ইতিহাসের পাতা থেকে

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
[নিচের লেখাটি ১৯৭৯ সালের ৩০ নভেম্বরের সংখ্যায় প্রকাশিত] সরকারি নীতি ও পুলিশি দুর্নীতির পরিণতি কৃষকের বুকে গুলি একতা রিপোর্ট অবশেষে আখচাষিকে গুলি খেতে হলো। গত শনিবার ২৫ নভেম্বর রাজশাহী জেলার চারঘাটা থানার চক মোক্তারপুর গ্রামের আখচাষি আলাউদ্দিনের জীবনদীপ মাত্র ২৬ বছর বয়সেই নিভে গেছে পুলিশের গুলিতে। গুরুতরভাবে আহত হয়েছে হয়েেেছন ৬ জন : আসিয়া খাতুন, গুলছান বিবি, গাদল শেখের স্ত্রী, মাদের আলী ও খোদা বক্স। গ্রেফতার করা হয় অন্তত ৭০ জন চাষিকে। মহিলাদের আহত হওয়া থেকেই পুলিশি নির্যাতনের বাড়াবাড়ি বোঝা যায়। মুখে অবিরাম উৎপাদন বৃদ্ধির আহ্বান জানালেও সরকার, বিশেষত সরকারের আমলাযন্ত্র দেশের মূল উৎপাদক শ্রেণি মেহনতি কৃষকদের স্বার্থকে কিভাবে পদদলিত করতে পারে এই গুলিবর্ষণের ঘটনায় তা আর একবার পরিষ্কার হয়ে গেল। পাটচাষিদের পাটের ন্যায্য মূল্য থেকে নির্মমভাবে বঞ্চিত করার পর এবার আখচাষিদের পালা। বছরের পর বছর ঘুরে ঘুরে কৃষকদের ওপর এই শোষণই চলছে। (....) য় [নিচের লেখাটি ১৯৮০ সালের ২১ নভেম্বরের সংখ্যায় প্রকাশিত] শ্রমিক আন্দোলনের নতুন দিগন্ত পর্যবেক্ষক বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের তৃতীয় জাতীয় সম্মেলন এ মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। রাজধানীর বাইরে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত তিন দিনের এই সম্মেলন আমাদের দেশের ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনা। দেশের প্রধান প্রধান ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের বন্ধুপ্রতিম প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ, সোভিয়েত, ভারত ও আইএলও’র ভ্রাতৃপ্রতিম প্রতিনিধিদলের যোগদান, বিশ্বের ছয় দেশের ট্রেড ইউনিয়নসমূহের শুভেচ্ছাবাণী, তিন দিনের আলোচনা শেষে বর্ণাঢ্য এক শোভাযাত্রা, গুরুগম্ভীর আলোচনার পর দিনের শেষে চমৎকার সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় প্রভৃতির মাধ্যমে সম্পন্ন এরূপ সম্মেলনের দৃষ্টান্ত ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের ক্ষেত্রে সম্ভবত এটাই একমাত্র। যা হোক, এ হলো বাইরের দিক যা সকলের চোখে পড়েছে, যা চট্টগ্রামের সকল মানুষকে বিশেষত মেহনতি মানুষকে তিন দিন মাতিয়ে রেখেছিল অথচ রাজধানী থেকে প্রকাশিত জাতীয় সংবাদপত্রসমূহের কোনো নিভৃত কোণেও যার সম্পর্কে দু’লাইনও লেখা হয়নি। অবাধ ধনবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই সম্মেলনে গৃহীত মূখ্যনীতি ও সিদ্ধান্তসমূহের বিষয়ে যাওয়ার আগে পটভূমিকায় দু’চারটে কথা বলতে হয়। স্বাধীনতা অর্জনের পর সৃষ্ট প্রগতির যারা পাল্টে দিয়ে দেশের নতুন শাসকগোষ্ঠী ও অবাধ ধনবাদী বিকাশের প্রবক্তারা আজ দেশে ধনবাদী শোষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করেছেন। (....) (....) সাম্রাজ্যবাদী ও অন্যান্য ধনবাদী দেশের পুঁজি, ঋণ ও তথাকথিত সাহায্যের মাধ্যমে আমাদের দেশ আজ এক নয়া উপনিবেশক ধরনের শোষণের নিগড়ে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে। এক কথায় আমাদের দেশ আজ দেশি ও বিদেশি পুঁজির শোষণের উর্বর ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এই অবস্থায় শ্রমিকদের প্রতি শাসকগোষ্ঠী ও ধনিক গোষ্ঠীর কি আচরণ হতে পারে? বলা বাহুল্য, এই ব্যবস্থায় শ্রমিক ও সকল ধরনের মেহনতি মানুষ নির্মম শোষণ ও নিষ্ঠুর দমননীতির অসহায় শিকারে পরিণত হয়। আমাদের দেশে তাই হয়েছে। এছাড়া আমাদের দেশের গোটা অর্থনীতি আজ বিশ্ব ধনবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার অংশ হয়ে পড়েছে। (....) মজুরি বৃদ্ধির চেয়ে মজুরি দাসত্বের অবসান করে এই পটভূমিকায় অনিবার্যভাবে শ্রমিক আন্দোলনকে নয়া উপনিবেশবাদী শোষণের নিগড় থেকে মুক্তির জন্য জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের অংশ হতে হয়, ধনবাদী সমাজ ব্যবস্থা নির্মাণের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হয়, দেশের শ্রমিক শ্রেণিকে আন্তর্জাতিক শ্রমিক আন্দোলনের এক কাতারে সামিল হতে হয়, সমাজের অপরাপর শোষিত মানুষ–ক্ষেতমজুর, গরিব কৃষক গরিব পেশাজীবী প্রভৃতির সাথে একাত্ম ও একতাবদ্ধ হতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলন বহু বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের ঐতিহ্য বহন করলেও এদিক থেকে ছিল ভীষণ দুর্বল। শোষণভিত্তিক, নানা ব্যাধিতে রুগ্ন ধনবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে, সমাজটা বদলে দেয়ার জন্য, নয়া উপনিবেশবাদী শোষণ ব্যবস্থা থেকে গোটা জাতিকে এবং একইসঙ্গে মেহনতি মানুষকে বাঁচানোর সংগ্রামে দেশের শ্রমিক আন্দোলন সুনির্দিষ্টভাবে পরিচালিত হয়নি। বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র এদিক থেকে কিছু কিছু প্রচেষ্টা চালালেও তা নেহায়েতই সামান্য। (....) (....) বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলন অর্থনৈতিক দাবি ও সুবিধা আদায়ের বাইরে বড় একটা যেতে পারেনি। ১৯৭৭ সালের জুলাই মাসে বেতন ও মজুরি কমিশনের ঘোষিত বেতন কাঠামো চালু করার সাথে সাথে দেশব্যাপী জেগে ওঠে প্রবল আন্দোলন। দেশে তখন জরুরি অবস্থা, ধর্মঘট, বেআইনি, সংগঠন গড়ার সুযোগ সীমিত ছিল। তা সত্ত্বেও প্রচণ্ড আন্দোলন হয়, একের পর এক ধর্মঘট হয়। বেসরকারি খাতের বিভিন্ন শিল্প ও সার্ভিসেও এ আন্দোলন হয়। এমনকি ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ও শিক্ষকরাও এ সময়ে শ্রমিক আন্দোলনের অনুরূপ আন্দোলনে নেমে পড়ে। এসব আন্দোলনের ফলে আর্থিক দিক থেকে শ্রমিক কর্মচারীরা বেশ কিছু সুবিধা আদায় করে নিতেও সক্ষম হন। কিন্তু আজ এটা সকলেই অনুভব করছেন যে, কারো মৌলিক সমস্যার সমাধান হয়নি। ডান হাতে যা দেয়া হয়েছে বাঁ হাতে তার চেয়ে কিছু বেশি কেড়ে নেয়া হয়েছে। (....) (....) জাতীয়কণের সমাজতান্ত্রিক লক্ষ্য স্থির করা, জাতীয়করণ সফল করা, হস্তান্তর বন্ধ করা, রাষ্ট্রীয় খাত শক্তিশালী করা ও সমগ্র শিল্পের নিয়ামক খাতে পরিণত করা, শিল্প ব্যবস্থাপনায় সংগঠিত শ্রমিক শ্রেণির অংশগ্রহণ করা প্রভৃতি এমন কতকগুলো ব্যবস্থা যা আমাদের সমাজ প্রগতির জন্য প্রয়োজন, যা সমাজতন্ত্র নির্মাণের একটা ভিত্তিভূমি তৈরি করবে এবং এ ধরনের উৎপাদন ব্যবস্থায় উৎপাদন সম্পর্কও পরিবর্তিত হতে থাকবে, ধাপে ধাপে শ্রমিকশ্রেণি মজুরির দাসত্ব থেকে মুক্তি লাভ করবে। দেশের শ্রমিক আন্দোলনে এই চেতনা, মেহনতি মানুষের মধ্যে এই বুঝ আজও নিদারুণভাবে অনুপস্থিত। ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের এই সম্মেলনে ভালভাবে আলোকপাত করা হয় এবং এ বিষয়ে আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। (....) ইউনিয়ন দখলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলনে আজকের একটা প্রধান সমস্যা হলো ক্ষমতাসীন দল কর্তৃক শ্রমিকদের ইউনিয়নগুলো দখল করে নেয়া। দেশি-বিদেশি ধনিক-বণিকদের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে শাসক গোষ্ঠী ও ক্ষমতাসীন দল শ্রমিকদের সংগঠন গড়ার অবাধ অধিকার খর্ব করে ও ধর্মঘটের অধিকার সীমিত করে ক্ষান্ত হয়নি। তারা শ্রমিক-কর্মচারীদের সব থেকে শাণিত হাতিয়ারটি কেড়ে নেয়ার ব্যবস্থা করেছে। তার জন্য খুন, রক্তপাত, গ্রেফতার, মিথ্যা মামলা, এলাকা থেকে পিটিয়ে বের করে দেয়া, বরখাস্ত করা প্রভৃতি নানা পন্থায় আক্রমণ চালিয়েছে। আক্রমণ চলেছে অনেকের ওপর। সবচেয়ে তীব্র আক্রমণ হয়েছে ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের ইউনিয়নসমূহের ওপর। অবশ্য এ ক্ষেত্রে তীব্র প্রতিরোধেরও সম্মুখীন হতে হয়েছে ক্ষমতাসীন দলকে। অবাধভাবে সংগঠন করার অধিকার অক্ষুণ্ন রাখার জন্য, ফ্যাসিস্ট পদ্ধতির হামলা রুখে দাঁড়ানোর জন্য ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র আহ্বান জানিয়েছে দেশের মেহনতি মানুষের প্রতি, আহ্বান জানিয়েছে ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠনসমূহের প্রতি, আহ্বান জানিয়েছে দলমত নির্বিশেষে সকল জাতীয় ট্রেড ইউনিযন ফেডারেশনসমূহের প্রতি। শ্রমিকদের অবাধে ইউনিয়ন করার অধিকার ও সুযোগ ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রাম করেই রক্ষা করতে হবে। এটাই সম্মেলনের আহ্বান। বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলন বহুধা বিভক্ত। অনেক নেতা, অনেক মত অনেক ফেডারেশন, নেহায়েত চিহ্নিত দালালরা ছাড়া সকলকেই আজকের অবস্থায় লড়তে হয়েছে। কিন্তু এ লড়াই হয়েছে পৃথক পৃথকভাবে, একটা থেকে আরেকটা বিচ্ছিন্ন থেকে। দাবি ছিল মূলত একই ধরনের, সর্ববৃহৎ নিয়োগকারী এ দেশের সরকারের বিরুদ্ধে এসব লড়াই পরিচালিত হয়। ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র এই সংগ্রামকে ঐক্যবদ্ধ করার এবং পরস্পরের সংগ্রামের প্রতি সংহতি প্রতিষ্ঠার কাজকে পূর্বাপর গুরুত্ব প্রদান করে এসেছে। ৭ দফা জাতীয় ন্যূনতম দাবির ভিত্তিতে নয়টি জাতীয় ফেডারেশনের ঐক্য এবং কতকগুলো ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের প্রচেষ্টার ফল। ঐক্য এখনো বহাল আছে কিন্তু নিষ্ক্রিয়, দলীয় সংকীর্ণতা, নেতৃত্ব জাহির করার প্রবণতা, জাতীয় রাজনীতিতে বিভেদ ও বিবাদের প্রভাব প্রভৃতি কারণে নয় ফেডারেশনের ঐক্য আজ সংগ্রামের কর্মসূচি নিয়ে সক্রিয় নয়। শ্রমিকদের মধ্যে ঐক্যচেতনা বাড়িয়ে, ঐক্যের পক্ষে শক্তিশালী সমাবেশ গড়ে তুলে নয় ফেডারেশনের ঐক্যকে সক্রিয় করে তুলতে হবে– এটাই কেন্দ্রের সম্মেলনের সিদ্ধান্ত। আজকের অবস্থায় শ্রমিক আন্দোলনের ঐক্যই সাফল্যের একমাত্র গ্যারান্টি। বিশ্বশান্তি নিরস্ত্রীকরণ ও দাঁতাতের মধ্যে আমাদের স্বার্থ নিহিত সর্বশেষে, আজিকার বিশ্বে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিসমূহ বিশেষত মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে যেভাবে সমরসজ্জা চালাচ্ছে, যেভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি করে চলেছে, যেভাবে নৌবহরের সমাবেশ ঘটাচ্ছে, তাতে এক বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। (....) বিশ্বশান্তি, নিরস্ত্রীকরণ ও দাঁতাতের পক্ষে বিশ্বের শ্রমিকশ্রেণি দুনিয়াজোড়া এক আন্দোলনে শরিক হয়েছে। এই আন্দোলনে সাফল্যের সাথে আমাদের জাতীয় মুক্তি, সমাজ প্রগতি এমনকি শ্রমিক আন্দোলনের স্বার্থ প্রত্যক্ষভাবে জড়িত এধারা থেকে বাংলাদেশের শ্রমিক শ্রেণি বিচ্ছিন্ন নয়, কারণ সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা, আধিপত্যবাদী চীনের প্রত্যক্ষ হস্ত আমাদের জীবনের সর্বক্ষেত্রেই বিস্তৃত হয়ে পড়েছে। তাই বিশ্ব জোড়া শান্তি আন্দোলনে নিজেদের স্বার্থে আমাদের শরিক হতে হবে, আমাদের শ্রমিক ও মেহনতি জনগণকে শান্তি, নিরস্ত্রীকরণ ও দাঁতাতের পরিবেশ সৃষ্টির সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করে তুলতে হবে– কেন্দ্রের নীতি নির্ধারণী দলিলের এটাও অন্যতম মূল কথা। এই নীতি অনুমোদিত হয় এবং আফগানিস্তান, জিম্বাবুয়ে, নিকারাগুয়া, প্রভৃতির প্রতি সংহতি তুরস্ক, শ্রীলঙ্কা প্রভৃতি ক্ষেত্রে যুদ্ধবাজদের হামলার প্রতিবাদ, ইরান-ইরাক ভ্রাতৃঘাতি যুদ্ধ বন্ধের আবেদন, প্যালেস্টাইনের জনগণের প্রতি আমাদের সংগ্রামী সংহতি জ্ঞাপন প্রভৃতি প্রস্তাব এ সম্মেলনে গৃহীত হয়। এখন প্রশ্ন হলো, সঠিক নীতি নির্ধারণ একমাত্র কথা নয়, এই সমস্ত নীতিকে কার্যকরী করাই হলো আসল কথা। নীতি নির্ধারণের এবং বাস্তবোচিত কার্যক্রম নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এ সম্মেলন দেশের শ্রমিক আন্দোলনের ক্ষেত্রে নতুন এক দিগন্ত উন্মোচিত করেছে, এ কথা বলা যায়। সরকার ও প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির এতো হামলার পরও সাংগঠনিক রিপোর্ট হচ্ছে, কেন্দ্র আরও শক্তিশালী হয়েছে। এই সংহত শক্তি নিয়ে তারা দেশের মেহনতি জনগণের মধ্যে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারবেন, তাদের সচেতনতা বাড়িয়ে নিতে পারবেন, তাদের আরও সংগঠিত করতে পারবেন এবং শোষণমূলক ধনবাদী সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তে সমাজতন্ত্রের লক্ষ্যাভিসারী একটি জাতীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য শ্রমিক শ্রেণি ও মেহনতি জনগণকে প্রস্তুত করতে পারবেন।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..