ফরিদপুর কৃষক সমাবেশ

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
ফরিদপুর জেলার কৃষিভিত্তিক একমাত্র ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান ফরিদপুর চিনিকল বন্ধের পাঁয়তারা বন্ধ, আড়পাড়া ইউনিয়নে সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যের সার ও বীজ বিতরণে মারাত্মক অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে এবং বিনামূল্যে কৃষকদের সেচসুবিধাসহ সার বীজ কীটনাশক প্রদান, খাজনা প্ররিশোধ পদ্ধতি ডিজিটালকরণ ও কৃষি ফসলের লাভজনক দামের দাবিতে কামারখালীতে এক কৃষক সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা কেরামত আলি লালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, কৃষক সমিতি ফরিদপুর জেলা কমিটির সভাপতি অ্যাড. মানিক মজুমদার, ফরিদপুর আঞ্চলিক কমিটির সদস্য সচিব আব্দুর রহমান, সিপিবি মধুখালী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক শাহ কুতুবুজ্জামান, সিপিবি কামারখালী ইউনিয়ন শাখা সম্পাদক আলেয়া বেগম মীরা। সভায় আ. রহমান বলেন, করোনাকালে প্রায় সাড়ে তিন হাজার লোক কোটিপতি হয়েছে। এদের মধ্যে কেউ কৃষক নেই। অথচ দেশে লকডাউনে সব বন্ধ ছিল। কিন্তু কৃষক ঠিকই সতের কোটি মানুষের খাবার যুগিয়েছে। অথচ তারা অবহেলিত। অ্যাড. মানিক মজুমদার বলেন, দেশ স্বাধীনের পর চরম অর্থনৈতিক সংকটকালে বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে চিনি শিল্পকে জাতীয়করণ করলেন। ২৮ তারিখের মধ্যে শ্রমিকের বেতন পরিশোধ করতেন। কিন্তু দেশ আজ এত উন্নত তারপরেও কেন কৃষিভিত্তিক ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান চিনি শিল্প ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তিনি ফরিদপুর জেলার একমাত্র কৃষিভিত্তিক ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান ফরিদপুর চিনি কল বন্ধের পাঁয়তারা রুখে দিতে যেকোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি অভিযোগ করে বলেন চিনিশিল্পে লোকসানের জন্য সরকারের ভুলনীতি এবং দুর্নীতি দায়ী। শাহ কুতুবুজ্জামান বলেন, কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনতে সরাসরি কৃষকদের সেচসুবিধাসহ সার বীজ কীটনাশকসহ উৎপাদন উপকরণ বিনামূল্যে দিতে হবে। এতে উৎপাদন খরচ কমে আসবে ফলে ভোক্তারা কম মূল্যে কিনতে পারবে। এতে সরকারই লাভবান হবেন। আলেয়া বেগম মীরা বলেন, কৃষি বাচঁলে কৃষক বাচঁবে। আর কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশে কৃষককে বঞ্চিত করে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিজ্ঞপ্তি

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..