সাধ-আহ্লাদ!

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : দুনিয়ায় সবারই সাধ-আহ্লাদ আছে। সাধ-আহ্লাদ ছাড়া মানুষ হয় না। সাধ-আহ্লাদ পূরণ করাও দরকার। একেকজনের সাধ-আহ্লাদ একেক রকম। এ কারণেই বলা হয়, সাধ-আহ্লাদ পূরণ করার জন্য কেউ দুধ বেচে মদ খায়; আর কেউ মদ বেচে দুধ খায়। যার যেরকম ইচ্ছা! পুলিশেরও সাধ-আহ্লাদ আছে। এই যেমন রাজশাহী মহানগর পুলিশের কয়েকজন সদস্যকে সম্প্রতি বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের সাধ হয়েছিল জুয়া খেলার! জুয়া খেলতে তো কোনো সমস্যা নাই! কিন্তু সমস্যা হয়েছে, তারা ধরা পড়াতে। তাও নিজেদের সহকর্মীরাই গিয়ে তাদের ধরেছে। এটা কি ঠিক হইল? বিভাগীয় মিল-মহব্বত বলতেও তো একটা ব্যাপার থাকে! একজন সহকর্মী সারাদিন ‘জনতার বন্ধু‘ হিসেবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে করতে ক্লান্ত-শ্রান্ত-অবসন্ন হৃদয় নিয়ে নিজের বাসায় না গিয়ে জুয়ার আসরে বসে নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করছেন; আর পুলিশ গিয়ে কি না সেখানেই অভিযান চালাল। পরে জানা গেছে, তারা সেখানে নিয়মিতই মদ ও জুয়ার আসর বসাতেন। পুলিশে বড়কর্তা অবশ্য একে ‘পিকনিক‘ বলে অভিহিত করেছেন। রাজশাহীর এই পুলিশ সদস্যদের খবর এখন নগরীর সবার মুখে মুখে। রাজশাহী সরকারি কলেজ মুসলিম ছাত্রাবাসের সামনে একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নয়জন পুলিশ সদস্যক জুয়া খেলা অবস্থায় আটক করা হয়। পরে তাদের পুলিশ লাইনে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে দুজন এএসআই ও চারজন কনস্টেবলসহ মোট ছয়জনকে সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করা হয়। তাদের বরখাস্ত করার আদেশে বলা হয়েছে, পিআরবি রুলস ৮৮০ মোতাবেক অভিযুক্তদের ৭ জানুয়ারি পূর্বাহ্ণ থেকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। তারা সকলে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত থাকবেন এবং বিধি মোতাবেক খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..