মোট সামরিক শক্তির ৬০ শতাংশ এশিয়া মহাদেশে মোতায়েন করে। মার্কিনের এই নীতির আওতায় প্রধানতঃ আফগানিস্তানে ন্যাটো সেনা মোতায়েন, ভারত মহাসাগরে ভারত-মার্কিন যৌথ সামরিক মহড়া জোরদার করা, কোরীয় উপদ্বীপে শক্তিশালী মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানো, জাপানে মার্কিন সেনা ঘাঁটিগুলো টিকিয়ে রাখা এসব অপতৎপরতা অন্তর্ভুক্ত। বাইডেন সরকারের আমলে এসব ক্ষেত্রে কী ধরনের পরিবর্তন আসবে? এসব নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া শোনা যাচ্ছে। কিন্তু মানুষের মন্তব্য যাই হোক, আসল জিনিস নির্ধারিত হয় কাজের মধ্য দিয়ে। যে কোনো সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ এবং তাঁর বাস্তবায়নের ভেতর দিয়েই বোঝা যায় তার রাজনীতির গতিমুখ কোন দিকে যাচ্ছে? মার্কিন রাজনীতির ভবিষ্যত গতিমুখ নিয়ে আমি এর আগে একটি আমার একটি লেখায় বলেছিলাম, ডেমোক্র্যাট দলের এই রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ তাঁদের নির্বাচনী ইশতেহারের কাছে দায়বদ্ধ। ফলে বাইডেনের প্রশাসন সেখান থেকে সরে যেতে চাইলে যে প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে তা তারা সামাল দিতে পারবে না। এখানে আরো একটি উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো, ডেমোক্র্যাট দলের এই রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণের পেছনে অর্থাৎ তাঁদের এই বিজয়ের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভোট, কালো মানুষের ভোট, ট্রেড ইউনিয়নসমূহ, সমকামী-তৃতীয় লিঙ্গ এবং এসব ধারার কেন্দ্র কমিউনিস্ট ও প্রগতিশীল শক্তির বিরাট অবদান রয়েছে। নয়া ফ্যাসিস্ট রাজনীতির দানব ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উৎখাতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কমিউনিস্ট পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁদের কমরেডদের এই নির্বাচনী লড়াইয়ে যুক্ত করে। এই লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে মার্কিন কমিউনিস্টরা একদিকে যেমন ডোনাল্ড ট্রাম্পের তথাকথিত ‘আমেরিকা ফার্স্ট পলিসি’ অর্থাৎ তার নয়া ফ্যাসিস্ট রাজনীতির আসল চেহারা দেশটির জনগণের কাছে উন্মোচিত করে। অপরদিকে মার্কিন কমিউনিস্টরা একুশ শতকের আধুনিক পুঁজিবাদের দেউলিয়াত্বও দেশটির জনগণের সামনে তুলে ধরে। যা কিনা করোনা মহামারিতে জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার ক্ষেত্রে মার্কিন সরকারের চরম ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে আরও স্পষ্ট হয়েছে। এবারের নির্বাচনের প্রচারের মধ্য দিয়ে মার্কিন কমিউনিস্টরা ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করেছে, শ্রেণিবিভক্ত মার্কিন সমাজে শুধু ডেমোক্র্যাট দলের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা তুলে দেয়া মানেই সব সমস্যার সমাধান নয়। কারণ, ডেমোক্র্যাট দলও তার বুর্জোয়া শ্রেণি সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে নয়। যে সমাজে মুনাফা জনগণের আগে স্থান পায়। সে নীতি বাতিল করে জনগণের স্বার্থকে মুনাফার আগে স্থান দিতে পারলেই সমস্যার কূল-কিনারা হবে। এই ছিল এবারের নির্বাচনে মার্কিন কমিউনিস্টদের মূল প্রচারণা। তারা নির্বাচনে ট্রাম্পকে হটাতে বাইডেনকে ভোট দিয়েছেন ঠিকই। কিন্তু ডেমোক্র্যাট দলের বুর্জোয়া শ্রেণি সীমাবদ্ধতার সম্পর্কেও জনগণকে সতর্ক করেছেন এবং নিজেরা প্রতি মুহূর্তে সতর্ক থেকেছেন। মার্কিন কমিউনিস্টরা এটাও ঘোষণা দিয়েছেন, ডেমোক্র্যাট দলের সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপ তারা নজরে রাখবেন এবং তাদের যে কোনো গণবিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রাজপথে তীব্র সংগ্রাম অব্যাহত রাখবেন। এমনই এক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গত ২০ জানুয়ারি দায়িত্বভার গ্রহণের পর জো বাইডেন ১৫টি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। যার মধ্য দিয়ে বাইডেন ট্রাম্পের আমলে জারি করা বেশকিছু অধ্যাদেশ বাতিল করে দেন। যা কিনা মার্কিন রাজনীতিতে এক ইতিবাচক আলামত হিসেবেই বিবেচনা করা যায়। এই ১৫টি নির্বাহী আদেশের মধ্যে মূলত রয়েছে, করোনা অতিমারি মোকাবিলার অর্থনীতি, অভিবাসী আইন এবং বর্ণবাদী উত্তেজনা প্রসঙ্গ এবং পরিবেশবান্ধব নীতি প্রভৃতি। বাইডেনের এসব নীতি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই স্পষ্ট হবে পুঁজিবাদী মোড়লদের বিশ্ব রাজনীতি আগামীদিনে কোন দিকে যাবে। বাইডেনের এসব নীতি যদি যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে সঙ্গত কারণেই এর অভিঘাত বিশ্ব রাজনীতিতে পড়বে। বাইডেন তাঁর ১৫টি নির্বাহী আদেশের মধ্যে বলেছেন, করোনা মহামারিকালে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে প্রত্যাহার করেছে। যেটি সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না। বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রকে তাঁর এই আদেশের মধ্য দিয়ে পুনরায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত করলেন। ট্রাম্পের পূর্বেকার আদেশ বাতিল করে বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রকে আবার জলবায়ু সংক্রান্ত প্যারিস চুক্তিতে যুক্ত করলেন। তাঁর এই নির্বাহী আদেশে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রদায় এবং বর্ণগত সাম্য নিশ্চিত করার বেশ কিছু আইন জারি করেন, একইসঙ্গে তিনি সাতটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের ওপর আরোপিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেন। ট্রাম্পের শেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী প্রচারণার এই জোয়ারের সময় রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণের দিনই বাইডেন প্রশাসনের এরকম সিদ্ধান্ত গ্রহনের বেশ তাৎপর্য রয়েছে। কিন্তু এসকল সিদ্ধান্তের পরও কথা থেকে যায়। কথা থেকে যায়, এশিয়া এবং পুরো বিশ্বে বাইডেনের নীতি কী হবে? এ প্রসঙ্গে ওয়াশিংটনের উড্রো উইলসন সেন্টারের গবেষক মাইকেল কুজেল্মান বলেছেন ভিন্ন কথা! তিনি তাঁর এক প্রবন্ধে সম্প্রতি লিখেছেন, এশিয়ার ক্ষেত্রে বাইডেনের আমলে মার্কিন নীতির তেমন কোনো পরিবর্তন হবে না। বিশেষ করে চীন, ভারত এবং রাশিয়া প্রসঙ্গে। এই গবেষক স্পষ্ট করেই লিখেছেন, ভারতের বর্তমান মোদী সরকারের সাথে মার্কিনের মাখামাখি আরও বৃদ্ধি পাবে। ২০২০ সালে বেসিক এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড কো-অপারেশন এগ্রিমেন্ট (বিইসিএ) নামে ভারত এবং মার্কিনের মধ্যে যে শক্তিশালী সামরিক চুক্তি হয় তা আবারো নবায়িত হবে। ফলে ভারতের সাথে চীনের যে দ্বন্দ্ব তাতে এই চুক্তি ব্যাপক উস্কানি যোগাবে। পাশাপাশি আসিয়ান জোটের সাথে মার্কিনের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এবং তাদের সাথে মার্কিনের সামরিক সুজগিতা আরও জোরদার হবে। যেটি দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে চীন-মার্কিন দ্বন্দ্ব আরো বহুগুণে বাড়িয়ে দেবে। এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম শুধু হবে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার প্রসঙ্গ। বাইডেনের আমলে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার আগের চেয়ে তরান্বিত হবে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। অন্যদিকে প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চল থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার আগের চেয়ে তরান্বিত হবে কি-না, এ বিষয়টি এখনো পরিষ্কার করেন নি বাইডেন প্রশাসন। তবে এ বিষয়ে তাদের পদক্ষেপ কী হবে তা অনুধাবন করতে আরো কিছুদিন সময়ের প্রয়োজন রয়েছে। লেখক: সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রধান

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..